মেইন ম্যেনু

ছায়ানটের বর্ষবরণে শ্রদ্ধাভরে নুসরাতকে স্মরণ

১৪২৬ সালের বাংলা বর্ষবরণে ছায়ানটের অনুষ্ঠানে শ্রদ্ধা নিবেদন এবং ক্ষোভ-প্রতিবাদ জানানো হয়েছে দেশে সংগঠিত নানা অনাচারের বিপক্ষে। এসময় শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করা হয় নুসরাত জাহানসহ নানা অবিচার এবং অনাচারে প্রাণ হারানো মানুষদের।

রোববার (১৪ এপ্রিল) ছায়ানটের সভাপতি সন্‌জীদা খাতুন তার বক্তব্যের মাঝে একমিনিট সবাইকে দাঁড়িয়ে শ্রদ্ধাজ্ঞাপনের অনুরোধ জানান। তিনি এসময় সমাজের অনাচারের বিপক্ষে ক্ষোভ প্রকাশ করেন। এরপর স্মরণ করেন নুসরাত জাহান, তনু, সাগর-রুনি, মিতুকে।

তিনি বলেন, যে সমস্ত বিষয়ে আমরা কোনো খবর পেলাম না বিচারের, সেসব বিষয়ের প্রতিবাদ জানিয়ে এবং বিগত প্রাণগুলির প্রতি আমাদের শ্রদ্ধা জানিয়ে আমরা এক মিনিট নীরবে দাঁড়িয়ে থাকব।

সন্‌জীদা খাতুন বলেন, ‘কিছু মানুষ কী পাষণ্ড হয়ে উঠলো! নববর্ষ যদি ভাতৃত্ববোধ মানবতাবোধের উন্মেষ না ঘটাতে পারে তাহলে নতুন দিন কী বার্তা নিয়ে আসে? ‘ওরা অপরাধ করে’ কেবল এই কথা না বলে, প্রত্যেকে নিজেকে বিশুদ্ধ করবার চেষ্টা করি। আর আমরা যেন নীতিবিহীন অন্যায়- অত্যাচারের নীরব দর্শকমাত্র হয়ে না থাকি। প্রতিবাদে, প্রতিকার সন্ধানে হতে পারি অবিচল। নববর্ষ এমন বার্তাই সঞ্চার করুন আমাদের অন্তরে।’

রমনা বটমূলে ছায়ানটের বর্ষবরণের অনুষ্ঠানের ৫২তম আয়োজনে ১৩টি একক, ১৩টি সম্মেলক গান এবং ২টি আবৃত্তি পরিবেশিত হয়। ছায়ানটের আহ্বান অনুযায়ী রবীন্দ্র রচনা থেকে বেছে নেওয়া হয়েছে আবৃত্তি দু’টি। সমবেত কণ্ঠে জাতীয় সংগীতের মাধ্যমে অনুষ্ঠানের সমাপ্তি ঘটে।

পুরো অনুষ্ঠানজুড়েই আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর নজিরবিহীন নিরাপত্তা চোখে পড়ে। ১৯৬১ সালের কবিগুরু রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের জন্মশত বার্ষিকীকে কেন্দ্র করে ছায়ানটের এই বর্ষবরণের যাত্রা শুরু হয়। পরবর্তীতে তা রূপ নেয় সব জাতিবর্ণধর্মের অসাম্প্রদায়িক চেতনার উন্মেষের আয়োজনে।



মন্তব্য চালু নেই