মেইন ম্যেনু

বেরোবিতে সাংবাদিক আনিস আলমগীরের সঙ্গে এমসিজে বিভাগের মতবিনিময়

এইচ. এম নুর আলম, বেরোবি প্রতিনিধি : ইরাক ও আফগান যুদ্ধের বিবিসি’র বাংলাদেশের প্রখ্যাত সাংবাদিক এবং ড্যাফোডিল ইউনিভার্সিটির সাংবাদিকতা বিষয়ক অ্যাসোসিয়েট প্রফেসর আনিস আলমগীরের সঙ্গে এক মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। সোমবার বেলা ১২ টায় বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ে (বেরোবি) কবি হেয়াত মামুদ ভবনে গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা (এমসিজে) বিভাগের শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের সঙ্গে যুদ্ধক্ষেত্রে তাঁর জীবনের বাস্তব অভিজ্ঞতা নিয়ে এ মতবিনিময় অনুষ্ঠিত হয়।

বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য প্রফেসর ডক্টর নাজমুল আহসান কলিমউল্লাহ এ মতবিনিময় সভার উদ্বোধন করেন।

ইরাক ও আফগান যুদ্ধের প্রত্যক্ষ সাক্ষী যুদ্ধ সাংবাদিক আনিস আলমগীর মতবিনিময় সভায় ইরাক ও আফগান যুদ্ধে তাঁর বাস্তব অভিজ্ঞতা, ভয়াবহ পরিস্থিতিতে সংবাদ সংগ্রহ এবং নিজেকে টিকে থাকার কৌশল বর্ণনা করেন।তিনি এক প্রশ্নের জবাবে বলেন, ইমবেডেড জার্নালিজমের (গ্রঁথিত সাংবাদিকতা) মাধ্যমে অনেক সাংবাদিক যুদ্ধের খবর প্রচার করতেন যতটুকু তাঁদের বলে দেওয়া হতো। ঐ সাংবাদিকরা সৈনিকের পোশাক পড়তো এবং সৈনিকদের সাথে খাবার খেতো আর যতটুকু তাদের বলা হতো,তারা প্রচার করতেন।তবে তিনি সে সময় স্বাধীনভাবে বিবিসি’তে (ব্রিটিশ ব্রডকাস্টিং করপোরেশন)সংবাদ পাঠাতেন বলে জানান। বাংলাদেশের বেশ কিছু পত্রিকায় কাজ করতেন তিনি।তিনি বলেন, কীভাবে সাদ্দাম হোসেনের পতন হয়েছে তা তিনি দেখেছেন এবং যুদ্ধের সংবাদ সংগ্রহের জন্য তাঁদের বসবাসের হোটেলে বোমা হামলার ভয়াবহতাও তিনি বর্ণনা করেন।

এক প্রশ্নের জবাবে তিনি সংবাদ সংগ্রহের সময় কমন সেন্সের(আশেপাশের পরিস্থিতি, ধারা বর্ণনার কৌশল) বিষয়গুলো সাংবাদিকদের মনে রাখার জন্য বলেন। তিনি বলেন, সংবাদের ধারা বর্ণনার ক্ষেত্রে পূর্বে কী ঘটেছিলো, বর্তমান কী ঘটছে এবং ভবিষ্যতে (সামনে) কী ঘটবে?- এ তিনটি বিষয় মনে রাখতে হবে একজন টিভি রিপোর্টারের।

মতবিনিময় সভায় উপস্থিত ছিলেন গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগের বিভাগীয় প্রধান এবং ছাত্র পরামর্শ ও নির্দেশনা দপ্তরের পরিচালক ড. মো. নজরুল ইসলাম, বিভাগের সহকারি অধ্যাপক এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক সমিতির সাধারণ সম্পাদক তাবিউর রহমান প্রধান, সহকারি অধ্যাপক এবং সহকারি প্রক্টর তাসনীম হুমাইদা, কম্পিউটার সায়েন্স এন্ড উঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের সহকারি অধ্যাপক এবং সাইবার সেন্টারের পরিচালক মুহা. শামসুজ্জামান, জনসংযোগ, তথ্য ও প্রকাশনা বিভাগের সেকশন অফিসার (গ্রেড-২) মো. আরিফুল ইসলাম, বিশ্ববিদ্যালয় সাংবাদিক সমিতির সভাপতি এইচ.এম নুর আলম, সাবেক সাধারণ সম্পাদক সাইফুল ইসলামসহ বিভাগের অন্যান্য শিক্ষার্থীবৃন্দ।

উল্লেখ্য, আনিস আলমগীর ২০০৩ সালের ২০ মার্চ যুদ্ধের সময় ইরাকে অবস্থান করে বিবিসিসহ বাংলাদেশের বেশ কিছু পত্রিকায় সংবাদ পাঠাতেন। তিনি এক সময় আমার দেশ, দৈনিক আজকের কাগজ পত্রিকায় সংবাদ কর্মী হিসেবে কাজ করেছিলেন।বর্তমান তিনি ড্যাফেডিল ইউনিভার্সিটির সাংবাদিকতা বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক হিসেবে অধ্যাপনা করছেন।



মন্তব্য চালু নেই