মেইন ম্যেনু

আপনার প্রেম জমিয়ে তুলবে এই ফুল!

পিওনি ফুলকে ফুলের রানি বলা হয়ে থাকে ফেং শ্যুইয়ে৷ এর সৌন্দর্য রোমান্স-প্রেমের প্রতীক বলে মনে করা হয়৷ বলা হয়ে থাকে, যদি কোনো পরিবারে বিবাহযোগ্যা কেউ থাকে তাহলে তার ড্রয়িংরুমে এই ফুলের ছবি রেখে দিলে পরিবারে সৌভাগ্য আসে এবং কাঙ্খিত বরের সন্ধান পায় সেই তরুণী৷

ঘরের দক্ষিণ পশ্চিম কোন এই ফুল রাখলে নাকি তা বাড়ির পক্ষে শুভ৷ তবে সেই শুভ বিষয়টি ঘটলে দেওয়ালে টাঙানো সেই ফুলের ছবি সরিয়ে দিতে বলা হয় এবং তা উপহার হিসেবে অন্য কাউকে দিয়ে দেওয়া উচিত বলে মনে করা হয়৷

ফেংশ্যুই অনুযায়ী, এই ফুল নাকি সম্পর্ক ভেঙে যাওয়ার হাত থেকে রক্ষা করে৷ পিওনি গাছ প্রাকৃতিকভাবে এশিয়া, ইউরোপ ও উত্তর-আমেরিকার পশ্চিমাঞ্চলে জন্মে। বাগানের শোভাবর্ধনের জন্য বিশ্বের অনেক দেশেই এটি লাগানো হয়।

পিওনি গাছের কথা এসেছে প্রাচীন গ্রীক-রোমান লোককথায়। গ্রীক-রোমান মিথ অনুযায়ী, ‘পিয়ান’ হচ্ছে অ্যাপোলোর পূর্বনাম। অ্যাপোলোকে প্রাচীন গ্রীসের অধিবাসীরা দেবতা হিসেবে মানতো। অ্যাপোলোর ছেলের নাম এসক্লেপিয়াস। এসক্লেপিয়াসকে গড অব মেডিসিন বলা হয়। এসক্লেপিয়াস ও অ্যাপোলোর মাঝে থাকা কোনো এক দ্বন্দের কারণে জিউস(দেবতাদের রাজা) এসক্লেপিয়াসের ক্রোধ থেকে অ্যাপোলোকে বাঁচাতে অ্যাপোলোকে পিওনি ফুল বানিয়ে দেন।

মনোমুগ্ধকর পিওনি শুধু বিয়ে বা নানা উৎসবের মঞ্চ সাজানোর জন্যই উত্তম নয়। এটি খাদ্য হিসেবেও বেশ উপাদেয়। নিয়মিত এটি খেলে হাইপার টেনশন থেকে মুক্ত থাকা যায়।






মন্তব্য চালু নেই