মেইন ম্যেনু

পাঁচ মাস পর মাঠে নেমেই দুর্দান্ত জয় বাংলাদেশের

অবশেষে জয়ের দেখা পেলো বাংলাদেশ। আন্তর্জাতিক প্রীতি ম্যাচে কম্বোডিয়াকে ১-০ গোলে হারিয়েছে জেমি ডে’র শিষ্যরা। সুফিলের পাস থেকে দলের হয়ে একমাত্র গোলটি করেন রবিউল হাসান। পাঁচ মাস পর জয়ের পাশাপাশি, অলিম্পিক প্রাক-বাছাইয়ের আগে প্রস্তুতিটাও সেরে নিলো বাংলাদেশ ফুটবল দল।

একটা জয়ে উজ্জীবিত হবে গোটা দল। মনোবল ফিরবে ধ্বংসস্তুপ থেকে ঘুরে দাঁড়ানোর। তারই খোঁজে কম্বোডিয়ায় বাংলাদেশ। র‍্যাংকিংয়ে এগিয়ে ওরা। কন্ডিশনটাও ওদের পক্ষে। তারপরও নমপেন জাতীয় স্টেডিয়ামে বাংলাদেশ শুরুটা হয় দুর্দান্ত।

বল দখলে এগিয়ে থাকা বাংলাদেশ ম্যাচে এগিয়ে যেতে পারতো ১৪ মিনিটেই। কিন্তু সুযোগটা কাজে লাগাতে পারেননি জীবন। উল্টো ৩৩ মিনিটে কর্নার কিক থেকে দারুণ এক হেডে বাংলার রক্ষণ কাপিয়ে দিয়েছিলেন চং বুন্নাথ। ভাগ্য ভালো অল্পের জন্য সেটি হয় লক্ষ্যভ্রষ্ট।

জেমি ডে যুগে বাংলাদেশ ফুটবলটা খারাপ খেলছে না। কিন্তু ফরোয়ার্ড লাইনে গোল মিস করার চিরায়ত অভ্যাসটা যেন এখনও বদলায়নি। নইলে ম্যাচের ৪১ আর ৪৩ মিনিটে এমন সুযোগ কোন ভাবেই হাতছাড়া করার কথা না বিপলু জীবনদের।

বিদেশ বিভূঁইয়ে ম্যাচ হলেও জয়ের সাক্ষী হতে নমপেনে হাজির বেশ কিছু বাংলাদেশী সমর্থক। কিন্তু স্ট্রাইকারদের ব্যর্থতায় তারা হয়েছেন যারপরনাই হতাশ। সেটা বহুগুণে বাড়িয়ে দিচ্ছিল প্রতিপক্ষের পোস্টে গিয়ে জেমি ডে শিষ্যদের অসহায় আত্মসমর্পণ।

ঘড়ির কাটার সঙ্গে পাল্লা দিয়ে ম্যাচ তখন শেষের পথে। ভালো খেলেও, গোল মিসের মহড়ায় জয়টা প্রায় বেরিয়েই যাচ্ছিল হাত গলে। হতাশার এমন পাণ্ডুলিপিতে হঠাৎই আবির্ভাব রবিউলের। ৮৩ মিনিটে সুফিলের পাস থেকে নিখুঁত ফিনিশিংয়ে এনে দেন উদযাপনের কাঙ্ক্ষিত উপলক্ষ।

ম্যাচের বাকি সময়টায় বাংলাদেশকে কোন হতাশা উপহার দিতে পারেনি কম্বোডিয়া। জেমি ডে শিষ্যরা প্রমাণ করে মাঠের লড়াইয়ে র‌্যাঙ্কিং কেবলই এক কাগুজে হিসেব। একই সঙ্গে অক্ষুণ্ণ রাখে মধ্য এশিয়ার দেশটির বিপক্ষে হার না মানার শতভাগ রেকর্ড।



মন্তব্য চালু নেই