মেইন ম্যেনু

খালেদা জিয়ার বক্তব্য ভূতের মুখে রাম নাম : হানিফ

বিএনপির ‘জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবসের’ সমাবেশে দলটির চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার দেওয়া বক্তব্যের বেশির ভাগকেই অসত্য বলে আখ্যা দিয়েছেন বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মাহবুব-উল-আলম হানিফ।

আজ সোমবার দুপুরে কুষ্টিয়া সরকারি কলেজে নবনির্মিত শেখ হাসিনা ছাত্রীনিবাসের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে হানিফ এ কথা বলেন।

আওয়ামী লীগের এই নেতা বলেন, ‘গতকালকে সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে খালেদা জিয়া বিএনপির জনসভায় যে বক্তব্য রেখেছেন সেগুলোর বেশির ভাগই অসত্য। সত্যের অপলাপ। অসত্য তথ্য দিয়ে জাতিকে বিভ্রান্ত করার চেষ্টা করেছেন। সবচেয়ে যে কথাগুলা সাধারণ মানুষের কাছে আপত্তিকর মনে হয়েছে যে, এই বাংলাদেশে খালেদা জিয়া যেভাবে প্রতিহিংসার রাজনীতি করেছেন, উনি সেখানে বলছেন যে আমরা প্রতিহিংসার রাজনীতি করব না। এই যে নির্লজ্জ মিথ্যাচার, এটা জাতি কখনো গ্রহণ করে নাই। এ দেশের জনগণ জানে ২০০১ সালে তারা ক্ষমতায় আসার পর সরকারি কর্মকর্তাদের জোর করে অবসর দিয়েছিল। যারা আওয়ামী লীগ পরিবারের সন্তান, বা হয়তো আত্মীয়স্বজন, দূরসম্পর্কের যেটাই হোক না কেন সেই সমস্ত সরকারি কর্মকর্তাদের তারা একে একে চাকরি থেকে অপসারণ করেছিল, বরখাস্ত করেছিল। তো এটা তো প্রতিহিংসার রাজনীতির চূড়ান্ত বহিপ্রকাশ ঘটিয়েছিলেন খালেদা জিয়া। সেই খালেদা জিয়ার মুখে প্রতিহিংসা নয়, এ কথা একেবারেই হাস্যকর, ভূতের মুখে রামনাম।’

ভোট দেওয়া সহজ করতে আওয়ামী লীগের পক্ষ থেকে ভোটে ইভিএম ব্যবহারের প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে উল্লেখ করে হানিফ বলেন, ‘সেই সিদ্ধান্ত নির্বাচন কমিশন নেবে। কারচুপি করে ক্ষমতায় যেতে খালেদা জিয়া এক কোটি ৩০ লাখ ভুয়া ভোটার বানিয়েছিলেন। ইভিএম হলে তো ওই ভোট কাজে আসবে না, তাই তিনি এর বিরোধিতা করছেন। উনি জালিয়াতির পথ চান।’

নির্বাচনের ব্যাপারে হানিফ বলেন, ‘আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচন সংবিধানের আলোকেই হবে। নির্বাচনে সেনাবাহিনী মোতায়েন থাকবে কি না সে বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেবে নির্বাচন কমিশন। তবে সেনাবাহিনীকে ম্যাজিস্ট্রেসি পাওয়ার (বিচারিক ক্ষমতা) দেওয়ার বিধান আগেও কখনো ছিল না। এটা যৌক্তিক বলে মনে করছি না। এই সরকারের অধীনে যেসব নির্বাচন হয়েছে, সবগুলোই অবাধ সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ হয়েছে।’

পরে ২০১৭-১৮ সালের নবীন শিক্ষার্থীদের বরণ অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন মাহবুব-উল-আলম হানিফ। কলেজের অধ্যক্ষ মনজুর কাদিরের সভাপতিত্বে এতে বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন কুষ্টিয়া জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান আওয়ামী লীগ নেতা হাজি রবিউল ইসলাম, জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি সদর উদ্দিন খান, সাধারণ সম্পাদক আজগর আলী প্রমুখ।

অনুষ্ঠানে কলেজের শিক্ষার্থী-শিক্ষক ও কর্মকর্তা-কর্মচারীরা উপস্থিত ছিলেন।






মন্তব্য চালু নেই