মেইন ম্যেনু

আশুলিয়ায় নির্মাণ শ্রমিকের আত্মহত্যা

নিজস্ব প্রতিবেদক : চুরির অপবাদে আশুলিয়ায় গ্রাম্য সালিশে মারধর ও তালাবদ্ধ করে রাখার অপমান সহ্য করতে না পেরে নির্মল প্রামানিক নামে এক নির্মান শ্রমিক আত্নহত্যা করার অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় অভিযুক্ত তিনজনকে আটক করেছে পুলিশ। আত্নহত্যার প্ররোচণায় মামলা দায়ের করা হয়েছে।

রোববার ( ১৪ জুলাই) সকালে আশুলিয়ার টেঙ্গরী পুকুরপাড় এলাকা থেকে গলায় ফাঁস লাগানো ঝুলন্ত মরদেহটি উদ্ধার করে পুলিশ। পরে মরদেহটি ময়না তদন্তের জন্য মর্গে পাঠানো হয়।

আটককৃতরা হলো- আশুলিয়ার টেংঙ্গরী পুকুরপাড় এলাকার মৃত আহম্মেদ আলীর ছেলে বেলায়েত হোসেন(৫২),কুমিল্লা জেলার বরুড়া থানার পয়ালগাছা গ্রামের ইলিয়াছ মন্ডলের ছেলে আলমগীর হোসেন(৪০) ও আলমগীরের স্ত্রী আরোয়ারা বেগম(৩৮)। এদিকে নিহত নির্মান শ্রমিক নির্মলের গামের বাড়ি বগুড়া জেলার গাবতলী থানায়।

আশুলিয়া থানার এস আই রামকৃষ্ণ দাস জানান স্থানীয়দের বরাত দিয়ে জানান, গত রাতে রুবেল নামে এক ব্যক্তি অটোরিকশা চুরি সংক্রান্ত একটি বিষয় নিয়ে এলাকার কথিত মাতবর আতাল নির্মাণ শ্রমিক নির্মলকে ডেকে পাঠায়। পরে নির্মল গ্যারেজ মালিক বেলায়েত ও তার সহযোগী আলমগীরকে ফোন করে সেখানে ডাকে। কিন্তু বেলায়েতের সাথে কথিত মাতবর আতালের পূর্ব শত্রুতা থাকায় ঐ সময় তারা বাকবিতন্ডায় জড়িয়ে পড়ে। পরে স্থানীয় ইউপি মেম্বার করিম চিশতি সেখানে গিয়ে রোববার ( ১৪ জুলাই) সকালে অটোরিকশা চুরির বিষয়টি মিমাংসা করা হবে বলে জানালে সবাই ফিরে যায়।

কিন্তু ইউপি মেম্বারের কথা না শুনে গতকাল রাত ১টার দিকেই গ্যারেজ মালিক বেলায়েত ও আলমগীর আবারো নতুন করে শালিসী বসিয়ে অটোরিকশা চুরির অভিযোগে নির্মলকে মারধর এবং ৫০ হাজার টাকা জরিমানা করে। পরে রাতে জরিমানার টাকা আদায়ের জন্য নির্মল যাতে পালিয়ে যেতে না পারে সে জন্য তার কক্ষে বেলায়েতের নির্দেশে স্থানীয় আলমগীর ও তার স্ত্রী আনোয়ারা বাইরে থেকে তালা লাগিয়ে দেয়।

পরে সকালে তালা খুলে ডিসের তার দিয়ে গলায় ফাস লাগানো নির্মলকে ঝুলন্ত অবস্থায় পাওয়া যায়। খবর পেয়ে পুলিশ নিহতের মরদেহ উদ্ধার করে থানায় নিয়ে যায়।



মন্তব্য চালু নেই