মেইন ম্যেনু

‘সিএনজিতে উঠে বসলে মনে হয় একটি ভ্রাম্যমাণ বাগান ছুটছে’

গোটা বিশ্বের তাপমাত্রা যেই হারে বাড়ছে, তাতে গাছ লাগানোর বিকল্প নেই বলে মনে করেন বিশেষজ্ঞরা। একমাত্র গাছই পারে পরিবেশ বাঁচাতে, তাই এর গুরুত্ব প্রচুর। কিন্তু গুরুত্বের থেকে প্রয়োজনের কথা বিবেচনা করে সিএনজিতেই শখের বাগান করেছেন এক চালক।

কেউ বলছিলেন, এই সিএনজিওয়ালা (ড্রাইভার) আস্ত একটা পাগল। কেই বলছিল, বাহ! আইডিয়া তো সুন্দর! অন্য ধরনের সাজে সজ্জিত এই সিনজিটাকে ঘিরে ধরা সবাই স্বীকার করছিলেন যে এমন অদ্ভূত বিষয় তারা এর আগে দেখেনেনি।

সিএনজিতে উঠে বসলে রীতিমতো মনে হয় একটি ভ্রাম্যমাণ বাগান ছুটছে। সিএনজিও অটোরিকশাওয়ালা হাশেম তার ‘পরিবেশ বান্ধব’ বাহন নিয়ে এক ধরনের গর্বের হাসি দিয়ে জানান, যাত্রীদের একটু স্বস্তিতে রাখার জন্য এই ব্যবস্থা।

খেয়াল করে দেখা গেল তার যাত্রীদের রীতিমতো ভিআইপি মর্যাদা এবং সেবা দিয়ে থাকেন যা আজকাল সচরাচর বাহন চালকদের মাঝে দেখা যায় না। তার গাছের তালিকায় মানিপ্ল্যান্ট সহ রয়েছে নানা জাতের ফুলের গাছ। সিএনজির ভেতরে ছোট ছোট বোতল কেটে তাতে লাগিয়েছেন গাছের চারা। সিএনজিতে উঠে বসলে রীতিমতো মনে হয় একটি ভ্রাম্যমাণ বাগান ছুটছে।

ওই সিএনজি চালকের নাম জাকির হোসেন। তার গ্রামের বাড়ি বরগুনায়, থাকেন ঢাকার উত্তর বাড্ডায়। প্রয়োজনটা কি জানতে চাইলে তিনি বলেন, জীবনে কোন কিছু করতে পারি নাই, তাই গাছ লাগাই।






মন্তব্য চালু নেই