মেইন ম্যেনু

যে পাঁচ পন্থা অবলম্বনে ভারতকে হারাতে পারে পাকিস্তান

ক্রিকেট বিশ্বের চিরপ্রতিদ্বন্দী ভারত-পাকিস্তান ম্যাচ মানেই উত্তেজনা। দুই দেশের রাজনৈতিক বৈরিতার কারণে তাদের প্রতিদ্বন্দ্বিতা এখন আর তেমন দেখা যায় না। তবে এশিয়া কাপের চলতি আসরের পঞ্চম ম্যাচে এই দুই শক্তিশালী দল মুখোমুখি হলেও তেমন উত্তাপ ছড়াতে পারেনি পাকিস্তান। ভারতের সামনে মাত্র ১৬২ রানেই গুটিয়ে যায় সরফরাজ বাহিনী। জবাবে, ৮ উইকেটের জয় তুলে নেয় টিম ইন্ডিয়া।

এরপরই তীব্র সমালোচনার মুখে পড়ে পাকিস্তান ক্রিকেট দল। দেশটির সংবাদমাধ্যমেও শুরু হয়েছে নানা আলোচনা-পরামর্শ। জানানো হচ্ছে, সুপার ফোরের দ্বিতীয় সাক্ষাতে ভারতকে আটকাতে কী করা উচিত ক্রিকেটারদের! সেই বিশ্লেষনে উঠে এসেছে পাঁচটি পর্যবেক্ষণ।

ওপেনিং জুটি
এশিয়া শুরুর আগে জিম্বাবুয়ে সিরিজে পাকিস্তান দলকে আশা জাগিয়েছিলেন ফখর জামান ও ইমাম-উল-হক। কিন্তু শেষ তিন ম্যাচে পাকিস্তানের দুই ওপেনার জোট হয়ে তুলতে পেরেছেন ১, ২ ও ৪১ রান। এদের একজন ইমাম-উল হক অবশ্য রান পেয়েছেন। তিন ম্যাচে তার রান ৮০, ২ ও অপরাজিত ৫০। কিন্তু চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফির হিরো বিস্ফোরক ফখর জামান পুরোপুরি ব্যর্থ।

মিডলঅর্ডার সমস্যা
পাকিস্তান দলের শোয়েব মালিক ও বাবর আজম ছাড়া মিডলঅর্ডারে কেউই ভরসা দিতে পারছেন না। সর্বশেষ আফগানিস্তান ম্যাচে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা ছিল তাদের। ম্যাচে ইমাম ছাড়া বাবর করেন ৬৬ রান। আর মালিকের অপরাজিত ৪৩ বলে ৫০ রানের ইনিংসেই মূলত জয় পায় পাকিস্তান। এছাড়া ভারতের বিপক্ষে ১৬৩ রানে গুটিয়ে যাওয়া ইনিংসে মালিক করেছিলেন ৪৭ রান। আর বাবরের ব্যাট থেকে এসেছিল ৪৩ রান।

অধিনায়কের পারফরম্যান্স
পাকিস্তান দলের অধিনায়ক হিসেবে সরফরাজ আহমেদ অনন্য সাফল্য দেখিয়েছেন। তবে এশিয়া কাপের চলতি আসরে এখনও বড় রান করতে পারেননি তিনি। সাম্প্রতিক জিম্বাবুয়ে সফরে তার ব্যাটে রান ছিল না। বিপরীতে ভারতের অধিনায়ক রোহিত শর্মা হংকংয়ের বিপক্ষে ভালো করতে না পারলেও পাকিস্তানের বিরুদ্ধে ৫২ ও বাংলাদেশের বিরুদ্ধে ৮৩ রান করেন। এক্ষেত্রে সরফরাজকে বাড়তি দায়িত্ব পালন করতেই হবে।

ফিল্ডিংয়ে উন্নতি
টুর্নামেন্টের সুপার ফোরের প্রথম ম্যাচে আফগানিস্তানের বিপক্ষে জয় তুলে নিলেও সেই ম্যাচে পাঁচটি ক্যাচ হাতছাড়া করেছেন পাকিস্তানি ফিল্ডাররা। কিন্তু ভারতের বিপক্ষে পাঁচটা নয়, এমন একটি সুযোগ নষ্টও ম্যাচ হারের কারণ হতে পারে।

জ্বলে উঠতে ব্যর্থ আমির-শাদাব
পাকিস্তানের শক্তিমত্তার দিক হল বোলিং। তবে সেরা বোলিং অস্ত্র মোহাম্মদ আমির এখনও জ্বলে উঠতে পারেননি। দুই ম্যাচ খেলে কোনো উইকেট পাননি। আফগানিস্তান ম্যাচে খেলানো হয়নি তাকে। অন্যদিকে, তেমন দাগ কাটতে পারেননি স্পিনার শাদাব খানও।



মন্তব্য চালু নেই