মেইন ম্যেনু

রাস্তার পাশে চা খেয়ে হাজার টাকা বকশিশ

আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের রংপুরের ঠাকুরপাড়া পরিদর্শনে এসেছিলেন। ফেরার পথে মহাসড়কের পাশে গাড়ি থামিয়ে ছোট্ট দোকানে চা পান করেন তিনি। চা দোকানিকে এক হাজার টাকা বকশিশও দেন মন্ত্রী; হাত মেলান ও কথা বলেন সাধারণ মানুষের সঙ্গে। আকস্মিকভাবে মন্ত্রীকে কাছে পেয়ে উপস্থিত লোকজনের মধ্যে খুশির জোয়ার বয়ে যায়।

ঘটনাটি ঘটেছে রোববার বেলা পৌনে দুইটার দিকে রংপুর-সৈয়দপুর মহাসড়কে রংপুরের তারাগঞ্জ উপজেলার ইকরচালী বাজারে।

পুলিশ, প্রত্যক্ষদর্শী ও দলীয় সূত্রে জানা যায়, ১১ নভেম্বর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে ধর্মীয় অবমাননাকর স্ট্যাটাস দেওয়ার অভিযোগে হরকলি ঠাকুরপাড়া গ্রামের হিন্দু সম্প্রদায়ের পুড়িয়ে দেওয়া ঘরবাড়ি সরেজমিনে দেখতে ওবায়দুল কাদের আজ রোববার দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে সরকারি সফরে এখানে আসেন। বেলা পৌনে দুইটার দিকে মন্ত্রী ঠাকুরপাড়া থেকে ফিরে সৈয়দপুর বিমানবন্দরে যাওয়ার পথে হঠাৎ করে মহাসড়কের পাশে তারাগঞ্জের ইকরচালী বাজারে গাড়ি থেকে নেমে পড়েন। পাশেই খুদে চা দোকানি খোকন মিয়ার কাছে গিয়ে এক কাপ চা চান। তাঁকে চিনতে পেরে খোকন মিয়া দোকানের সামনে একটি চেয়ার দিলে সেখানে বসে মন্ত্রী চা পান করেন। মন্ত্রী খুশি হয়ে এক হাজার টাকা বকশিশ দেন খোকনকে। এরই মধ্যে উৎসুক লোকজন সেখানে জড়ো হয়। মন্ত্রী তাঁদের সঙ্গে হাত মেলান ও কুশল বিনিময় করেন। মন্ত্রী সেখানে প্রায় ১০ মিনিট ছিলেন। হঠাৎ মন্ত্রীকে কাছে পেয়ে চা দোকানি খোকন মিয়াসহ বাজারের লোকজনের মধ্যে খুশির জোয়ার বয়ে যায়।

খোকন মিয়া বলেন, ‘মুই কোনো দিন ভাবো নাই, মোর চা দোকানোত মন্ত্রী আসি বসি চা খাইবে। দ্যাশোত এমন মন্ত্রীর দরকার।’

ইকরচালী বাজারের মুদির দোকানি মহুবার হোসেন বলেন, ‘মন্ত্রীক দেখবার জন্যে ঠাকুরপাড়া গেছনু। ভিড়োত দেখিবার পাও নাই। ঘুরি বাজারোত আলছুং। হঠাৎ দেখনু মন্ত্রী গাড়ি থামে বাজারোত নামিল। মুই মন্ত্রীর কাছোত য্যায়া হাত মিলানু। মোর মনটা আইজ খুব খুশি।’

মন্ত্রীর সফরসঙ্গীদের সূত্রে জানা গেছে, সৈয়দপুর বিমানবন্দরে যাওয়ার পথে মন্ত্রী হঠাৎ করে ইকরচালী বাজারে তাঁর গাড়িচালককে গাড়ি থামাতে বলেন। এরপর কিছু বুঝে ওঠার আগেই তিনি গাড়ি থেকে নেমে দোকানির কাছে গিয়ে চা চান।






মন্তব্য চালু নেই