মেইন ম্যেনু

যেসব ভারতীয় নেতাদের নারী কেলেঙ্কারিতে নাম জড়িয়েছে!

গুজরাট বিধানসভা ভোট সামনে। তরুন তুর্কি হার্দিক প্যাটেলের সমর্থন নিয়ে বিধানসভা দখলের স্বপ্ন দেখেছিল কংগ্রেস। কিন্তু এখন হার্দিকের নারী কেলেঙ্কারি সামনে আসতেই সেই স্বপ্ন ভাঙার পথে।

সোমবার বিভিন্ন গুজরাটি চ্যানেলে হোটেলের একটি ভিডিও ফুটেজ দেখানো হয়েছে। এখন পুরো ভারত জুড়ে আলোচনায় প্যাটেল সম্প্রদায়ের যুবনেতার এই ভিডিও। সেই সাথে আবারো আলোচনায় উঠে এসেছে ভারতের রাজনৈতিক নেতাদের নারী কেলেঙ্কারি। দেখা নেওয়া এই কেলেঙ্কারিতে নাম জড়িয়েছে যেসব ভারতীয় রাজনীতিকদের।

বাবুলাল নাগার : ২০১৩ সালেই রাজস্থানের এক মন্ত্রী বাবুলাল নাগারের বিরুদ্ধে সম্ভম নষ্টের অভিযোগ আনেন জয়পুরের বাসিন্দা এক মহিলা। অভিযোগ ওঠার পরে বাধ্য হয়ে পদত্যাগ করেন ওই মন্ত্রী।

অভিষেক মনু সিংভি : কংগ্রেসের মুখপাত্র এবং পরিচিত মুখ অভিষেক মনু সিংভি দেশের অন্যতম জনপ্রিয় আইনজীবীও বটে। কিন্তু সুপ্রিম কোর্টে চেম্বারে এক মহিলার সঙ্গে তার প্রেমালাপের ভিডিও প্রকাশ্যে আসায় ২০১২ সালে অস্বস্তিতে পড়েন এই নেতা।

গোপাল কান্ডার : ২০১২ সালে হরিয়ানার তৎকালীন মন্ত্রী গোপাল কান্ডার বিরুদ্ধে সম্ভ্রম নষ্টের অভিযোগ তুলে আত্মহত্যা করেন তারই বিমান সংস্থায় কর্মরত গীতা শর্মা। এই ঘটনার জেরে গ্রেফতার করা হয়েছিল কান্ডাকে, পরে অবশ্য দিল্লি হাইকোর্ট তাকে যাবতীয় অভিযোগ থেকে মুক্তি দেয়।

মহিপাল মদের্না : ভাঁওরি দেবীর কাণ্ড নিয়ে ২০১১ সালে রাজস্থানের কংগ্রেস সরকারকে প্রবল অস্বস্তিতে পড়তে হয়েছিল। পেশায় নার্স ওই মহিলার স্বামী রাজস্থানের তৎকালীন মন্ত্রী মহিপাল মদের্নার বিরুদ্ধে তার স্ত্রীকে অপহরণ করার অভিযোগ করেছিলেন।

পরে সিবিআই তদন্তে জানা যায়, মদের্নার সঙ্গে তার একটি পুরনো ভিডিও দেখিয়ে ওই মন্ত্রীকে ব্ল্যাকমেল করতেন ওই ভাঁওরি দেবী। শেষ পর্যন্ত ষড়যন্ত্র করেই ওই নার্সকে খুন করান অভিযুক্ত মন্ত্রী। পরে মাদার্না এবং তার সহযোগীদের পুলিশ গ্রেফতার করেছিল।

এন ডি তিওয়ারি : উত্তরপ্রদেশ এবং উত্তরাখণ্ডের সাবেক মুখ্যমন্ত্রী এন ডি তিওয়ারি ২০০৮ সালে পিতৃ্ত্ব নিয়ে বিতর্কে জড়িয়েছেন। এরপরে ২০০৯ সালে অন্ধ্রপ্রদেশের একটি টিভি চ্যানেলে দেখানো ভিডিও ক্লিপ নিয়ে হইচই পড়ে যায়।

সেখানে দাবি করা হয়, রাজভবনের বেডরুমে তিন তরুণীর সঙ্গে অস্বস্তিকর অবস্থায় রয়েছেন ৮৫ বছরের তিওয়ারি। এই বিতর্কের জেরে রাজ্যপালের পদ ছাড়তে এন ডি তিওয়ারিকে।

সাধু যাদব : ১৯৯৯ সালে বিহারে লালুপ্রসাদ যাদবের শ্যালক সাধু যাদবের বিরুদ্ধে শিল্পী নামে একটি মেয়েকে গাড়ির মধ্যে সম্ভ্রম নষ্ট করার পরে খুনের অভিযোগ ওঠে।

শিল্পীকে বাঁচাতে গিয়ে গৌতম নামে তার এক সঙ্গীও নিহত হন বলে অভিযোগ। দু’জনের মৃতদেহ উদ্ধার হয়েছিল। যদিও সিবিআই তদন্তে এই অভিযোগ প্রমাণিত হয়নি। তদন্তে বলা হয়, বিষ খেয়ে প্রেমিক-প্রেমিকা আত্মহত্যা করেছিলেন। শিল্পী এবং গৌতম— দু’জনেই সাধু যাদবের বন্ধু ছিলেন।

গোপীনাথ মুন্ডে : ১৯৯৭ সালে মহারাষ্ট্রের সাবেক মুখ্যমন্ত্রী গোপীনাথ মুন্ডের সঙ্গে বোরখা পটেল নামে এক মহিলার সম্পর্ক নিয়ে সংবাদমাধ্যমে জোর চর্চা চলেছিল। সেই পুরো মহারাষ্ট্র জুড়ে এটা ছিল চর্চিত বিষয়।

হারাষ্ট্রের জলগাঁওতে ১৯৯৪ সালে একাধিক প্রভাবশালী রাজনীতিক, সরকারি কর্মকর্তা এবং ব্যবসায়ীদের বিরুদ্ধে বড়সড় মধুচক্র চালানোর অভিযোগ উঠেছিল। মূলত স্কুল এবং কলেজ শিক্ষার্থী মেয়েদের ফাঁদে ফেলে এই র‌্যাকেটে নিয়ে এসে আপত্তিকর ছবি তুলে ব্ল্যাকমেল করা হতো।

হার্দিক প্যাটেল : সম্প্রতি হার্দিক প্যাটেলর নারী কেলেঙ্কারি সামনে এলো। সোমবার বিভিন্ন গুজরাটি চ্যানেলে হোটেলের একটি ভিডিও ফুটেজ দেখানো হয়েছে। হার্দিকের মতো একজনকে অজ্ঞাত পরিচয় মহিলার সঙ্গে দেখা যাচ্ছে। চার মিনিটের ক্লিপে তারিখ হিসেবে রয়েছে ১৬ মে, ২০১৭।






মন্তব্য চালু নেই