মেইন ম্যেনু

মানুষের পাশাপাশি হাঁটাচলা করবে রোবট : হ্যানসন

পাঁচ বছর পর মানুষের পাশাপাশি রোবটও হাটাঁচলা করবে। এমনটাই জানিয়েছেন কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা সম্পন্ন রোবট ‘সোফিয়া’র নির্মাতা প্রতিষ্ঠান হ্যানসন রোবটিক্সের প্রতিষ্ঠাতা ও প্রধান নির্বাহী ড. ডেভিড হ্যানসন।

ইতিমধ্যে ১৩টি সোফিয়া রোবট তৈরি করা হয়েছে এবং আরো অনেক সোফিয়া রোবট তৈরি করা হবে বলেও জানান তিনি।

বুধবার রাজধানীর বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে (বিআইসিসি) ‘টেক টক উইথ সোফিয়া’ সেশনে রোবটিক্সের ভবিষ্যত নিয়ে এমন কথা বলেন হ্যানসন।

অনুষ্ঠানের সঞ্চালক গ্রে অ্যাডভারটাইজ লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক সৈয়দ গাউসুল আলম শাওন রোবটিক্স প্রযুক্তির ভবিষ্যত সম্পর্কে জানতে চাইলে ড. হ্যানসন আরো বলেন, প্রযুক্তি মানবসমাজকে যেমন উন্নত করছে তেমনি আবার জটিলতাও তৈরি করছে। তাই প্রযুক্তিকে মানবকীকরণ করতে হবে। প্রযুক্তি যেন আমাদেরকে বুঝতে পারে, আমাদের জীবনযাপনকে অর্থপূর্ণ করতে পারে, সেজন্য সোফিয়ার মতো প্রযুক্তির রোবটগুলো মানুষের সহযোগী হিসেবে তৈরি করা হচ্ছে। রোবট মানুষের বন্ধু হয়ে ওঠবে। ইতিবাচক ভবিষ্যতের জন্য অনুভূতি সম্পন্ন রোবট তৈরিতে সকলকে কাজ করতে হবে।

সোফিয়াকে তৈরির প্রসঙ্গে তিনি বলেন, আমি এখন থেকে ৩০ বছর আগে রোবট তৈরির স্বপ্ন দেখেছিলাম। ২৩ বছর আগে আমি প্রথম হিউম্যানওয়েড বা মানবসাদৃশ্য রোবট তৈরি করি। সেসময় আমার মাথায় ঘুরপাক খাচ্ছিল, এমন একটি রোবট তৈরি করার যেটি মানুষের সঙ্গে কথা বলতে পারবে। সেজন্য সাড়ে তিন বছর আগে সোফিয়াকে তৈরির কাজ শুরু করি। ভারত, আফ্রিকা, ইউরোপ, আমেরিকা, হংকং, চীনের একদল বিজ্ঞানী এ প্রকল্পে কাজ করেছে। বছর দেড়েক আগে সোফিয়াকে পরিপূর্ণ রূপে তৈরি করতে সক্ষম হই। ইতিমধ্যে আমরা ১৩টি সোফিয়া রোবট তৈরি করেছি এবং আগামী বছরে আরো অনেক সোফিয়া রোবট ও মানবসেবার রোবট খুবই কম খরচে তৈরি করবো। মানুষের বন্ধু হিসেবে রোবট নির্মাণের এই উদ্যোগকে এখন কেবল যাত্রা শুরু বলা যেতে পারে।

হ্যানসন জানান, সোফিয়াকে তৈরি করা হয়েছে ওপেন সোর্স সফটওয়্যারের মাধ্যমে, বাংলাদেশি ডেভেলপাররা চাইলেই সোফিয়ার মতো রোবট তৈরি করতে পারবে।






মন্তব্য চালু নেই