মেইন ম্যেনু

পিরিয়ডের সময় ৬ ভুল করবেন না

পিরিয়ডস বা ঋতুস্রাব নিয়ে অনেকে অনেক নিয়ম পালন করে থাকেন। আবার কেউ একেবারেই থাকেন বিন্দাস। কেউ ব্যবহার করেন কাপড়, কেউবা বাজারচলতি স্যানিটারি ন্যাপকিন বা প্যাড। আবার অনেকেই এই বিষয়ে কথা বলতে লজ্জা পান না, অনেকেই সেখানে দোকানে স্যানিটারি ন্যাপকিন কিনতে যেতেও সাত পাঁচ ভাবেন। কিন্তু এতসবের মাঝেও কিছু কিছু ভুল করে বসেন অনেকে। সেগুলি কি জানেন?

ব্যাথা উপশমের ওষুধ
মাসিক শুরু হলে তীব্র ব্যাথায় কষ্ট পান অনেক মহিলাই। অসহ্য ব্যাথার হাত থেকে রেহাই পেতে বিভিন্ন ওষুধের শরণাপন্ন হতে হয়। ডাক্তারের পরামর্শ ছাড়া যদি কেউ দিনের পর দিন বাজারচলতি ওষুধগুলি খেতে শুরু করেন তাতে শরীরে সমস্যা হতে বাধ্য। দেখা দিতে পারে হার্ট, লিভার থেকে শুরু করে কিডনির সমস্যাও।

পর্যাপ্ত পরিমাণ জলের পান না খাওয়া
অনেকেই বাথরুমে বার বার যাওয়ার হাত থেকে বাঁচতে জল কম খায়, যা উল্টে বিপদই ডেকে আনে। জল খেলে এই সময় ব্যাথাতেও উপশম হয়। তবে অবশ্যই পরিমাণ মতো। পারলে চা- কফি জাতীয় তরল পানীয় এড়িয়ে চলুন এ সময়ে।

ঘুমের অভাব
কারো কারো দেরিতে বা কম ঘুমনোর অভ্যাস রয়েছে। মনে রাখবেন মাসিকের সময় শরীর এমনিতেই দুর্বল থাকে, তাই পর্যাপ্ত পরিমাণ ঘুম কিন্তু প্রয়োজন।

কাপড়ের ব্যবহার
এখন স্যানিটারি ন্যাপকিনের ব্যবহার বাড়লেও সর্বত্র, বিশেষ করে গ্রামের দিকে এখনো কাপড় ব্যবহার করেন কেউ কেউ। মনে রাখবেন এই সময় কিন্তু ব্যাকটিরিয়া সংক্রমণের ঝুঁকি থাকে। তাই ব্যবহৃত কাপড় পরিষ্কার করে ধুয়ে আবার ব্যবহার করলে তাতে কিন্তু ঝুঁকি কমে যায় না।

প্যাড বা স্যানিটারি ন্যাপকিন বদলান
এক প্যাডে দীর্ঘক্ষণ না থেকে ৫-৬ ঘন্টা অন্তর বদলে ফেলুন সেটি। না হলে ব্যাকটিরিয়াজনিত সমস্যা হলেও হতে পারে।

শরীরচর্চা থেকে সঙ্গম
এ সময় শরীরচর্চা একেবারে বন্ধ না করে ফ্রি-হ্যান্ড এক্সারসাইজ একটু চলতেই পারে। তাতে আপনারই লাভ। তবে হ্যাঁ, যাদের সমস্যা রয়েছে তাদের কিন্তু একটু বেশি সাবধানী হতে হবে। পাশাপাশি শারীরিক মিলনেও এই সময় কিন্তু অতিরিক্ত সতর্ক হতে হবে, কারণ ব্যাকটিরিয়া সংক্রমনের মুখে না হলে পড়তে হবে আপনাকেই।



মন্তব্য চালু নেই