মেইন ম্যেনু

বিলুপ্ত গাছ দিয়ে সবুজায়ন হবে শিক্ষাঙ্গনের আঙ্গিনা

জলবায়ু অনুকূলে রাখতে দেশের সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে বাধ্যতামূলক বৃক্ষরোপণ করা হবে। বিলুপ্ত গাছ সংরক্ষণ ও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান সবুজায়নে নতুন কর্মসূচি হাতে নিতে যাচ্ছে মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদফতর (মাউশি)।

মাউশি সূত্রে জানা গেছে, সারাদেশে প্রায় ছয় হাজার প্রজাতির বৃক্ষ রয়েছে। তার মধ্যে প্রায় এক হাজার বৃক্ষ বিলুপ্তির পথে। এসব বিলুপ্ত গাছ সংরক্ষণ ও শিক্ষাঙ্গনের আঙ্গিনা সুন্দর সুশৃঙ্খল রাখার উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। এ লক্ষ্যে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের অধীনস্থ মাউশি একটি প্রকল্প হাতে নিয়েছে। প্রকল্পটির নাম দেয়া হয়েছে-‘সবুজ শিক্ষাঙ্গন বিনির্মাণে বিপন্ন উদ্ভিদ সংরক্ষণ’। আগামী বছরের জানুয়ারি মাস থেকে প্রকল্পটির কার্যক্রম শুরু হওয়ার কথা রয়েছে।

মাউশির উন্নয়ন ও পরিকল্পনা বিভাগের উপ-পরিচালক জাহাঙ্গীর হোসেন বলেন, এ প্রকল্পের মাধ্যমে দেশের বিলুপ্ত বৃক্ষ সংরক্ষণ করে তা নতুন করে রোপণ করা হবে। প্রথম পর্যায়ে বিভিন্ন জেলার ৩০০টি স্কুল-কলেজকে সবুজায়ন করা হবে। বৃক্ষরোপণ প্রকল্পের মাধ্যমে ১০ অঞ্চলের ১০টি বড় শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বা ১০টি কলেজের আঙ্গিনায় টিস্যু কালচারের মাধ্যমে বিপন্ন গাছের চারা উৎপাদন করা হবে। পরবর্তীতে দেশের সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের আঙ্গিনায় ওই গাছ লাগানো হবে।

তিনি বলেন, টিস্যু কালচার করতে রাজধানীর কয়েকটি সরকারি কলেজকে নির্বাচন করা হয়েছে। তার মধ্যে ইডেন মহিলা কলেজ ও সরকারি বাঙলা কলেজ। এছাড়া রাজশাহী, সিলেট, চট্টগ্রাম, খুলনা, ময়মনসিংহ, রংপুর এবং বরিশাল অঞ্চলের মোট ১০টি বড় কলেজ রয়েছে। প্রকল্পের ব্যয় ধরা হয়েছে ১০ কোটি টাকা।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে মাউশির মহাপরিচালক অধ্যাপক ওয়াহিদুজ্জামান বলেন, বিলুপ্ত প্রজাতির গাছ সংরক্ষণে এবং দেশের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠা সবুজায়নের এমন উদ্যোগ নেয়া হয়েছে। শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের খালি স্থানে গাছগুলো লাগানোর মধ্যেই প্রকল্পটি সীমাবদ্ধ থাকবে না, এর পরিচর্চা করার জন্যও প্রণোদনা দেবে সরকার।

মেয়াদ শেষে গাছগুলো অবহেলায় নষ্ট হবে কিনা জানতে চাইলে তিনি বলেন, প্রকল্প শেষ হলেও যেন বৃক্ষগুলো পরিচর্চা নেয়া হয় সে বিষয়েও পরিকল্পনা রয়েছে। সে চিন্তা মাথায় রেখে আমরা এগিয়ে যাচ্ছি বলে তিনি জানান।






মন্তব্য চালু নেই