মেইন ম্যেনু

মুমিনুলের রেকর্ডময় ম্যাচে বিশাল জয় বাংলাদেশের

এক ম্যাচে এত রেকর্ড! তাও আবার একজনের। ডাবলিনে রীতিমতো বিস্ময় উপহার দিয়েছেন মুমিনুল হক। ১৮২ রানের ইনিংস খেলার পথে বইয়ে দিয়েছেন রেকর্ডের স্রোত। দলও পেয়েছে কাঙ্ক্ষিত সাফল্য। চতুর্থ আনঅফিসিয়াল ওয়ানডেতে আয়ারল্যান্ড ‘এ’ দলকে ৮৫ রানে হারিয়েছে বাংলাদেশ। এ জয়ে পাঁচ ম্যাচ সিরিজে ২-১ ব্যবধানে এগিয়ে গেছে মুমিনুল বাহিনী।

বুধবার ডাবলিনে টসে জিতে প্রথমে ব্যাটিং নেয় বাংলাদেশ ‘এ’ দল। তবে শুরুটা ভালো হয়নি সফরকারীদের। দলীয় ৬ রানে প্যাভিলিয়নের পথ ধরেন মিজানুর রহমান। পরের গল্পটা শুধুই মুমিনুলের। দ্বিতীয় উইকেটে জাকির হাসানকে সঙ্গে নিয়ে ২১০ রানের জুটি গড়েন তিনি।

৯৩ বলে ৭৯ করে জাকির ফিরলেও থেকে যান মুমিনুল। এর পর মোহাম্মদ মিঠুনকে নিয়ে শতাধিক (১১২) রানের জুটি গড়েন তিনি। ৪৫ ওভারে সাজঘরে ফেরেন বাঁহাতি স্টাইলিশ ব্যাটসম্যান। তার আগে খেলেন ১৩৩ বলে ২৭ চার ও ৩ ছক্কায় ১৮২ রানের অবিশ্বাস্য ইনিংস। এ পথে একাধিক রেকর্ড গড়েন পয়েট অব ডায়নামো।

মুমিনুলের ১৮২ রানের ইনিংসটিই বিদেশের মাটিতে লিস্ট ‘এ’ ম্যাচে কোনো বাংলাদেশির সর্বোচ্চ। এর আগে ২০০৯ সালে জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে ১৫৪ রান করেন তামিম ইকবাল। শুধু তাই নয়, মহাকাব্যিক এ ইনিংস খেলার পথে ৫০ ওভারের ম্যাচে কোনো টাইগার হিসেবে রেকর্ড বাউন্ডারি হাঁকিয়েছেন তিনি। এতদিন ওয়ানডে ক্রিকেটে এক ইনিংসে সর্বোচ্চ চার মারার রেকর্ডটি দখলে ছিল তামিমেরই বড় ভাই নাফিস ইকবালের। ২০১৩ সালে ঢাকা প্রিমিয়ার লিগে (ডিপিএল) ২১ বাউন্ডারি খেলেন এ ডানহাতি ওপেনার। এবার ২৭টি চার মেরে রেকর্ডটি নিজের করে নিলেন মুমিনুল।

এ লিটল জিনিয়াস ফিরলে বাকি কাজটা সারেন মিঠুন। ৫১ বলে ১৪ চার ও ২ ছক্কায় হার না মানা ৮৭ রানের ইনিংস খেলেন তিনি। শেষ পর্যন্ত ৪ উইকেটে ৩৮৬ রানের পাহাড় গড়ে বাংলাদেশ, যা বাংলাদেশের লিস্ট ‘এ’ ক্রিকেটে দলীয় সর্বোচ্চ রানের কীর্তি।

পরে ব্যাট করতে নেমে জবাবটা ভালোভাবে দিতে থাকে আয়ারল্যান্ড। তবে নিয়মিত বিরতিতে উইকেটও খোয়ানো রুখতে পারেনি স্বাগতিকরা। শেষ অবধি ৪৬.১ ওভারে ৩০১ রানে অলআউট হয় তারা। আইরিশদের হয়ে অধিনায়ক অ্যান্ডি বালবার্নি খেলেন ১০৬ রানের অনবদ্য ইনিংস। সিমি সিং ৩২ বলে খেলেন ৫৩ রানের ঝড়ো ইনিংস। এ ছাড়া জেমস ম্যাকলামের ৪৩ ও স্টুয়ার্ট থম্পসনের ব্যাট থেকে আসে ৪২ রান।

বাংলাদেশের হয়ে ৩টি করে উইকেট ঝুলিতে ভরেছেন খালেদ আহমেদ ও ফজলে মাহমুদ। এ ছাড়া ২টি করে উইকেট নিয়েছেন শরিফুল ইসলাম ও মোহাম্মদ সাইফুদ্দিন।



মন্তব্য চালু নেই