মেইন ম্যেনু

বিধ্বস্ত বিমানে যারা ছিলেন

কাঠমান্ডুর ত্রিভুবন আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে (টিআইএ) ইউএস-বাংলা এয়ারলাইন্সের বিধ্বস্ত হওয়া বিমানে যারা ছিলেন তাদের পরিচয় পাওয়া গেছে। জানা গেছে, বিধ্বস্ত বিমানটিতে দুই শিশুসহ অন্তত ৩৬ জন বাংলাদেশি ছিলেন।

আরো জানা গেছে, এই ফ্লাইটটিতে মোট ৬৭ জন যাত্রী ছিলেন। এর মধ্যে পুরুষ ৩৭ ও নারী ২৮ জন। এছাড়া শিশু ছিলেন দুইজন। তারা হলেন- তানিরা তানভীন শশী, পিয়াস, শেখ রাশেদ, কৃষ্ণ কুমার, উম্মে সালমা, আশনা সাকিয়া, অঞ্জলি শ্রেষ্ঠ, সারুনা শ্রেষ্ঠ, সৈয়দা কামরুন নাহার, হরিপ্রসাদ, দয়ারাম তহরাখার, বালকৃষ্ণ থাপা, শ্বেতা থাপা, কিশোর ত্রিপতি, আবাদেশ কুমার যাদব, অনিরুদ্ধ জামান, মো. নুরুজ্জামান, মো. রফিক জামান, রিয়ানা আব্দুল্লাহ, পয়বাল আহমেদ, সামরিন আহমেদ, জাকদ আলী, আলিফুজ্জামান, আলমুন নাহার, বিলকিস আরা, শিলা বাজগাইন, বেগম নুরুন্নাহার বিলকিস, আলজিনা বড়াল, চারু বড়াল, আকজারা বেগম, শাহীন বেপারী, শুভিন্দ্র সিং, বসঞ্জিত বহরা, সামিরা বায়ানজানকর, প্রবীণ চিত্রকর, নাজিয়া আফরিন চৌধুরী, সাজানা দেবখোজা, প্রিন্সি ধামি, গায়নি কুমারি গুরুং, রেজকানুল হক, মো. রকিবুল হাসান, মেহেদী হাসান, এমরানা কবির হাসি, কবির হোসাইন, দীনেশ হুমাগাইন, সানজিদা হক, হাসানন ইমাম, মো. নজরুল ইসলাম, শ্রেয়া জিলা, পূর্ণিমা লুনানি, মিলি মেহেরজান, নিগা মেহেরজান, সঞ্জয়া মেহেরজান, জেংমিং, আঁখি মনি, মেহনাজ বিন নাসির, কেসাব পান্ডে, প্রসন্না পান্ডে, বিনোদ পাউডাল, হরিশংকর পাউডাল, সঞ্জয় পাউডাল, এফএইচ প্রিয়ক, থামারা প্রিয় নৈইয়ি, মতিউর রহমান, এসএম মাহবুবুর রহমান, আশিষ রঞ্জিত।

এ ছাড়াও এই বিমানে করে একটি কর্মশালায় অংশ নিতে কাঠমান্ডু যাচ্ছিলেন পরিকল্পনা কমিশনের সাধারণ অর্থনীতি বিভাগের দুই কর্মকর্তা। তারা হলেন- উম্মে সালমা ও নাজিয়া আফরিন চৌধুরী।

উল্লেখ্য, ৭১ জন আরোহী নিয়ে আজ সোমবার দুপুর ১২টা ৫১ মিনিটে ঢাকার হজরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে রওনা দেয় ইউএস-বাংলা এয়ারলাইন্সের বোম্বাইডার ড্যাস কিউ৪০০। এর মধ্যে দুইজন পাইলট ও দুইজন বিমানকর্মী ছিল



মন্তব্য চালু নেই