মেইন ম্যেনু

সূচকের পতনে আস্থা সঙ্কট বাড়ছে পুঁজিবাজারে

সপ্তাহের দ্বিতীয় কার্যদিবসেও ব্যাপক বিক্রয় চাপ দেখা গেছে দেশের প্রধান পুঁজিবাজারে। অব্যাহত বিক্রয় চাপে দ্বিতীয় কার্যদিবসে ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসই) সার্বিক মূল্যসূচক কমেছে ৫৭.৬৯ পয়েন্ট। এসময় ডিএসই’র সার্বিক লেনদেন ৫৮০ কোটি ৮ লাখ টাকায় নেমে এসেছে।

অপরদিকে, চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জে (সিএসই) সাধারণ মূল্যসূচক ১২৬.৯৩ পয়েন্ট কমেছে। এসময় সিএসইতে ৩৫ কোটি ৬১ লাখ টাকার শেয়ার ও ইউনিট লেনদেন হয়েছে। ডিএসই ও সিএসই’র বাজার পর্যালোচনায় এ তথ্য জানা গেছে।

বাজার সংশ্লিষ্টরা বলছেন, আবারো তারল্য সঙ্কট বাড়ছে পুঁজিবাজারে। যার ফলে ধারাবাহিক দরপতনে ভুগছে পুঁজিবাজার। অব্যাহত পতনে বিনিয়োগকারীদের মধ্যে আস্থা সঙ্কট বাড়ছে।

তারা বলেন, বাজারের লেনদেনে বিনিয়োগকারীদের আস্থা সঙ্কটের চিত্র ফুটে উঠছে। কারণ গত দুই সপ্তাহেই বাজারের সার্বিক মূল্যসূচকসহ সিংহভাগ কোম্পানির শেয়ার দর পতন অব্যাহত ছিল। চলতি সপ্তাহে সূচকের পতনের গতি বাড়ছে।

বাজার পর্যালোচনায় দেখা যায়, ডিএসইতে লেনদেন হওয়া কোম্পানি ও ফান্ডের মধ্যে দর বেড়েছে ৪৯টির, দর কমেছে ২৬৫টির ও দর অপরিবর্তিত ছিল ২৩টি প্রতিষ্ঠানের। দিনশেষে ডিএসইতে ১২ কোটি ৪০ লাখ ৯৮ হাজার ৫৬৫টি শেয়ার লেনদেন হয়েছে।

এদিন ডিএসইতে টাকার অংকে লেনদেন হয়েছে ৫৮০ কোটি ৮ লাখ টাকা। এর আগের কার্যদিবসে ডিএসইতে লেনদেন হয়েছিল ৭৪২ কোটি ৩৯ লাখ টাকা। অর্থাৎ সোমবার ডিএসই’র সার্বিক লেনদেন কমেছে প্রায় ১৬২ কোটি টাকা।

লেনদেন শেষে ডিএসই’র সার্বিক মূল্য সূচক কমেছে ৫৭.৬৯ পয়েন্ট। এসময় ডিএসইএক্স সূচক ৫৩৫৭ পয়েন্টে স্থিতি পেয়েছে। অপরদিকে, ডিএসইএস ও ডিএস-৩০ সূচক যথাক্রমে ১৬.৬৫ পয়েন্ট ও ১৩.৭৫ পয়েন্ট কমেছে।

দিনশেষে ডিএসইতে টার্নওভার তালিকায় শীর্ষে উঠে এসেছে খুলনা পাওয়ার। দিনশেষে কোম্পানিটির ৬৪ কোটি ৮৮ লাখ টাকার শেয়ার লেনদেন হয়েছে। টার্নওভার তালিকায় দ্বিতীয় অবস্থানে ছিল ইউনাইটেড পাওয়ার, কোম্পানিটির ৪০ কোটি ২২ লাখ টাকার শেয়ার লেনদেন হয়েছে। ৩৩ কোটি ৫৪ লাখ টাকার শেয়ার লেনদেনের মধ্য দিয়ে টার্নওভার তালিকায় তৃতীয় অবস্থানে উঠে এসেছে শাশা ডেনিমস।

টার্নওভার তালিকায় থাকা অন্য কোম্পানিগুলো হলো— ইফাদ অটোস, একটিভ ফাইন কেমিক্যাল, বিবিএস ক্যাবলস, নাহি অ্যালমুনিয়াম, সায়হাম টেক্সটাইল, ন্যাশনাল হাউজিং ফাইন্যান্স ও আমান ফিড।

অপরদিকে, চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জে (সিএসই) লেনদেন হওয়া ২৪৫টি কোম্পানি ও ফান্ডের মধ্যে দর বেড়েছে ২৭টির, দর বেড়েছে ২০৫টির ও দর অপরিবর্তিত ছিল ১৩টি প্রতিষ্ঠানের। এসময় সিএসইতে ৩৫ কোটি ৬১ লাখ টাকার শেয়ার লেনদেন হয়েছে।

দিনশেষে সিএসই’র সাধারণ মূল্য সূচক আগের কার্যদিবসের তুলনায় ১২৬ পয়েন্ট কমে ৯ হাজার ৯৮৮ পয়েন্টে স্থিতি পেয়েছে। এসময় সিএসইতে টার্নওভার তালিকার শীর্ষে উঠে এসেছে স্কয়ার ফার্মা। কোম্পানিটির ১৩ কোটি ৮৯ লাখ টাকার শেয়ার লেনদেন হয়েছে।



মন্তব্য চালু নেই