মেইন ম্যেনু

ডাকসু নির্বাচনে ছাত্রদল-বাম সংগঠনের ভরাডুবি কেন?

ডাকসু নির্বাচনে বড় ধাক্কা খেয়েছে ছাত্রদল ও বাম ছাত্র সংগঠনগুলো। চ্যালেঞ্জের মুখে পড়েছে ছাত্রলীগও। ডাকসুর বেশিরভাগ পদে তারা জিতলেও স্বতন্ত্র প্রার্থীদের মোট ভোটের চেয়ে কম ভোট পেয়েছে তারা। বিশ্লেষকরা মনে করেন, শিক্ষার্থীবান্ধব কর্মসূচি না থাকায় আস্থা হারাচ্ছে সংগঠনগুলো। নতুন নেতৃত্ব খুঁজছে ছাত্র-ছাত্রীরা।

ঘুরেফিরে আলোচনায় ডাকসু নির্বাচন। হিসাব মেলাতে ব্যস্ত সবাই। কার পক্ষে কত ভোট পড়েছে এবং তার কারণ বিশ্লেষণও চলছে। ছাত্রদল ও বাম ছাত্রসংগঠনগুলো বড় ধরনের হোঁচট খেয়েছে। ছাত্রদলের ভিপি প্রার্থী পেয়েছেন মাত্র ২৪৫ ভোট। জিএস ৪৬২ আর এজিএস ২৯৪। বাম জোটের লিটন নন্দী ১২১৬ ভোট পেয়েছেন। জিএস ২৪৭ আর এজিএস ২৮৪।

ছাত্রলীগ ক্যাম্পাসে সবচেয়ে সক্রিয় সংগঠন। তারাও ভোটের মাঠে চ্যালেঞ্জের মুখে। হারিয়েছে ডাকসুর শীর্ষ সহ সভাপতি পদ। ভোটের হিসেবে দেখা যায়, স্বতন্ত্র প্রার্থীরা একজোট হলে বেশিরভাগ পদ হারাতে পারতো ছাত্রলীগ। তবে ব্যতিক্রম এজিএস সাদ্দাম হোসাইন। তিনি পেয়েছেন স্বতন্ত্র প্রার্থীদের দিগুণ ভোট।

মেয়েদের হলে আরো বেশি চ্যালেঞ্জের মুখে ছাত্রলীগ। হারাতে হয়েছে মেয়েদের ৪ টি হলের শীর্ষপদ। ছাত্রলীগসহ সংগঠনগুলোর এ হাল কেন?

শিক্ষার্থীরা বলেন, ‘দলের কর্মকাণ্ড শিক্ষার্থী বান্ধব নয়। সব সময় রাজনৈতিক দলের হয়েই তারা কাজ করে। তারা অনেকেই ক্ষমতায় থেকে বা না থেকে কোন ভূমিকা পালন করতে পারেনি। দলীয় এজেন্ডা পালন ছাড়া কিছুই করে না তারা।’

বিশ্লেষকরা মনে করেন, শিক্ষার্থীদের অধিকার নিয়ে কথা না বলে নিজেদের নিয়েই ব্যস্ত সংগঠনগুলো। আস্থা হারিয়ে তাই নতুন নেতৃত্বের দিকে ঝুঁকছে ছাত্র-ছাত্রীরা।

রাজনৈতিক বিশ্লেষক সৈয়দ আনোয়ার হোসেন বলেন, ‘স্বতন্ত্র প্রার্থীর জয় এই বার্তা দিচ্ছে যে দলীয় রাজনীতির প্রতি শিক্ষার্থীদের আস্থা নেই।’

২৮ বছর পর অনুষ্ঠিত হওয়া ডাকসু নির্বাচন রাজনীতিতে খুলে দিয়েছে নতুন দ্বার। যদিও নির্বাচন নিয়ে প্রশ্ন রয়েছে বেশিরভাগ ছাত্র সংগঠনের।



মন্তব্য চালু নেই