মেইন ম্যেনু

বেরোবিতে নতুন আমেজে বসন্ত বরণ

এইচ. এম নুর আলম, বেরোবি থেকে : একদিকে উৎসাহী তরুণ-তরুণিদের সেলফি তোলার ভীড় আর অন্যদিকে স্থানে স্থানে শোভাবর্ধিত পুষ্পসৌরভ। বসন্তের প্রথম মাস ফাগুনকে বরণ করতে সকাল থেকেই শিক্ষার্থীদের মাঝে উৎসবমুখর পরিবেশ সৃষ্টি হয়। এর সাথে বিশ্ববিদ্যালয়ের সৌন্দর্য বর্ধণে লাগানো পুষ্পগুলোর অপরুপ পুষ্পিত সৌরভ।বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রতিটি স্থানে ছড়িয়ে রয়েছে সিলভিয়া, ডালিয়া, হলুদ গাঁদাফুলসহ নাম না জানা অনেক ফুলের সমারোহ।সৌরভ ছড়াচ্ছে বিভিন্ন প্রকৃতির পুষ্পের বাহার। যেন সবুজের মাঝে সাদা-লাল-হলুদের ঝলকানি।বলছিলাম রংপুরের বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের কথা।

আর এই দিনটিকে সাজিয়েছে বিশ্ববিদ্যালয়ের একাউন্টিং এন্ড ইনফরমেশন সিস্টেম বিভাগ নবীনবরণ, বিদায় অনুষ্ঠান দিয়ে। বসন্তের প্রথম দিনে বিকাল ৪টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের অস্থায়ী শহীদ মিনার সংলগ্ন স্থানে বিভাগটি জমকালো আয়োজনের উদ্যোগ নেয়। জাতীয় সংগীতের মধ্যদিয়ে শুরু হওয়া এ আয়োজনে প্রধান অতিথি ছিলেন উপাচার্য প্রফেসর ডক্টর নাজমুল আহসান কলিমউল্লাহ।

বিভাগের সহকারী অধ্যাপক উমর ফারুক এর সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে অন্যান্যদের মাঝে উপস্থিত ছিলেন বিজনেস স্টাডিজ অনুষদের ডিন জনাব মোঃ ফেরদৌস রহমান, ম্যানেজমেন্ট স্টাডিজ বিভাগের অধ্যাপক ড. মোঃ মতিউর রহমান, একাউন্টিং এন্ড ইনফরমেশন সিস্টেম বিভাগের বিভাগীয় প্রধান মোঃ শাহীনুর রহমানসহ বিভাগের অন্যান্য শিক্ষক এবং শিক্ষার্থীবৃন্দ।

অনুষ্ঠানে একাউন্টিং এন্ড ইনফরমেশন সিস্টেম বিভাগের ২০১৭-১৮ শিক্ষাবর্ষে ভর্তিকৃত শিক্ষার্থীদের বরণ করে নেয়া, ২০১৫-১৬ শিক্ষাবর্ষের বিদায়ী এমবিএ শিক্ষার্থীদের মাঝে ক্রেস্ট বিতরণ এবং গত ২৬ জানুয়ারি অনুষ্ঠিত ভলিবল ফাইনাল খেলায় বিজয়ীদের মাঝে পুরস্কার বিতরণ করা হয় এবং একই সাথে সকলের অংশগ্রহণে বসন্ত উৎসব পালন করা হয়।
বিভাগের শিক্ষার্থীদের আয়োজনে পিঠা উৎসব পালিত হয় বসন্ত বরণে। এতে অংশ নেন উপাচার্য নিজে।

দিবসটি পালনে বিকালে ভীড় পড়ে ভালাবাসার মানুষদের সেতুবন্ধন দৃঢ়তায়।ভীড় জমায় সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে। পুষ্পিত ফুলের মাঝে নিজেকে শোভিত করতে উপচে পড়া ভীড় জমে প্রশাসনিক ভবনের পূর্বদিকে পুষ্পের অনন্য সমাহারে।সেখানে ফুটে আছে সাদা ও হলুদ গাঁদাফুল এবং নাম না জানা অন্যান্য পুষ্প।

বসন্ত বরণে নতুন মাত্রা যোগ করে ফুডাইডি’র পরিবেশিত ভিন্ন রকম খাবারে।

তরুণদের পড়নে শোভা পায় হলুদ ও লাল রঙের পাঞ্জাবি আর তরুণিদের হলুদ রঙের শাড়ি।বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের লাগানো বাহারী ফুলগুলো নতুন মাত্রা যোগ করেছে উৎসাহী তরুণ-তরুণিদের হৃদয়ে। ফাগুনের প্রথম দিবস দিয়ে যে বসন্ত শুরু হলো তা অন্তত বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের নতুন আবহ সৃষ্টি করবে কৃষ্ণচূড়া ফোটার মধ্য দিয়ে।



মন্তব্য চালু নেই