মেইন ম্যেনু

বিধ্বস্ত বিমানে যশোরের একই পরিবারের তিনজন

কাঠমাণ্ডু বিমানবন্দরে ইউএস-বাংলার যে উড়োজাহাজ বিধ্বস্ত হয়েছে তাতেই ছিলেন যশোরের মেয়ে সানজিদা হক বিপাশা, স্বামী রফিক জামান ও একমাত্র সন্তান ছেলে অনিরুদ্ধ।

বিমান বিধ্বস্তের খবরে শোকে স্তব্ধ যশোরের উপশহর এলাকার মানুষ। উপশহর এ ব্লকের ২৪৫ নং বাড়িতে থাকা বাবা সাবেরুল হক এখনও জানেন না কী হয়েছে। বাড়িতে লোকের আনাগোনা দেখে তারও কৌতুহল বাড়ছে।

উপশহরের সাবেরুল হকের তিন সন্তাননের মধ্যে সানজিদা হক বিপাশা সবার বড়। সানজিদা হকের দুই ভাই মিথুন ও উইন। তারাও ঢাকায় বসবাস করেন।

সানজিদা হক বিপাশা সুশাসনের জন্য নাগরিক (সুজন) এর প্রোগ্রাম অফিসার পদে কর্মরত ছিলেন বলে জানা গেছে। স্বামী রফিক জামান এক সময় সাংবাদিককতা করতেন। বর্তমানে তিনি ব্যবসা করেন। স্ত্রীর সাথে নেপালে যাচ্ছিলেন রফিক জামান।

সানজিদা হক বিপাশার চাচাতো ভাই ফজল মাহমুদ জানান, বিকাল ৪টার দিকে তারা খবর পেয়েছেন বিমান বিধ্বস্তের। এরপর ঢাকায় বসবাস করা ভাইদের সঙ্গে যোগাযোগ করেন। তারা শান্ত থাকার পরামর্শ দিয়েছেন।

সোমবার দুপুর তিনটার দিকে উড়োজাহাজটি নেপালের কাঠমান্ডুর ত্রিভূবন এয়ারপোর্টের কাছাকাছি এ দুর্ঘটনা ঘটে। উড়োজাহাজটি ঢাকা থেকে ছেড়ে গিয়ে দুপুর ২টা ২০ মিনিটে নেপালে অবতরণ করার সময়েই দুর্ঘটনার শিকার হয়।



মন্তব্য চালু নেই