মেইন ম্যেনু

ঢাকা ও নড়াইলে দুই মামলায় খালেদার জামিন বহাল

মানহানির অভিযোগে ঢাকা ও নড়াইলে করা মামলায় বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়াকে হাইকোর্টে দেওয়া জামিন স্থগিত করেননি চেম্বার বিচারপতি। হাইকোর্টের আদেশের বিরুদ্ধে রাষ্ট্রপক্ষের করা আবেদন দুটি আপিল বিভাগের নিয়মিত বেঞ্চে শুনানির জন্য পাঠিয়ে দেওয়া হয়েছে।

আজ বৃহস্পতিবার চেম্বার বিচারপতি হাসান ফয়েজ সিদ্দিকী এ আদেশ দেন। এতে ওই দুই মামলায় খালেদা জিয়াকে হাইকোর্টে দেওয়া জামিন বহাল রইল বলে জানিয়েছেন তাঁর অন্যতম আইনজীবী কায়সার কামাল।

এর আগে মানহানির অভিযোগে নড়াইলের করা মামলায় ১৩ আগস্ট হাইকোর্ট থেকে ছয় মাসের জামিন পান খালেদা জিয়া। মানহানির অভিযোগে ঢাকায় করা একটি মামলায় পরদিন হাইকোর্ট থেকে ছয় মাসের জামিন পান তিনি। হাইকোর্টের দেওয়া এই জামিন স্থগিত চেয়ে রাষ্ট্রপক্ষ ১৯ আগস্ট পৃথক দুটি আবেদন করেন, যা আজ শুনানির জন্য ওঠে।

আদালতে রাষ্ট্রপক্ষে শুনানি করেন অ্যাটর্নি জেনারেল মাহবুবে আলম। সঙ্গে ছিলেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল কামরুল হাসান খান। খালেদার পক্ষে শুনানি করেন এ জে মোহাম্মদ আলী। উপস্থিত ছিলেন আইনজীবী মওদুদ আহমদ ও কায়সার কামাল।

পরে আইনজীবী কায়সার কামাল বলেন, ওই দুই মামলায় হাইকোর্টের দেওয়া জামিন স্থগিত করেননি চেম্বার বিচারপতি। রাষ্ট্রপক্ষের আবেদন দুটি ১ অক্টোবর আপিল বিভাগের নিয়মিত বেঞ্চে শুনানির জন্য পাঠিয়ে দেওয়া হয়েছে। কুমিল্লায় আরও দুটি মামলায় খালেদা জিয়ার জামিন শুনানির অপেক্ষায় রয়েছে। এ দুটিতে জামিন পেলে বিএনপি চেয়ারপারসনের কারামুক্তিতে আইনগত কোনো বাধা থাকবে না।

মুক্তিযুদ্ধে শহীদদের সংখ্যা নিয়ে মন্তব্য করায় মানহানির অভিযোগে খালেদা জিয়ার বিরুদ্ধে ২০১৫ সালের ২৪ ডিসেম্বর নড়াইল সদর আমলি আদালতে মামলাটি করেন জেলার নড়াগাতী থানার চাপাইল গ্রামের মুক্তিযোদ্ধা পরিবারের সন্তান রায়হান ফারুকী ইমাম। ওই মামলায় নড়াইলের আদালতে গত ৫ আগস্ট খালেদা জিয়ার জামিন নামঞ্জুর হয়। এরপর ওই মামলায় জামিন চেয়ে খালেদা জিয়া ৯ আগস্ট হাইকোর্টে আবেদন করেন, যার ওপর ১৩ আগস্ট শুনানি হয়। শুনানি শেষে খালেদা জিয়াকে ছয় মাসের জামিন দেন হাইকোর্ট।

অপর মামলাটি হয় ঢাকায়। মুক্তিযুদ্ধে বঙ্গবন্ধুর অবদান ও শহীদদের সংখ্যা নিয়ে বিভ্রান্তিকর তথ্য দেওয়ায় অভিযোগে খালেদা জিয়ার বিরুদ্ধে ২০১৬ সালের ৫ জানুয়ারি ঢাকার মুখ্য মহানগর হাকিম আদালতে ওই মামলা করেন জননেত্রী পরিষদের সভাপতি এ বি সিদ্দিকী। এরপর ওই মামলায় জামিন চেয়ে খালেদা জিয়া আবেদন করেন। ৭ আগস্ট খালেদা জিয়ার আবেদন বিচারিক আদালতে নামঞ্জুর হয়। এরপর ১৩ আগস্ট হাইকোর্টে জামিন চেয়ে আবেদন করেন, যার ওপর পরদিন শুনানি হয়। শুনানি শেষে খালেদা জিয়াকে ছয় মাসের জামিন দেন হাইকোর্ট।



মন্তব্য চালু নেই