মেইন ম্যেনু

রবিবারের আগে থামবে না বৃষ্টি

বঙ্গোপসাগর ও তৎসংলগ্ন এলাকায় সৃষ্ট নিম্নচাপের কারণে বৃহস্পতিবার থেকে রাজধানীসহ দেশের অনেক জায়গায় বৃষ্টি ঝরছে। গতকাল থেকে থেমে থেমে চলা এই বৃষ্টি শনিবার পর্যন্ত ঝরবে বলে জানিয়েছে আবহাওয়া অফিস। তবে রবিবার বৃষ্টি কমে আসবে। দুর্যোগপূর্ণ আবহাওয়ার কারণে দেশের সব সমুদ্রবন্দরে তিন নম্বর স্থানীয় সতর্ক সংকেত বহাল রাখা হয়েছে।

আবহাওয়া অধিদপ্তর বলছে, নিম্নচাপের কারণে উপকূলীয় এলাকায় সাগর উত্তাল রয়েছে। সেই সঙ্গে ঝোড়ো বাতাস বইছে। এসব এলাকায় নৌযানগুলোকে উপকূলের কাছাকাছি সাবধানে চলাচল করতে বলা হয়েছে।

আবহাওয়াবিদ আব্দুল মান্নান জানান, ‘নিম্নচাপের কারণে আজ ও আগামীকাল সারাদেশে বৃষ্টি থাকবে। আর সন্ধ্যার পর থেমে থেমে বৃষ্টি হবে। তবে আজ মধ্যরাত থেকে আবারো টানা বৃষ্টি হবে। শনিবার সন্ধ্যা পর্যন্ত বৃষ্টির এই ধারা অব্যাহত থাকবে।’

শুক্রবার সকাল নয়টা পর্যন্ত সারাদেশে ৫০ মিলিমিটার বৃষ্টি রেকর্ড করা হয়েছে বলে জানান তিনি।

এটিই মৌসুমের শেষ বৃষ্টি কি না জানতে চাইলে আব্দুল মান্নান জানান, ‘এটিই শেষ বৃষ্টি না। কারণ অক্টোবর-নভেম্বর মাসে বড় ধরণের ঘূর্ণিঝড় হয়। সেজন্য বৃষ্টি আরও হবে।’

বৃষ্টির কারণে পাহাড় ধসের সম্ভাবনা আছে কিনা জানাতে চাইলে তিনি বলেন, চট্টগ্রামে স্বাভাবিক বৃষ্টি হচ্ছে। তাই সেখানে পাহাড় ধসের কোনো সম্ভাবনা নেই।’

এদিকে সকালে আবহাওয়ার সর্বশেষ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, নিম্নচাপটি উত্তর ও উত্তর-পশ্চিম দিকে অগ্রসর হয়ে গত মধ্যরাতে (১৯ অক্টোবর) ভারতের উড়িষ্যা উপকূলের কাছে প্যারাদ্বীপ অতিক্রম করেছে। বর্তমানে এটি স্থল নিম্নচাপ রূপে উড়িষ্যা ও তৎসংলগ্ন এলাকায় অবস্থান করছে। এটি আরও উত্তর-পূর্ব দিকে অগ্রসর হয়ে দুর্বল হতে পারে। এর প্রভাবে উত্তর বঙ্গোপসাগর এলাকায় বায়ু চাপের তারতম্যের আধিক্য বিরাজ করছে এবং গভীর সঞ্চালনশীল মেঘমালা তৈরি অব্যাহত রয়েছে।

চট্টগ্রাম, কক্সবাজার, মংলা ও পায়রা সমুদ্র বন্দরসমূহকে তিন নম্বর স্থানীয় সতর্ক সংকেত দেখিয়ে যেতে বলা হয়েছে।

নিম্নচাপের ফলে উপকূলীয় জেলা কক্সবাজার, চট্টগ্রাম, নোয়াখালী, লক্ষীপুর, ফেনী, চাঁদপুর, ভোলা, বরিশাল, পটুয়াখালী, বরগুনা, ঝালকাঠী, পিরোজপুর, খুলনা, বাগেরহাট, সাতক্ষীরা এবং তাদের অদূরবর্তী দ্বীপ ও চরসমূহের নিম্নাঞ্চল স্বাভাবিক জোয়ারের চেয়ে ১-২ ফুট অধিক উচ্চতার জলোচ্ছ্বাসে প্লাবিত হতে পারে। উত্তর বঙ্গোপসাগরে অবস্থানরত সকল মাছ ধরার নৌকা ও ট্রলারকে পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত নিরাপদ আশ্রয়ে থাকতে বলা হয়েছে। সেইসঙ্গে দেশের কোথাও কোথাও মাঝারি থেকে ভারী বর্ষণ হতে পারে।






মন্তব্য চালু নেই