মেইন ম্যেনু

খুলনার নগর পিতা হলেন আ.লীগের খালেক

খুলনা সিটি করপোরেশন (কেসিসি) নির্বাচনে বিএনপি প্রার্থী নজরুল ইসলাম মঞ্জুকে (ধানের শীষ) বিপুল ভোটে হারিয়ে জয়ী হয়েছেন আওয়ামী লীগ প্রার্থী (নৌকা) তালুকদার আবদুল খালেক।

মঙ্গলবার (১৫ মে) রাতে নগরীর সোনাডাঙ্গা এলাকার বিভাগীয় মহিলা ক্রীড়া কমপ্লেক্সে স্থাপিত নির্বাচনী ফলাফল সংগ্রহ ও ঘোষণা কেন্দ্র থেকে আওয়ামী লীগ প্রার্থী তালুকদার আবদুল খালেককে বেসরকারিভাবে জয়ী ঘোষণা করা হয়।

সর্বশেষ বিভিন্ন উৎস থেকে কেন্দ্রভিত্তিক ফলাফলে নৌকা প্রতীক নিয়ে আওয়ামী লীগ প্রার্থী আব্দুল খালেককে বেসরকারিভাবে নির্বাচিত ঘোষণা করেন রিটার্নিং কর্মকর্তা ইউনুচ আলী।

মোট ২৮৯টি কেন্দ্রের মধ্যে ২৮৬টি কেন্দ্রের প্রাপ্ত ফলাফল ঘোষণা করা হয়েছে। ফলাফলে দেখা যায়, নৌকা প্রতীক নিয়ে আওয়ামী লীগ প্রার্থী তালুকদার আব্দুল খালেক পেয়েছেন ১৭৬৯০২ ভোট এবং ধানের শীষ প্রতীক নিয়ে বিএনপি প্রার্থী নজরুল ইসলাম মঞ্জু পেয়েছেন ১০৮৯৫৬ ভোট। বাকি তিনটি কেন্দ্রের ভোট অনিয়মের কারণে স্থগিত হয়েছে।

এছাড়া দুটি কেন্দ্রে ইলেক্ট্রনিক ভোটিং মেশিনের (ইভিএম) মাধ্যমে ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হয়। এই দুই কেন্দ্রের ফলাফল ঘোষণা করা হয়েছে। এর মধ্যে একটিতে আওয়ামী লীগ প্রার্থী তালুকদার আবদুল খালেক পেয়েছেন ৭৭৭ ভোট পেয়ে জয়ী হয়েছেন। অপরটিতে বিএনপি প্রার্থী নজরুল ইসলাম মঞ্জু ধানের শীষ প্রতীক নিয়ে পেয়েছেন ৭১০ ভোট পেয়ে জয়ী হয়েছেন।

এরআগে মঙ্গলবার (১৪ মে) সকাল ৮টা থেকে উৎসবমুখর পরিবেশে খুলনা সিটি করপোরেশন (কেসিসি) নির্বাচনের ২৮৯ টি কেন্দ্রে শুরু হয় ভোট প্রদান। একটানা চলে বিকেল ৪টা পর্যন্ত।

বিএনপি অভিযোগ করেছে, তাদের এজেন্টদের বিভিন্ন কেন্দ্র থেকে বের করে দেয়া হয়েছে। সমর্থকদের ভয়ভীতি দেখানোর পাশাপাশি মারধরও করা হয়েছে।

অন্যদিকে আওয়ামী লীগ বলেছে, পরাজয় অবশ্যম্ভাবী জেনে নির্বাচনকে প্রশ্নবিদ্ধ করতেই বিএনপি ‘মিথ্যা অভিযোগ’ করছে।

ভোটের সার্বিক পরিবেশ নিয়ে সন্তোষ প্রকাশ করে নির্বাচন কমিশনার শাহাদাত হোসেন চৌধুরী বলেছেন, কয়েকটি বিচ্ছিন্ন ঘটনা ছাড়া সুষ্ঠুভাবেই ভোট হয়েছে।

ইসি সচিব হেলালুদ্দীন আহমদ বলেছেন, খুলনায় চমৎকার ও সুন্দর এবং উৎসবমুখর পরিবেশে নির্বাচন হয়েছে।

খুলনায় মেয়রের পাশাপাশি ৩১টি সাধারণ ওয়ার্ড এবং ১০টি সংরক্ষিত ওয়ার্ডের কাউন্সিলর নির্বাচনে ভোটার ছিল ৪ লাখ ৯৩ হাজার ভোটার। এর মধ্যে ৬০ ভাগ ভোট দিয়েছেন বলে ধারণা রিটার্নিং কর্মকর্তা ইউনুচ আলীর।



মন্তব্য চালু নেই