মেইন ম্যেনু

বসের সামনে যে ৭টি কথা বলবেন না

অফিসে কাজ করতে গিয়ে বস কিংবা সহকর্মীদের সঙ্গে সুসম্পর্ক রাখাই বুদ্ধিমানের কাজ। কারণ দিনের বেশিরভাগ সময় আমাদেরকে অফিসেই কাটাতে হয়। তাই পরিবারের মতোই অফিসের সবাইকে আপন করে নিতে পারেন। তাতে একদিকে যেমন কাজের পরিবেশটা সুন্দর হবে তেমনই বসের সুদৃষ্টিও থাকবে আপনার প্রতি। তবে কিছু কথা আছে যা বসের কাছে আপনাকে অপ্রিয় করে তুলতে পারে। যেগুলো ভুলেও বসের কাছে বলতে যাবেন না-

১. এটা তো আমার কাজ না: বস আপনাকে কোনো কাজ করতে দিলে যদি বলেন যে এটা তো আমার কাজ না, তাহলে নিশ্চিত থাকেন বসের কাছে আপনার গ্রহণযোগ্যতা কমবে। কারণ, বস আপনাকে যোগ্য মনে করেই কাজটির দায়িত্ব দিতে চেয়েছিলেন। কিন্তু আপনি নিজের কথা দিয়েই প্রমাণ করলেন, আপনি সেটি করার উপযুক্ত নন।

২. আমি এটা কিভাবে করবো: আপনি কোনো কাজ করছেন মানে হলো সেই কাজে আপনার অভিজ্ঞতা আছে। কিন্তু কোনো কাজ দেয়ার পরে যদি জিজ্ঞেস করেন ‘আমি এটা কিভাবে করবো’ তাহলে তো বস হতাশ হবেনই। আপনিও হারাবেন আপনার গ্রহণযোগ্যতা।

৩. আমি এটা পারি না: একটি দায়িত্ব পাওয়ার পরে সেটি পালন করার কোনোরকম চেষ্টা করেই যদি বলে বসেন যে আমি এটা পারি না, তার মানে আপনি ভীষণ অলস একজন মানুষ। এমনকি মোটেই আত্মবিশ্বাসী নন। আর এমন কর্মীকে তো বস অপছন্দ করবেনই!

৪. এসব আমি আগে করিনি: কোনো একটি কাজ আগে কখনো করেননি বলে যে ভবিষ্যতেও করতে পারবেন না এমন চিন্তাধারা থাকলে আজই বাদ দিন। কারণ নিজের অনভিজ্ঞতার কথা ঢোল পিটিয়ে বলতে গেলে সবার কাছে হাসির পাত্র তো হবেনই, বসের কাছেও হারাবেন আপনার গ্রহণযোগ্যতা।

৫. ওর কাজ আমি কেন করবো: অন্য কারো দায়িত্ব আপনাকে পালন করতে বলার মানে হলো বস হয়তো সেই ব্যক্তিকে নির্ভরযোগ্য মনে করছেন না। আপনাকে উপযুক্ত মনে করেই দায়িত্বটি দেয়া হয়েছে। এ অবস্থায় যদি বলেন ওর কাজ আমি কেন করবো, এর অর্থ হলো বসের সিদ্ধান্তের উপর আপনার আস্থা নেই। বস কি এরপরও আপনাকে পছন্দের চোখে দেখবেন?

৬. আমাকে সব কাজ দিয়ে রেখেছে: একটি অফিসে নানারকম কাজ থাকে। হতে পারে আপনার নির্ধারিত কাজের চেয়েও কখনো কখনো বেশি কাজ জমা হতে পারে। আবার অনেকসময় তুলনামূলক কম কাজও থাকতে পারে। তাই ‘আমাকেই সব কাজ দিয়ে রেখেছে’ বলে বসের নামে বদনাম করতে যাবেন না।

৭. ছুটির দিনে যেতে হবে: ছুটির দিনে যদি অফিসের কোনো কাজে যেতেই হয়, তাই নিয়ে গড়িমসি করবেন না যেন! কারণ নিতান্তই বাধ্য না হলে কোনো অফিসই এমনটা চায় না। তাই এতটুকু ত্যাগস্বীকার তো আপনি করতেই পারেন। তাতে বসের কাছেও আপনার গ্রহণযোগ্যতা বাড়বে। অন্যথায় উল্টোটা হবে।



মন্তব্য চালু নেই