মেইন ম্যেনু

ঢাবির সিনেট নির্বাচনে গণতান্ত্রিক ঐক্য পরিষদের জয়জয়কার

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় সিনেট রেজিস্টার্ড গ্র্যাজুয়েটদের ২৫ জন প্রতিনিধি নির্বাচনে গণতান্ত্রিক ঐক্য পরিষদের ২৪ জন ও জাতীয়তাবাদী পরিষদ থেকে একজন নির্বাচিত হয়েছেন।

রোববার বিকেল ৪টা ৪০ মিনিটের দিকে ফলাফল ঘোষণা করেন নির্বাচন কমিশন ও উপ-উপাচার্য অধ্যাপক ড. নাসরিন আহমেদ।

নাসরিন আহমেদ বলেন, সঠিকভাবে ভোট গণনা করা হয়েছে। এ পর্যন্ত কারো অভিযোগ পাইনি। সিনেট নির্বাচনে ৪৬ হাজার ৯৯৭ জন ভোটার ছিল। তার মধ্যে ২২ হাজার ৬৪২ জন ভোটাধিকার প্রয়োগ করেছেন।

গণতান্ত্রিক ঐক্য পরিষদের বিজয় প্রার্থীরা হলেন :

জগন্নাথ হলের প্রাধ্যক্ষ অধ্যাপক অসীম সরকার, সাংবাদিক ইউনিয়নের নেতা এ আর এম মঞ্জুরুল আহসান বুলবুল, এনার্জি প্যাক ইঞ্জিনিয়ারিং লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক এ এইচ এম এনামুল হক চৌধুরী, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক সমিতি সভাপতি অধ্যাপক এ এস এম মাকসুদ কামাল, জনতা ব্যাংক লিমিটেডের ফার্স্ট সহকারী ব্যবস্থাপক এ বি এম বদরুদ্দোজা, স্বাধীনতা চিকিৎসক পরিষদের সভাপতি অধ্যাপক ডা. এম ইকবাল আর্সলান, মুক্তিযোদ্ধা এম ফরিদউদ্দিন, ইংরেজি বিভাগের অধ্যাপক তাজিন আজিজ চৌধুরী, এনআরবি গ্লোবাল ব্যাংকের চেয়ারম্যান নিজাম চৌধুরী, ডাকসুর সাবেক ভিপি অধ্যাপক মাহফুজা খানম, সমাজকল্যাণ ও গবেষণা ইনস্টিটিউটের অধ্যাপক মুহাম্মদ সামাদ, অধ্যাপক মোহাম্মদ আব্দুল বারী, রূপালী ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. আতাউর রহমান খান, স্বাধীনতা চিকিৎসক পরিষদের মহাসচিব অধ্যাপক ডা. মো. আব্দুল আজিজ, মো. আলাউদ্দিন, মো. নাসির উদ্দিন, কৃষি ব্যাংকের ব্যবস্থাপক মো. লিয়াকত হোসেন মোড়ল, বাংলাদেশ শিক্ষক সমিতির সহ-সভাপতি রঞ্জিত কুমার সাহা, নাট্য ব্যক্তিত্ব রামেন্দু মজুমদার, সামাজিক বিজ্ঞান অনুষদের ডিন সাদেকা হালিম এবং ভূতত্ত্ব বিভাগের অধ্যাপক সৈয়দ হুমায়ুন আখতার।

জাতীয়তাবাদী পরিষদের একমাত্র বিজয়ী প্রার্থী অধ্যাপক ড. আ ফ ম ইউসুফ হায়দার।

ঢাকার কেন্দ্রগুলোতে ভোটগ্রহণ সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণভাবে সম্পন্ন হয়। শনিবার সকাল ৯টা থেকে ক্যাম্পাসের তিনটি কেন্দ্রে উৎসবমুখর পরিবেশে এ ভোটগ্রহণ শুরু হয়। চলে বিকেল ৫টা পর্যন্ত।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় আদেশ, ১৯৭৩ এর ৪৬ (১৪) ধারা অনুযায়ী ভোটার আইডি কার্ড দেখিয়ে ভোটাররা ভোট প্রদান করেন। এবারের নির্বাচনে তিনটি প্যানেল থেকে প্রার্থীরা প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেছেন। প্যানেল তিনটি হলো- গণতান্ত্রিক ঐক্য পরিষদ, জাতীয়তাবাদী পরিষদ এবং প্রগতি পরিষদ।



মন্তব্য চালু নেই