মেইন ম্যেনু

রাত দশটা বাজলেই হানিপ্রীতকে এসএমএস করে যা জানাতেন রামরহিম!

গুরমিত রাম রহিম সিংহ এখন জোড়া সম্ভ্রমহানীর দায়ে জেলে। বাবার পালিতা কন্যা হনিপ্রীতও গ্রেফতারি এড়াতে গা ঢাকা দিয়েছে। তা সত্ত্বেও অবশ্য বাবা এবং হানিপ্রীতকে নিয়ে নতুন নতুন গল্প সামনে আসছে।

আর এবারে বাবা এবং হানিপ্রীতের সম্পর্ক নিয়ে চাঞ্চল্যকর তথ্য সামনে এলো। সৌজন্যে হানিপ্রীতের ডেরার সাবেক এক সাধ্বী এবং তার বান্ধবী।

একটি সর্বভারতীয় হিন্দি দৈনিকের খবর অনুযায়ী, রোজ রাত দশটা বাজলেই হানিপ্রীতকে একটি বিশেষ এসএমএস করত বাবা। তার পরেই বাবার চাহিদা পূরণ করত তার পালিতা কন্যা। কিন্তু কী বার্তা থাকত সেই এসএমএসে?

ওই সাধ্বীর দাবি অনুযায়ী, ডেরায় আয়োজিত ‘সঙ্গত’ বা ধর্মীয় অনুষ্ঠান চলাকালীনই দর্শকাসনে থাকা সাধ্বীদের উপরে নজর রাখত বাবা। ধর্ম-কর্মের কথা বলার ফাঁকেই কোন মহিলাদের নিজের লালসার শিকার করবে, তা ঠিক করে নিত রাম রহিম। এরপরে রাত দশটার সময়ে কোন সাধ্বীকে তার ঘরে পৌঁছে দিতে হবে, এসএমএস করে হানিপ্রীতকে তা জানিয়ে দিত ভণ্ডবাবা। হানিপ্রীতও বাবার চাহিদা পূরণ করত।

ওই সাধ্বী জানিয়েছেন, যে মেয়েদের বাবা নিজের লালসার শিকার বানাতো, তারা প্রথমে খুশি হয়েই বাবার গোপন আস্তানায় প্রবেশ করতেন। কারণ যাকে তারা ভগবানের আসনে বসিয়েছেন, সেই বাবা তাদের ডেকে পাঠিয়েছে জেনেই খুশি হতেন তারা। কিন্তু সেই মেয়েরাই যখন বাবার আস্তানা থেকে ফিরতেন, তখন তারা কার্যত বোবা বনে যেতেন।

ওই সাধ্বীর আরও দাবি, তাকেও বাবার আস্তানায় যাওয়ার প্রস্তাব দেওয়া হয়েছিল। কিন্তু বাবার আসল রূপটি তিনি আগাম আন্দাজ করাতেই কোনওক্রমে নিস্তার পান। তার দাবি অনুযায়ী, হানিপ্রীতের জন্যই নিজের পরিবারের সঙ্গেও বাবার যোগাযোগ কমে গিয়েছিল।






মন্তব্য চালু নেই