মেইন ম্যেনু

কোনোদিন ফুটবল না খেলেও ফুটবলের কিংবদন্তি

শৈশব-কৈশোরে ফুটবল খেলেননি এমন কেউ আছেন? ফুটবলের দেশ ব্রাজিলে এমন প্রশ্ন তো অবাস্তবই। কিন্তু ব্রাজিলে বেড়ে উঠা কার্লোস কাইজার গল্পটা তেমনই। মাত্র ১৬ বছর বয়সেই পেশাদার ফুটবলে যাত্রা শুরু হয়েছিল যার। তবে পেশাগত ক্যারিয়ারে একটি বারও মাঠে নামেননি। অথচ তিনিই ফুটবলের ‘কিংবদন্তি’!

ছলচাতুরি, জালিয়াতি ও প্রতারণায় বিস্ময়কর ‘প্রতিভা’ কাইজারের। সেই জীবনই আকৃষ্ট করেছে বহুজনকে। বিখ্যাত পরিচালক লুইস মাইলস তাকে নিয়ে তৈরি করছেন একটি তথ্যচিত্র। যার নাম দেয়া হয়েছে ‘কাইজার: দ্য গ্রেটেস্ট ফুটবলার টু নেভার প্লে ফুটবল’। চলতি মাসেই থিয়েটারে আসছে।

ফক্স স্পোর্টসে প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে উঠে এসেছে কার্লোস কাইজারের জীবনের আদ্যোপান্ত।

মনে করুন, আপনার হাতে সাবেক একজন ফুটবলারের সিভি। সেখানে দেখলেন- বোটাফিগো, ফ্লুমিনেন্স, ফ্লেমেঙ্গো, ভাস্কো দা গামা’র মতো ক্লাবে খেলেছিলেন সেই ফুটবলার। অবশ্য তখন ফুটবলে প্রযুক্তির ব্যবহার ছিল না বললেই চলে। সেসময় আপনার প্রথম প্রতিক্রিয়াটি কী হবে? একজন গ্রেট খেলোয়াড় তিনি? হ্যাঁ। একজন কিংবদন্তিও সম্ভবত।

কিন্তু আমি যদি বলি সেই ‘ফুটবলার’ আসলে কখনোই ফুটবল খেলেননি! তাহলে এমন সংশয় বা দ্বিধায় পড়বেন, যা কল্পনা করাও কষ্টকর। কিন্তু এটাই সত্যি।

কার্লোস হেনরিক রাপোসো, যিনি কার্লোস ‘কাইজার’ নামেই বেশি পরিচিত। জার্মান কিংবদন্তি ফুটবলার ফ্রেঞ্জ বেকেনবাওয়ারের সাথে চেহারার মিল থাকায় তার এই নামকরণ। জার্মান ফুটবলে ‘কাইজার’ বা ‘সম্রাট’ নামে পরিচিত ও সম্মানিত বেকেনবাওয়ার। ১৯৭৪ সালে অধিনায়ক হিসেবে তৎকালীন পশ্চিম জার্মানিকে এনে দিয়েছিলেন বিশ্বকাপ ফুটবলের শিরোপা। ১৯৯০ সালে জার্মানিকে আরো একবার শিরোপা জেতান। তবে এবার কোচের ভূমিকায়।

এবার ফিরে আসা যাক কার্লোস কাইজারের আসল গল্পে। নিজেকে কিভাবে বিক্রি করতে হয়, তা অনেক বড় বড় বিপণন কর্মকর্তার চেয়েও ভালো জানতেন তিনি। মিথ্যা, ছলনা, প্রতারণার উপর দাঁড়ানো তার ক্যারিয়ার ২০ বছরেরও বেশি দীর্ঘ।

কথার জাদু ছিল কাইজারের সবচেয়ে বড় ক্ষমতা। একবার তার সাথে কথা বলা শুরু করলে যে কেউ মন্ত্রমুগ্ধ হত। তার উপস্থাপনা এবং শব্দের জাদুতে প্রভাবিত হত সকলে। যেমনটি হয়েছিলেন কিংবদন্তি ফুটবলার বেবেতো, কার্লোস আলবার্তো এবং জিকো।

কিন্তু প্রতিটি ধূর্ত মানুষেরই ভাগ্যের সহায়তা প্রয়োজন। কাইজার এমন যুগে বাস করেছেন যখন কোনো ইন্টারনেট ছিল না। আর এটাই তার মাস্টারপ্ল্যান কার্যকরী করতে সহায়তা করেছে। তিনি এক ক্লাব ছেড়ে অন্য ক্লাবে গেছেন, ছয় মাসের ছোট চুক্তি করেছেন। সেই ক্লাবের পরিচালক, প্রেসিডেন্টকে নিজের বন্ধু করে নিয়েছেন। কিন্তু গণমাধ্যম ছিল তার সবচেয়ে ভালো বন্ধু। তাদের জার্সি উপহার দিতেন, সেরা খেলোয়াড়দের সাক্ষাতকার নেয়ার সুযোগ করে দিতেন। এর বদলে তারা তার যোগ্যতা-দক্ষতা ফুলিয়ে ফাঁপিয়ে প্রচার করত।

কার্লোসের পন্থা ছিল, ম্যাচের জন্য ফিটনেস নেই বলে বল ছাড়াই কিছু সময় অনুশীলন করতে চাইতেন তিনি। খেলার জন্য প্রস্তুত হতেই পুরনো অজুহাতটি কাজে লাগাতেন, ‘ভুয়া ইনজুরি’। কাইজার নিজেই বিষয়টি পরিষ্কার করেছেন এভাবে-

‘শুরুর দিকে আমি তিন মাসের জন্য ইনজুরিতে ছিলাম। আমি এই ইনজুরির ভান করেছিলাম। কারণ সেই সময়ে তা পরীক্ষা করে দেখার জন্য কোনো ম্যাগনেটিক রিজোনেন্স টেকনোলজি ছিল না।’

কাইজারের শৈশব ছিল আর সব সাধারণ ব্রাজিলিয়ান বাচ্চার মতোই। দত্তক নেয়া দম্পতির ঘরে বেড়ে উঠেছিলেন। সেই মা ছিলেন মাদকাসক্ত। জানা যায়, তিনি হয়ত অপহৃত হয়েছিলেন এবং ৭০’র দশকে তাকে রিও ডি জেনিরোতে নিয়ে আসা হয়। সেখানেই নতুন পরিবারের দেখা পান কাইজার।

কিন্তু তার সৎ মা খুব একটা দয়ালু ছিলেন না। তিনি চাননি তার স্বামী কাইজারকে আর্থিকভাবে বা অন্য কোনোভাবে সহয়তা করুক। তাই তাকে লাঞ্চ বক্স বিক্রি বা অন্যান্য টুকিটাকি কাজ করতে হত। একই সময়ে সে ফুটবল খেলার অনুশীলন করতো। সেই শুরুর সময় থেকেই এই সুন্দর খেলার প্রেমে পড়ে যান তিনি। প্রায় সারাদিনই তিনি মাঠে খেলতেন। কিন্তু যখন তা সিরিয়াসভাবে নেয়ার সময় এল, তিনি বুঝলেন, পেশাদার ফুটবলার হওয়া তার কাজ নয়।

কখনোই শৃঙ্খলাবদ্ধ না থাকা কাইজার পেশাদার ফুটবলারের গতিশীল এবং কঠোর জীবনের রীতি পছন্দ করতে পারেননি। যদিও তিনি ফুটবলকে তখনও ভালোবাসতেন, এখনও বাসেন। কাইজার নিজেই স্বীকার করেছেন সেটা।

‘আমি ফুটবল খেলতে ভালোবাসি, কিন্তু আমি পেশাদার হওয়াটা পছন্দ করি না। ক্লাবের খেলোয়াড়দের দেখাশোনা করার দায়িত্বটাই আমি ক্লাবে বেশি পালন করেছি। আমি ছিলাম অনেকাংশেই ফুটবলিং ‘ন্যানি’!’

এই কৌশল হয়ত অনেকের কাছে মূল্যহীন মনে হবে, কিন্তু তার জন্য চমৎকারভাবে কাজে লেগে যায়। যখনই তার চুক্তির মেয়াদ শেষ হয়ে যেত বা তার সবসময় ইনজুরিতে থাকা নিয়ে প্রেসিডেন্ট ক্ষুদ্ধ-বিরক্ত হয়ে তাকে ক্লাব থেকে বের করে দিতে চাইতেন, তখন সতীর্থরাই তার বিক্রি ঠেকাতে কর্তৃপক্ষের কাছে অনুরোধ করত। নিজের ভালোর জন্যই সামাজিকতা, বিশাল নেটওয়ার্ক গড়ে তুলেছিলেন কাইজার। এগুলোই ছিল তার সবচেয়ে বড় শক্তি।

একজন সেন্টার ফরোয়ার্ড, বা যেমনটি তিনি নিজেকে বলতেন। কাইজারের প্রথম পেশাদার চুক্তিটি হয় মাত্র ১৬ বছর বয়সে মেক্সিকান ক্লাব পুয়েবলারের সাথে। তার বিখ্যাত অজুহাত ‘ইনজুরির’ দোহাই দিয়ে একটি ম্যাচও না খেলার পর ক্লাবটিতে কাইজারের চুক্তির মেয়াদ শেষ হয়। তিনি ব্রাজিলে ফিরে আসেন এবং সেখানেই নেটওয়ার্ক বিস্তৃত করার কাজ শুরু করেন।

তিনি কিংবদন্তি বেবেতো, রেনাতো গুচোর মতো আরো অনেকের সাথেই বন্ধুত্ব গড়ে তোলেন। কিন্তু কাইজার এটাও জানতেন, শুধুমাত্র তাদের সাথে চেনা-জানাটাই খুব বেশি কাজে লাগানো যাবে না। তাই ‘রাজকীয়’ এই বন্ধুদের জন্য ক্যাসিনোতে, বারে, নাইটক্লাবে সবচেয়ে ভালো সুযোগ-সুবিধা নিশ্চিত করতেন।

তিনি নিজেও ছিলেন একজন ‘নারীশিকারি’। ব্রাজিলের সবচেয়ে সুন্দরী নারীদের অনেককেই চিনতেন। কাইজার এমনও দাবি করেন- তিনি এদের মধ্যে ১ হাজার জনেরও বেশি নারীর সাথে শুয়েছেন। তার প্রকৃতি এবং ‍অসাধারণ বাগ্মীতা দেখে সেই দাবি অবিশ্বাস করাটাও কষ্টকর।

কাইজার তার ক্যারিয়ারজুড়েই ইনজুরি কার্ডটি ব্যবহার করেছেন এবং তিনি সফলও হয়েছেন। ব্রাজিলের বিগশটদের সাথে পরিচিত হওয়ার কারণে, তারা তাকে সমর্থন করায় নতুন নতুন ক্লাবের সাথে আরো ভালো চুক্তিতে পৌঁছাতে সক্ষম হন। কিন্তু আশির দশকে কাইজারের এই প্রতারণার মাত্রা আরো একটু বাড়ে।

ব্রাজিলিয়ান ক্লাব বাঙ্গুতে চুক্তিবদ্ধ হয়েও তিনি একই ইনজুরি কার্ড ব্যবহার করতে থাকেন। সতীর্থরা যখন পরের ম্যাচের প্রস্তুতি নিচ্ছে, তিনি তখন রাতে পার্টি করতেন। বাঙ্গুর মালিক কাস্তোর ডি আনড্রাডে ছিলেন ব্রাজিলের একজন কুখ্যাত গ্যাংলিডার। তিনি যা বলতেন তাই করতে হত। কাস্তোর এতটাই ক্ষমতাবান ছিলেন যে, একবার রেফারির সিদ্ধান্ত পছন্দ না হওয়ায় তাকে মাঠেই তাড়া করেছিলেন। সেসময় তার কোমড়ে গোঁজা ছিল একটি পিস্তল। অন্যরা তাকে নিয়ে কি ভাবছে তা নিয়ে বিন্দুমাত্র বিচলিতও ছিলেন না কাস্তোর।

একদিন কাস্তোর নিজেই চাইলেন কাইজার যেন আগামীকালের ম্যাচটিতে খেলেন। মনে হতে পারে- এবার আর এড়ানোর সুযোগ নেই কাইজারের। কিন্তু কাস্তোর কুখ্যাত গ্যাংস্টার হতে পারেন। কিন্তু কাইজার তো কাইজার। তিনি সবসময়ই একটি পথ ঠিকই খুঁজে নিতেন।

সেই ম্যাচের আগে কাইজার রাতজুড়ে পার্টি করেন। বাঙ্গুর তখনকার কোচ মোয়েজেস তাকে ডেকে কাস্তোরের আকাঙ্ক্ষা জানান। উদ্বিগ্ন কাইজার তখন বলেন, ‘আমিতো ইনজুরিতে, আমি কিভাবে খেলব?’ মোয়েজেস তখন তাকে নিশ্চয়তা দেন, ‘তোমাকে খেলতে হবে না। শুধু বেঞ্চে বসে থেকো।’

সেইদিনের কথা স্মরণ করে কাইজার বলেন, ‘তোমরা যারা জানো না, বাঙ্গুকে প্রায় নরকের সাথে তুলনা করা হয়। কারণ সেখানকার শেডগুলোর তাপমাত্রাও ৪০ ডিগ্রি সেলসিয়াস। আমি খেলতে চাই না। কিন্তু ম্যাচের ৫ মিনিটের মধ্যেই দুর্যোগটি আসল। কুরিতিবা জিতে যাচ্ছিল, ১-০। পরে ২-০তে। আট মিনিট পরেই কাস্তোর কোচকে বলেন আমাকে মাঠে নামাতে। আমি তখন যেন বসে থাকা একটা লাশ। বেষ্টনীর পাশে আমি ওয়ার্মআপ শুরু করতেই সমর্থকরা আমাকে গালিগালাজ শুরু করল। তখনই আমি আমার পালানোর পথটি পেয়ে গেলাম। আমি তখন বেষ্টনী টপকে সেই সমর্থকদের সাথে মারামারি শুরু করলাম। আর আমাকেও মাঠে নামানোর বদলে বাইরে পাঠিয়ে দেয়া হল।’

তখন কাইজার ভেবেছিলেন বাঙ্গুতে তার সময় শেষ হয়ে এসেছে। ড্রেসিংরুমে সতীর্থরা তাকে খোঁচাতে শুরু করল। কাস্তোর তখন ড্রেসিংরুমে এলেন সোজা কাইজারের কাছে। তখন কাইজার তার পুরনো ছলাকলার ঝাঁপি খুলে বললেন, ‘ঈশ্বর আমার পিতামাতাকে নিয়ে গেলেও অন্য একজন বাবা (কাস্তোরকে ইঙ্গিত করে) দিয়েছেন, যাকে তারা (সমর্থকরা) চোর বলে গালি দিচ্ছিল। তাই আমি নিজের উপর নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে ফেলি, তাদের উপর ঝাঁপিয়ে পড়ি। কিন্ত তুমি ভয় পেয়ো না। কারণ আমার চুক্তি এক সপ্তাহের মধ্যেই শেষ হয়ে যাবে এবং আমি ফিরে যাবো।’

কাস্তোর তখন তার দিকে তাকিয়ে একটু হাসেন। সেখান থেকে ফিরে যাওয়ার সময় সুপারভােইজারকে ডেকে বলে যান, ‘তার (কাইজার) চুক্তি দ্বিগুণ কর এবং তা আরো ৬ মাসের জন্য বাড়াও।’

এমনভাবেই কাইজার তার কথার জাদুতে ব্রাজিলের সবচেয়ে ভয়ঙ্কর মানুষের অন্ধবিশ্বাসও অর্জন করেন এবং আরো একজনকে তার আক্রান্তের তালিকায় যুক্ত করে নেন। তবে সবচেয়ে বিস্ময়কর ব্যাপারটি হল, অনেক মানুষই তার গোপন কথাটা জানতো। তিনি একজন ধূর্ত প্রতারক, তিনি ব্যাকডেটেড ট্যাকনোলোজির পূর্ণ সদ্ব্যবহার করেছেন। তার স্টাফ, টিমমেট, কোচ, বন্ধুরাও এটা জানতো। কিন্তু কেউ একটা শব্দও বলেননি। কারণ কাইজার তাদের খুশি রাখার জন্য যা যা করা দরকার তা করেছিলেন।

‘আমি তাদের খুশি রেখেছিলাম, যেমনটি তারাও’ -একটি বাক্যেই কাইজার ব্যাখ্যা করেন কেনো কেউ তার মতো মিথ্যাবাদীর মুখোশ খুলে দেননি।

এখন ব্রাজিলের একটি জিমে নারী বডিবিল্ডারদের প্রশিক্ষণ দেন কাইজার। স্বভাবতই সেখানে আকর্ষণের কেন্দ্রবিন্দু তিনি। সবাই তার সাথে দেখা করতে চান। এমনকি বয়স পঞ্চাশের ঘরে পৌঁছালেও পুরনো সেই আকর্ষণ ধরে রেখেছেন। একবার তো একই জিমের দুই নারীকে ডেট করেছেন তিনি।

পরিচালক লুইস মাইলস বলেন, ‘প্রথমে অন্য সবার মতো আমিও এই গল্প বিশ্বাস করিনি। কিন্তু যখন খোঁজ নিতে শুরু করলাম দেখি এর অধিকাংশই সত্য। তবে অধিকাংশ ক্ষেত্রেই তুমি একে সত্য বলে কল্পনা করতে পারবে না। ডকুতে আমাদের কিছু কাঁটছাট করতে হয়েছে। যেহেতু এই গল্পের কিছু অংশ অতিমাত্রায় স্ক্যান্ডালে পূর্ণ। এমনকি বেবেতোর মতো লেজেন্ডও যে তাকে অনেক সমর্থন করেছেন, তারও সত্যতা রয়েছে। এরমধ্যে কিছু আবেগ আছে, হাস্যরস আছে, যা আসল নয়। যেমনটি দেখেছি বেবেতোর মধ্যে। অনেকদিন পর ফিল্মিংয়ের সময় কাইজারকে দেখে তিনি যেমন অভিব্যক্তি দিয়েছিলেন।’

কাইজার জানতেন নিজেকে কীভাবে বিক্রি করতে হয়। এই কাজে হয়ত তিনি অ্যাপল বা স্যামসাংয়ের মার্কেটিং টিমের চেয়েও অনেক দক্ষ ছিলেন। তিনি নিজের সীমাবদ্ধতা জানতেন। জানতেন পা দিয়ে বড় কিছু করতে পারবেন না। তাই মুখ ও মস্তিষ্ক ব্যবহার করেছেন। তিনি এমন অনেকের সাথে বন্ধুত্ব গড়েছেন যাদের ব্রাজিলের বিভিন্ন জায়গায় দেবতার মতো পূজা করা হয়। ফুটবলার না হওয়া সত্ত্বেও ফুটবল লোকগাঁথায় কাইজার খুবই পরিচিত নাম। নিজের কাজের জন্য কাইজারের মধ্যে কোনো অনুশোচনা বা লজ্জ্বাবোধও নেই।



মন্তব্য চালু নেই