মেইন ম্যেনু

নুসরাত হত্যা মামলা নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালে

ফেনীর সোনাগাজীর মাদ্রাসা ছাত্রী নুসরাত জাহান রাফি হত্যা মামলা নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালে হস্তান্তর করা হয়েছে।

২১ আসামিকে বৃহস্পতিবার দুপুরে ফেনীর সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট জাকির হোসাইনের আদালতে হাজির করা হয়। এই আদালতে বুধবার মামলার চার্জশিট দাখিল করেন তদন্ত কর্মকর্তা পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশনের (পিবিআই) ওসি শাহ আলম।

এ সময় আদালতে পিবিআই চট্টগ্রাম বিভাগের বিশেষ পুলিশ সুপার মো. ইকবালসহ পিবিআই কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট জাকির হোসাইন মামলাটি পরবর্তী কার্যক্রমের জন্য নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালে প্রেরণ করেন। মামলার পরবর্তী তারিখ ১০ জুন ধার্য করা হয়।

কোর্ট ইন্সপেক্টর মো. গোলাম জিলাণী জানান, বৃহস্পতিবার নুসরাত হত্যা মামলায় গ্রেপ্তার অধ্যক্ষ সিরাজ উদ দৌলা, কাউন্সিলর ও পৌর আওয়ামী লীগের ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক মাকসুদ আলম, শিক্ষক আবছার উদ্দিন, সহপাঠী আরিফুল ইসলাম, নূর হোসেন, কেফায়াত উল্যাহ জনি, মোহাম্মদ আলা উদ্দিন, শাহিদুল ইসলাম, অধ্যক্ষের ভাগনি উম্মে সুলতানা পপি, জাবেদ হোসেন, জোবায়ের আহমেদ, নুর উদ্দিন, শাহাদাত হোসেন শামীম, মো. শামীম, কামরুন নাহার মণি, আবদুর রহিম ওরফে শরিফ, ইফতেখার হোসেন রানা, এমরান হোসেন মামুন, মহিউদ্দিন শাকিল, হাফেজ আবদুল কাদের ও আওয়ামী লীগ সভাপতি ও নুসরাতের মাদ্রাসার সহসভাপতি রুহুল আমিনকে আদালতে হাজির করা হয়।

জাকির হোসাইন পরবর্তী কার্যক্রম পরিচালনার জন্য মামলার নথি নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালে প্রেরণ করেন।

পিবিআই’র প্রতিবেদনে এজাহারভুক্ত আটজন, এজাহারবহির্ভূত তদন্তে প্রাপ্ত আসামি আটজন। সব আসামির মৃত্যুদণ্ড চেয়ে সুপারিশ করা হয়।

নুসরাত হত্যা মামলার বাদী পক্ষের আইনজীবী অ্যাডভোকেট এম. শাহজাহান সাজু বলেন, তদন্ত কর্মকর্তা ১৬ জনের নামে অভিযোগপত্র দাখিল করেছেন। এ মামলায় ২১ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। ১৬ জনকে রেখে পাঁচজনকে নট সেন্ট আপ করেছে। নট সেন্ট আপকৃত আসামি যাদের পিবিআই বাদ দিয়েছে, তারা হলেন নুর হোসেন হোনা মিয়া, আলা উদ্দিন, কেফায়েত উল্যাহ জনি, সাইদুল এবং আরিফুল ইসলাম। এই পাঁচজনকে নিয়ে যদি এজাহারকারীর আপত্তি থাকে এবং এদের মধ্যে অপরাধী থাকেন তাহলে আমরা বাদীর সঙ্গে কথা বলে নারাজি দেব। না হয় পিবিআই প্রদত্ত চার্জশিট গ্রহণ করতে আদালতকে বলব।

‘ইতিমধ্যে আদালত অভিযোগপত্র গ্রহণ করে বিচারিক আদালত অর্থাৎ নারী শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালে যাতে অভিযোগ প্রেরণ করা হয় সে বিষয়ে আমরা পদক্ষেপ নেব’।



মন্তব্য চালু নেই