মেইন ম্যেনু

ধর্মঘট স্থগিত : সব রুটে নৌযান চলাচল শুরু

নৌপথে চাঁদাবাজি বন্ধসহ ১১ দফা দাবিতে নৌযান শ্রমিকরা দিনভর কর্মবিরতি পালনের পর মঙ্গলবার গভীর রাতে তা স্থগিত করেছেন।

এতে বরিশালের অভ্যন্তরীণ সব রুটে লঞ্চ চলাচল শুরু হয়েছে। বুধবার সকালে বরিশাল নদীবন্দর থেকে অভ্যন্তরীণ সব রুটে এ লঞ্চ চলাচল শুরু হয়।

রাতে শ্রম অধিদফতরে সরকার, মালিক ও শ্রমিক নেতাদের ত্রিপক্ষীয় বৈঠকের পর নৌ চলাচল স্বাভাবিক করার ঘোষণা দেয়া হয়।

এর আগে সোমবার মধ্যরাত থেকে দেশব্যাপী কর্মবিরতি কর্মসূচি পালনে যান শ্রমিকরা। দেশব্যাপী নৌযান শ্রমিকদের ধর্মঘটে নদীবন্দরগুলোতে অচলাবস্থা সৃষ্টি হয়েছে। নৌপথে পণ্য পরিবহন ও খালাসে স্থবিরতা নেমে আসে।

এতে মঙ্গলবার দিনভর চরম ভোগান্তিতে পড়েন যাত্রী ও ব্যবসায়ীরা। এদিন ঢাকা নদীবন্দর (সদরঘাট) থেকে দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে ১১টি লঞ্চ ছেড়ে যায়।

স্বাভাবিক সময়ে এ বন্দর থেকেই প্রতিদিন ৭৫-৮০টি লঞ্চ ছেড়ে যেত।

রাজধানীর শ্রম অধিদফতরে মঙ্গলবার সন্ধ্যায় শুরু হয় ত্রিপক্ষীয় বৈঠক। শ্রম প্রতিমন্ত্রী বেগম মুন্নুজান সুফিয়ানের উপস্থিতিতে এ বৈঠক চলে গভীর রাত পর্যন্ত।

নৌযান মালিক ও শ্রমিকদের তুমুল হইচই ও বাকবিতণ্ডার মধ্য দিয়ে অনুষ্ঠিত এ বৈঠকে রাত সাড়ে ১২টার দিকে নৌযান ধর্মঘট স্থগিতের ঘোষণা দেয় বাংলাদেশ নৌযান শ্রমিক ফেডারেশন।

ওই বৈঠকে অংশ নেয়া বাংলাদেশ কার্গো ভেসেল ওনার্স অ্যাসোসিয়েশনের সাধারণ সম্পাদক নূরুল হক যুগান্তরকে বলেন, ১১ দফা দাবি নিয়ে বিস্তর আলোচনা হয়েছে।

ওই সব দাবি পর্যালোচনায় একটি কমিটি গঠন করা হয়েছে। বৈঠকে কর্মবিরতি কর্মসূচি স্থগিতের ঘোষণা দিয়েছেন শ্রমিক ফেডারেশনের নেতারা।

মঙ্গলবার নৌ ধর্মঘটে ভোগান্তিতে পড়েছেন দক্ষিণাঞ্চলের হাজার হাজার যাত্রী। সকাল থেকে অভ্যন্তরীণ রুটে বরিশাল নদীবন্দর থেকে কোনো নৌযান ছেড়ে যায়নি।

নৌযান শ্রমিক ফেডারেশনের কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য ও বরিশাল অঞ্চলের সভাপতি মো. আবুল হোসেন জানান, বুধবার সকাল থেকে বরিশালে অভ্যন্তরীণ সব রুটে নৌযান চলাচল স্বাভাবিক হয়েছে।



মন্তব্য চালু নেই