মেইন ম্যেনু

এরা কী আন্দোলন করবেন, সবাই তো মঞ্চে ঘুমাচ্ছিলেন

ড. কামাল হোসেনের নেতৃত্বাধীন জাতীয় ঐক্যের নেতারা মঞ্চে বসে ঘুমাচ্ছিলেন বলে মন্তব্য করেছেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের। তিনি বলেন, ‘জাতীয় ঐক্য প্রক্রিয়ার সমাবেশে মঞ্চে নেতারা সবাই বসে ঘুমাচ্ছিলেন। এরা কী আন্দোলন করবেন?’

রোববার বিকেলে লোহাগড়া উপজেলার মেহেরুন্নেসা স্কুল মাঠে আয়োজিত এক সমাবেশে তিনি একথা বলেন।

ওবায়দুল কাদের বলেন, ‘শেখ হাসিনার বিরোধীরা ঢাকায় বসে ষড়যন্ত্র করছেন। নানা ইস্যুতে ব্যর্থ হয়ে এখন তারা জাতীয় ঐক্য, জাতীয় ফ্রন্টের কাঁধে ভর করেছেন।’

হেফাজতে ইসলামের আমির আল্লামা আহমদ শফির সঙ্গে কথা হয়েছে জানিয়ে ওবায়দুল কাদের বলেন, ‘কওমি মাদরাসা সনদের স্বীকৃতি দেয়ায় তারা খুশি। প্রধানমন্ত্রীকে ধন্যবাদ জানিয়েছেন তিনি। এখন দেশের আলেম ওলামাদের শেখ হাসিনাকে ভোট দিয়ে প্রতিদান দেয়ার আহ্বান জানাচ্ছি।’

‘শেখ হাসিনা যা ওয়াদা করেন তা অক্ষরে অক্ষরে বাস্তবায়ন করেন। এ কারণে নৌকায় ভোট দিয়ে আবারও আওয়ামী লীগকে ক্ষমতায় আনার আহ্বান জানাচ্ছি’- যোগ করেন ওবায়দুল কাদের।

এর আগে কর্ণফুলিতে প্রথম সমাবেশে জাতীয় ঐক্যে প্রক্রিয়ার নেতাদের যোগ্যতা নিয়ে প্রশ্ন তুলে ওবায়দুল কাদের বলেন, ‘যুক্তফ্রন্ট ঐক্য প্রক্রিয়ায় যেখানেই মিটিং করতে চায় সেখানেই মিটিং করবে। প্রধানমন্ত্রী নিজেই বলেছেন যে, যেখানে সমাবেশ করতে চায় সেখানেই করুক।’

‘কিন্তু তারা বড় জায়গায় যান না। তারা পল্টনে ঢুকে যায়, নাট্যমঞ্চে ঢুকে যায়। বড় জায়গায় গেলে লোক সমাগম হবে না এই ভয়ে তারা যায় না। তারা বড় জায়গায় সমাবেশ করে না। তাদের হ্যাডম নেই সেখানে সভা করার। ৩০ দল মিলে মিটিং করেছে, এখন আমাদের পথসভার বাইরে যত লোক দাঁড়িয়ে আছে সেখানে তত লোকও ছিল না।’

শেষ খবর পাওয়া পর্যন্ত আওয়ামী লীগের নির্বাচনী বহরটি চট্টগ্রামের কর্মসূচি শেষ করে এখন কক্সবাজার সদর উপজেলার ঈদগাঁও এলাকায় রয়েছে। সেখানে আদর্শ উচ্চ বিদ্যালয়ের মাঠ এবং রামুতেও দুটি জনসভায় যোগদানের কথা রয়েছে তাদের।

সাংগঠনিক দলে নেতৃত্ব দিচ্ছেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের। দলের অন্য সদস্যরা হলেন আওয়ামী লীগের যুগ্ম সম্পাদক মাহবুবুল আলম হানিফ, প্রচার সম্পাদক ড. হাছান মাহমুদ, সাংগঠনিক সম্পাদক এনামুল হক শামীম, ব্যারিস্টার মহিবুল হাসান চৌধুরী, উপ-প্রচার সম্পাদক আমিনুল ইসলামসহ দলের সিনিয়র নেতারা।



মন্তব্য চালু নেই