মেইন ম্যেনু

ভারতে ফেরার বিষয়ে যা জানালেন জাকির নায়েক

শর্তসাপেক্ষে দেশে ফিরতে রাজি আছেন ভারতের আলোচিত পিস টিভির প্রতিষ্ঠাতা ডা. জাকির নায়েক। দোষ প্রমাণের আগে গ্রেফতার না করার নিশ্চয়তা দিলে তিনি দেশে ফিরে তদন্তের মুখোমুখি হবেন বলে জানিয়েছেন।

সম্প্রতি দ্য উইক ম্যাগাজিনকে দেয়া এক সাক্ষাতকারে জাকির নায়েক বলেন, ভারতীয় সুপ্রিম কোর্ট যদি আমাকে আশ্বস্ত করেন, দোষ প্রমাণের আগে আমাকে গ্রেফতার না করেন, তাহলে আমি দেশে ফিরতে রাজি। তবে ভারতের জাতীয় তদন্তকারী সংস্থা কিংবা এনআইএ মালয়েশিয়া এসে জিজ্ঞাসাবাদ করতে চাইলে আপত্তি নেই তার।

দেশে ফেরাটা নিজের জন্য একান্ত জরুরি জানিয়ে জাকির নায়েক বলেন, নিজেকে নির্দোষ প্রমাণ করতে দেশে ফিরে তদন্তের মুখোমুখি হতে হবে। সে জন্যই দেশে ফেরা প্রয়োজন। তবে এ জন্য আমার শর্ত পূরণ করতে হবে।

ডা. জাকির নায়েক ২০১৬ সালের ১ জুলাই ভারত ছেড়ে যান। সেই সময় সন্ত্রাসবাদের সঙ্গে যুক্ত থাকা এবং মুদ্রাপাচারে সম্পৃক্ততার অভিযোগে তার বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করে ভারত সরকার।

বর্তমানে তিনি মালয়েশিয়ায় রয়েছেন। দেশটির সরকার তাকে সম্মানজনক নাগরিকত্ব দিয়েছে।

নিজেকে নির্দোষ দাবি করে ওই সাক্ষাতকারে জাকির নায়েক বলেন, ইতিহাস দেখলে দেখা যাবে ৯০ শতাংশ মুসলমানকে সন্ত্রাসবাদের অভিযোগে অভিযুক্ত করা হয় এবং ১০ থেকে ১৫ বছর পরে সে আবার মুক্তি পায়। আমিও তেমনই একজন।

প্রসঙ্গত, ২০১৬ সালের ১ জুলাই রাতে ঢাকার গুলশানে হলি আর্টিজান বেকারিতে জঙ্গি হামলায় ১৭জন বিদেশিসহ ২০জন নিহত হন।

এ ঘটনায় আলোচনায় আসেন জাকির নায়েক। নিহত দুই হামলাকারী জাকির নায়েকের অনুসারী বলে দাবি করা হয়।

এর পর উগ্রবাদী বক্তব্য প্রচারের অভিযোগে বাংলাদেশে নিষিদ্ধ করা হয় তার টেলিভিশন চ্যানেল পিস টিভি। এর পর তদন্তে নামে ভারত সরকার।

ওই বছর ১৫ নভেম্বরে তার এনজিও সংস্থা ইসলামিক রিসার্চ ফাউন্ডেশনকে অবৈধ প্রতিষ্ঠান হিসেবে ঘোষণা করে পাঁচ বছরের জন্য নিষিদ্ধ করে ভারত সরকার।

জাকির নায়েক অবশ্য শুরু থেকেই তার বিরুদ্ধে আনা সব অভিযোগ নাকচ করে আসছেন।

দ্য উইক ম্যাগাজিনকে এ বিষয়ে জাকির নায়েক বলেন, এ পর্যন্ত কোনো জঙ্গি কি বলেছে যে আমি তাদের বোমা মারতে বলেছি? উত্তর হবে, না।

সাধারণ মানুষকে মারতে আমি কখনও কাউকে অনুপ্রাণিত করিনি, এটি চ্যালেঞ্জ করে বলতে পারি। যদি এমন কথা কেউ বলে তাহলে সে মিথ্যা বলছে।

সূত্র: এনডিটিভি ও মালাই মেইল



মন্তব্য চালু নেই