মেইন ম্যেনু

বঙ্গবন্ধু স্টেডিয়াম নিয়ে মহাপরিকল্পনা

বিশ্ব ক্রীড়াঙ্গনে বাংলাদেশ সম্পর্কে যাদের ধারনা আছে, তারা এক নামেই চিনবেন বঙ্গবন্ধু জাতীয় স্টেডিয়াম। এই স্টেডিয়ামে খেলেছেন লিওনেল মেসি ও জিনেদিন জিদানের মতো তারকা ফুটবলার। ফুটবলের পাশাপাশি ক্রিকেটের মিনি বিশ্বকাপ, এশিয়া কাপ হকি, বক্সার মুহম্মদ আলীর প্রদর্শনী ম্যাচসহ বিভিন্ন ইভেন্টে আন্তর্জাতিক টুর্নামেন্ট আয়োজন করা হয়েছে এই মাঠে। কিন্তু ১৯৫৪ সালে তৈরি এই স্টেডিয়ামটি দীর্ঘ দিন সংস্কার না হওয়ায় বেহাল অবস্থার সৃষ্টি হয়েছে।

তবে সুখবর হলো দেশের ক্রীড়াঙ্গনের অন্যতম এই স্থাপনাটি সংস্কারের উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। সংস্কারের জন্য প্রায় ৯২ কোটি টাকার বাজেট অনুমোদন দিয়েছে যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়। চলতি অর্থ বছরেই এই বাজেট পাওয়ার প্রত্যাশা জাতীয় ক্রীড়া পরিষদের। বিশাল অঙ্কের এই অর্থ ব্যয় হবে বঙ্গবন্ধু স্টেডিয়ামের ছাউনি নির্মাণ ও চেয়ার প্রতিস্থাপনসহ বিভিন্ন কাজে।

দেশের ক্রীড়াঙ্গনের অনেক উত্থান-পতনের সাক্ষী জাতীয় এই স্টেডিয়ামটি। স্বাধীনতার আগে নির্মিত হয়, ১৯৫৪ সালে। ২০১১ ক্রিকেট বিশ্বকাপে এই স্টেডিয়ামটিকে ভিন্নরূপে দেখে বিশ্ববাসী। তবে ওটাই শেষ। এরপর অযত্ন আর অবহেলায় দিনকে দিন শুধু মলিনই হয়েছে দেশের ঐতিহ্যবাহী এই স্থাপনাটি।

মূলত ফুটবলের জন্য ব্যবহৃত হলেও এখানে আয়োজিত হয় অ্যাথলেটিক্স, আরচারি, সাইক্লিংসহ আরও বেশকিছু খেলা। এছাড়াও বিশেষ দিবসে বিভিন্ন আয়োজনে হয়ে থাকে এই স্টেডিয়ামটিতে। মাত্রাতিরিক্ত ব্যবহারে স্থাপনাটির অনেক জায়গা এখন রুগ্ন অবস্থা। তবে এবার দৃষ্টি দিয়েছে ক্রীড়া পরিষদ। কিছুটা অবাক হলেও সত্যি ছাউনি দিতে যাচ্ছে গোটা স্টেডিয়াম জুড়ে।

৯২ কোটি টাকা বাজেটের বড় একটি অংশ ব্যয় করা হবে গ্যালারির চেয়ার প্রতিস্থাপনে। এছাড়াও ফ্লাডলাইট, অ্যাথলেটিক্স ট্র্যাক, প্রেস বক্স, জায়ান্ট স্ক্রিনসহ ঢেলে সাজানো হবে স্টেডিয়ামের ড্রেনেজ সিস্টেম।

প্রায় ৯২ কোটি টাকার প্রকল্পের বিষয়টি শিগগিরই একনেকে উঠবে। এরই মধ্যে মন্ত্রণালয়ের যাচাই-বাছাই কমিটি বিষয়টি দেখেছে। প্রকল্পটি প্ল্যানিং কমিশনে পাঠানো হয়েছে এবং সেখানে বিষয়টি বিবেচনাধীন রয়েছে। অবকাঠামো উন্নতির পাশাপাশি ক্রীড়া পরিষদ মনোযোগ দিয়েছে বঙ্গবন্ধু স্টেডিয়ামের ফুটবল মাঠের দিকেও। আউটফিল্ড উঁচু-নিচু থাকায় তুলে ফেলা হবে সমস্ত মাটি। এছাড়াও নতুন করে বপন করা হবে ঘাস। এছাড়াও মাঠের চারদিকে বসানো হবে ডিজিটাল প্যারামিটার।






মন্তব্য চালু নেই