মেইন ম্যেনু

নির্বাচন কবে, জানতে চাইলেন মার্কিন কূটনীতিক

বাংলাদেশের জাতীয় নির্বাচন কবে অনুষ্ঠিত হবে তা জানতে চেয়েছেন ঢাকায় অবস্থিত মার্কিন দূতাবাসের এক কূটনীতিক। সোমবার রাজধানীর গুলশানে লেকশোর হোটেলের লা ভিটা হলে কূটনীতিকদের সঙ্গে এক মতবিনিময় অনুষ্ঠানের আয়োজন করে ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগের আন্তর্জাতিক সম্পর্কবিষয়ক উপ-কমিটি।

সভায় ওই মার্কিন কূটনীতিক বাংলাদেশের নির্বাচন প্রসঙ্গে এ প্রশ্ন করেন। ইউরোপ, আমেরিকা, রাশিয়া, মধ্যপ্রাচ্যসহ অনেকগুলো দেশের প্রায় ৭০ জন কূটনীতিক অংশ নেয় ওই মতবিনিময় সভায়।

সভার শুরুতে কূটনীতিকদের ২০০১ সালের ২১ আগস্ট গ্রেনেড হামলায় তৎকালীন বিএনপি-জামায়াত জোট সরকার এবং তারেক রহমানের ‘সম্পৃক্ততা ও ভূমিকার’ কথা তুলে ধরেন আওয়ামী লীগ নেতারা। পরে কূটনীতিকদের সঙ্গে রুদ্ধদ্বার বৈঠক হয়।

বৈঠকে গ্রেনেড হামলায় আহত ৪ জন তাদের ওই সময়ের ভয়াবহতা কূটনীতিকদের কাছে তুলে ধরেন। আহত হওয়ার ফলে যে শারীরিক, মানসিক নির্মম যন্ত্রণা ভোগ করছেন তা তুলে ধরেন আহতরা। আহতরা বাংলায় বর্ণনা করেন, অন্য একজন সেটা ভাষান্তর করে কূটনীতিকদের কাছে তুলে ধরেন। এ সময় কূটনীতিকরা আবেগাপ্লুত হয়ে পড়েন।

বৈঠকে উপস্থিত একাধিক নেতা জানান, একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন কবে অনুষ্ঠিত হবে এমন প্রশ্ন ছিল আমেরিকান এক কূটনীতিকের। কূটনীতিকের এমন প্রশ্নের জবাবে আওয়ামী লীগের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, নির্বাচন অনুষ্ঠান করার সাংবিধানিক দায়িত্ব নির্বাচন কমিশনের। বিষয়টি তারা ভালো জানেন। তবে আমাদের ধারণা চলতি বছরের শেষ দিকে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হতে পারে।

সভাসূত্র আরও জানায়, একটি দেশের কূটনীতিক নির্বাচনের সময় বিএনপিকে প্রচার-প্রচারণা চালাতে সুযোগ দেয়া হবে কি না, প্রতিবন্ধকতা থাকবে কি না, সকল রাজনৈতিক দল সমানভাবে প্রচার-প্রচারণা চালাতে পারবে কি না এ বিষয়ে জানতে চান।

জবাবে আওয়ামী লীগ নেতারা বলেন, নির্বাচনকালীন সকল প্রশাসনিক ক্ষমতা থাকবে নির্বাচন কমিশনের কাছে। নির্বাচনে যারা আসবে, সেই সকল দল প্রচার-প্রচারণার গণতান্ত্রিক অধিকার অনুযায়ী তাদের প্রচার-প্রচারণা চালাবে। এখানে আমাদের (আওয়ামী লীগ) কোনো ভূমিকা নেই।

আওয়ামী লীগের আন্তর্জাতিকবিষয়ক সম্পাক ড. শাম্মী আহমেদ বলেন, প্রায় ৭০ জন কূটনীতিক বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন। তাদের মধ্যে কিছু দেশের কূটনীতিক আমাদের কাছে নির্বাচন নিয়ে আগ্রহ দেখিয়েছেন। প্রশ্ন করেছেন। এটা ছিল আমাদের নিয়মিত বৈঠকের একটি। প্রায় সময় আমরা দেশের চলমান পরিস্থিতি নিয়ে তাদের সঙ্গে মতবিনিময় করি।

ব্যারিস্টার শাহ আলী ফারহাদের সঞ্চালনায় সভায় বক্তব্য দেন আওয়ামী লীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য ফারুক খান, আন্তর্জাতিক উপ-কমিটির চেয়ারম্যান মোহাম্মদ জমির, আন্তর্জাতিকবিষয়ক সম্পাদক ড. শাম্মী আহমেদ প্রমুখ।



মন্তব্য চালু নেই