মেইন ম্যেনু

কলারোয়ায় জামায়াত নেতা অধ্যক্ষ বিপু অস্ত্র-গুলিসহ গ্রেপ্তার

জামায়াতের কেন্দ্রীয় শূরা সদস্য অধ্যক্ষ আশফাকুর রহমান বিপুকে অস্ত্র-গুলিসহ গ্রেপ্তার করেছে কলারোয়া থানা পুলিশ।

বুধবার (১৬ মে) বেলা পৌনে ১২টার দিকে উপজেলার সোনাবাড়িয়া থেকে সে গ্রেপ্তার হয়। উদ্ধার করা হয়েছে একটি পাইপগান ও ২ রাউন্ড গুলি। গ্রেপ্তার বিপু (৪৫) উপজেলার জালালাবাদ গ্রামের মৃত আলফার রহমানের পুত্র ও সোনাবাড়িয়া সোনারবাংলা কলেজের সাময়িক বরখাস্তকৃত অধ্যক্ষ।

কলারোয়া থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) বিপ্লব দেব নাথ জানান- ‘গোপন সংবাদের ভিত্তিতে তাঁর নির্দেশনায় পুলিশ জামায়াত নেতা আশফাকুর রহমান বিপুকে সোনাবাড়িয়া কলেজের সামনের রাস্তা থেকে গ্রেপ্তার করা হয়। সেসময় তার কাছে লুকিয়ে রাখা অবস্থায় একটি দেশীয় পাইপগান ও ২ রাউন্ড গুলি উদ্ধার করে পুলিশ। এ ঘটনায় থানায় মামলা হয়েছে। তার বিরুদ্ধে এর আগেও ৯টি নাশকতার মামলা রয়েছে।’

এদিকে স্থানীয় সূত্র জানায়- গ্রেপ্তার আশফাকুর রহমান বিপু ছাত্রজীবনে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে ছাত্রশিবিরের দূর্ধর্ষ ক্যাডার ছিলো। ১৯৯৫ সালে ছাত্র সংঘর্ষে বোমা বিষ্ফোরণে তার একটি হাত বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়। তখন থেকে তিনি হাতকাটা বিপু নামে পরিচিত ছিলো। অত্যন্ত তেজস্বী বক্তা হিসেবে পরবর্তীতে তিনি জামায়াতের কেন্দ্রীয় নেতৃত্বে পৌছে যান। বিগত ২০১৩-১৪সালে কলারোয়া ও সাতক্ষীরাঞ্চলে সামনের সারিতে থেকে জামায়াত-শিবিরকে নেতৃত্ব দেন। সেসময় এ অঞ্চলে জামায়াত-শিবির কর্তৃক রাস্তাকাটা, গাছকাটা, ভাংচুর-অগ্নিসংযোগসহ ভয়াবহ নাশকতা-হত্যাযজ্ঞতায় তার নাম উঠে আসে।

সূত্রটি আরো জানায়- বিগত ৪দলীয় জোট সরকারের আমলে সোনাবাড়িয়া সোনারবাংলা কলেজে অধ্যক্ষ হিসেবে নিয়োগ নেন আশফাকুর রহমান বিপু। নাশকতার মামলার পর কলেজের অধ্যক্ষ পদ থেকে তাকে সাময়িক বরখাস্ত করা হলেও চূড়ান্ত বরখাস্ত করা হয়নি। এমনকি তিনি প্রায়-ই মাঝে মধ্যে স্বশরীরে কলেজে হাজির হয়ে হাজিরা খাতায় স্বাক্ষর করে যেতেন।

এদিকে, অপর অভিযানে নাশকতা মামলার আসামী মফিজুল ইসলাম (৪০)কে মঙ্গলবার রাতে পুলিশ আটক করেছে। সে উপজেলার গাজনা গ্রামের মৃত ইমান আলী সানার পুত্র। তার বিরুদ্ধে থানার মামলা (নং-৩/৩১, তারিখ-০২ ফেব্রুয়ারী, ২০১৮) রয়েছে। বুধবার দুপুরে তাকে সাতক্ষীরার বিজ্ঞ আদালতে সোপর্দ করা হয় বলে থানা সূত্র জানায়।



মন্তব্য চালু নেই