মেইন ম্যেনু

ফণীর প্রভাবে ফাইনাল বাতিল : বাংলাদেশ-লাওস যৌথ চ্যাম্পিয়ন

শেষ পর্যন্ত ঘূর্ণিঝড় ফণীর পেটেই গেলো প্রথম বঙ্গমাতা অনূর্ধ্ব-১৯ নারী আন্তর্জাতিক গোল্ডকাপ ফুটবলের ফাইনাল। ঘূর্ণিঝড় ফণীর আঘাত হানার কারণে ম্যাচ স্থগিত করে বাংলাদেশ এবং লাওসকে যুগ্ম চ্যাম্পিয়ন ঘোষণা করা হয়েছ।

বাংলাদেশ সময় শুক্রবার (৩ মে) সন্ধ্যা ৬টায় বঙ্গবন্ধু জাতীয় স্টেডিয়ামে ফাইনাল ম্যাচটি অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা ছিলো।

৪৩ বছরের ইতিহাসে সবচেয়ে শক্তিশালী সামুদ্রিক ঘূর্ণিঝড় ‘ফণী’-র কারণে বঙ্গমাতা অনূর্ধ্ব-১৯ আন্তর্জাতিক গোল্ডকাপের ফাইনাল মাঠেই গড়াতে পারেনি। শুরুর কথা থাকলেও ভারি মাঠের জন্য তা সম্ভব হয়নি।

বঙ্গবন্ধু স্টেডিয়ামের পানি নিষ্কাসন ব্যবস্থা এমনতেই ভালো নয়। হালকা বৃষ্টিতেই মাঠের বিভিন্ন জায়গায় জমে যায় পানি। এদিনও বেশ কয়েক জায়গায় পানি জমে আছে। এ পানি সরানোর জন্য অবশ্য কোন ব্যবস্থাই নেইনি বাফুফে। এমনকি জ্বালানো হয়নি ফ্ল্যাড লাইটও। তাই শেষ পর্যন্ত বাতিল হল এ ম্যাচ। তাই দুই দলকে যৌথ চ্যাম্পিয়ন ঘোষণা করা হয়েছে।

নির্ধারিত সময়ের পর বঙ্গবন্ধু জাতীয় স্টেডিয়ামের প্রেসবক্সে তাৎক্ষণিক ব্রিফিং করে এ সিদ্ধান্তে কথা জানিয়েছেন বাফুফের সিনিয়র সহ-সভাপতি এবং স্থানীয় সাংগঠনিক কমিটির চেয়ারম্যান আবদুস সালাম মুর্শেদী। ফাইনাল বাতিল করে বাংলাদেশ ও লাওসকে যৌথ চ্যাম্পিয়ন ঘোষণা দেয়া হয়েছে।

দুই দলকে যৌথ চ্যাম্পিয়ন ঘোষণা করা হলেও ট্রফি পাবে কারা? মিডিয়া ব্রিফিংয়ে এমন প্রশ্নের জবাবে আবদুস সালাম মুর্শেদী বলেছেন, ‘আমরা লটারি করে ট্রফি প্রদান করবো।’

বিকেল ৪টার দিকে বৃষ্টি হওয়ার পর সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত আবহাওয়া ম্যাচ বাতিল হওয়ার মতো ছিল না। মাঠেও ছিল ভালো। তারপরও কেন ম্যাচ শুরু না করেই বাতিল করা হলো?

এমন প্রশ্নের জবাবে টুর্নামেন্টের স্বত্বাধিকারী কে-স্পোর্টসের সিইও এম ফাহাদ করীম বলেন, ‘যখন ফাইনাল শুরু হওয়ার কথা ঠিক তখনই ফণীর আঘাত। দেশের ১৯ টি জেলার মানুষ এখন বিপদমুক্তির জন্য প্রার্থনা করছে। আমি বিভিন্ন স্পন্সর প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে কথা বলেছি। সবাই আমাদের সিদ্ধান্তকে স্বাগত জানিয়েছেন। তাই ফাইনাল বাতিল করা হয়েছে।’

উল্লেখ্য, সেমিফাইনালে মঙ্গোলিয়াকে ৩-০ গোলের ব্যবধানে হারিয়ে ফাইনালে ওঠে বাংলাদেশের মেয়েরা। অন্যদিকে লাওস বিধ্বস্ত করে কিরগিজস্তানকে। ৭-১ গোলে উড়িয়ে দিয়েই ফাইনালের টিকেট কাটে দলটি।



মন্তব্য চালু নেই