মেইন ম্যেনু

১২ ডিসেম্বর আওয়ামী লীগের নির্বাচনী ইশতেহার

১২ ডিসেম্বর আওয়ামী লীগের নির্বাচনী ইশতেহার ঘোষণা করা হবে। আনুষ্ঠানিকভাবে এটি ঘোষণা করবেন দলটির সভাপতি শেখ হাসিনা। বৃহস্পতিবার দলটির বিশ্বস্ত সূত্র এ তথ্য নিশ্চিত করেছে।

এর আগে ‘গ্রাম হবে শহর’-সহ এমন প্রায় ১৪টি সম্ভাব্য শিরোনাম দিয়ে আওয়ামী লীগের একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের ইশতেহার চূড়ান্ত করে কমিটি। শেখ হাসিনার অনুমোদন সাপেক্ষে প্রতীক বরাদ্দের পর এটি প্রকাশের কথা ছিল।

ইতিমধ্যে এই ইশতেহার চূড়ান্ত করা হয়েছে। ১২ ডিসেম্বর এটি প্রকাশের প্রস্তুতি নিয়ে এগুচ্ছে আওয়ামী লীগ।

ইশতেহার কমিটি সূত্রে জানা গেছে, এবারের ইশতেহারে গুরুত্ব পেয়েছে- গ্রামীণ জনপদের উন্নয়ন; যার শিরোনাম হলো; গ্রাম হবে শহর।

২১০০ সালের ডেল্টা প্ল্যান, যুবকদের কর্মসংস্থান ও দক্ষ জনশক্তি হিসেবে গড়ে তোলা, সমাজের মূল উন্নয়নের ধারায় যুবকদের সম্পৃক্ত করাসহ তাদের জন্য থাকছে একগুচ্ছ কর্মসূচি।

সন্ত্রাস নির্মূল করে শান্তি প্রতিষ্ঠার অঙ্গীকার ও সামষ্টিক অর্থনৈতিক উন্নতি গুরুত্ব পেয়েছে। সামাজিক নিরাপত্তা ও উন্নয়নের ধারাবাহিকতা রক্ষা এবং ব্লু ইকোনমি বেশ গুরুত্বের সাথে উঠে এসেছে।

এছাড়াও ২০১৪ সালের ইশতেহার ও ২০১৬ সালে আওয়ামী লীগের সম্মেলনে বর্ণিত প্রাপ্তি বা দলের অর্জনগুলোও সমন্বয় করা হবে ইশতেহারে।

এ বিষয়ে ইশতেহার প্রণয়ন কমিটির আহ্বায়ক ও আওয়ামী লীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য ড. আবদুর রাজ্জাক বলেন ‘খসড়াটি চূড়ান্ত হয়েছে। নেত্রীকে দেয়া হবে। গ্রিন সিগন্যাল পেলে প্রকাশের ব্যাবস্থা নেয়া হবে।’

তিনি বলেন, আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় থেকে আর্থ-রাজনৈতিক উন্নয়নের গতি আরো বেগবান করতে চায়, সে বিষয়টিতেই ইশতেহারে সামনে আনা হয়েছে। পুষ্টিসম্মত খাদ্য, দুর্নীতি দমন, জনবান্ধব পুলিশ ও প্রশাসন তৈরি, যুব সমাজকে উন্নয়নের সাথে সম্পৃক্ত করা, সামষ্ঠিক অর্থনীতি, সামাজিক নিরাপত্তা, কর্মসংস্থান এসব বিষয় আছে।

এছাড়াও প্রধানমন্ত্রী সুপারিশ দেবেন। যোজন-বিয়োজন করবেন। প্রতীক বরাদ্দের পর জনসমক্ষে আনা হবে সেটি।

শনিবার বিকেলে ধানমন্ডিতে আওয়ামী লীগ সভাপতির রাজনৈতিক কার্যালয়ের নতুন ভবনে ইশতেহার উপ-কমিটির ৫ম সভা শেষ হয়।



মন্তব্য চালু নেই