মেইন ম্যেনু

অভিজাত এলাকার ফ্ল্যাটেও রমরমা ক্যাসিনো ব্যবসা

রাজধানী জুড়ে শুধু ক্লাবে নয়, বিভিন্ন অভিজাত এলাকার ফ্ল্যাটবাড়িতেও অবৈধ ক্যাসিনোতে চলছে জুয়ার ব্যবসা। এসব ক্যাসিনো চালাচ্ছেন যুবলীগের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মী।

ঢাকায় ফ্যাটবাড়িতে এমন ২১টি ক্যাসিনোর বিষয়ে তথ্য পেয়েছে এলিট ফোর্স র‌্যাব। এসব ফ্ল্যাটগুলোতে দ্রুতই অভিযান পরিচালনা করা হবে বলেও জানায় র‌্যাব।

এসব ফ্ল্যাটে ক্যাসিনো পরিচালনার কারিগরি দিকগুলো দেখতেন শতাধিক নেপালি নাগরিক। তারা বিদেশি ভ্রমণ ভিসায় এসে দিনের পর দিন জুয়া পরিচালনার কাজ করেছেন।

র‌্যাব সূত্রে জানা যায়, রাজধানীর অভিজাত গুলশান, বনানী, উত্তরার বিভিন্ন ফ্ল্যাটে তারা অবৈধ ক্যাসিনো ব্যবসার সন্ধান পেয়েছে। এছাড়াও বনানীর বাণিজ্যিক এলাকার কিছু ভবনেও রমরমা ক্যাসিনো ব্যবসা চলছে।

বিষয়টি নিয়ে জানতে চাইলে র‌্যাবের আইন ও গণমাধ্যম শাখার পরিচালক লেফটেন্যাান্ট কর্নেল সারওয়ার বিন কাশেম জানান: ফ্ল্যাট ভাড়া নিয়ে চলা ক্যাসিনোতেও শিগগিরই অভিযান চালানো হবে।

এদিকে ক্যাসিনো ইস্যুতে সংসদ সদস্য রাশেদ খান মেনন, হুইপ শামসুল হক চৌধুরী, পর্যটন সচিব মহিবুল হক, স্বরাষ্ট্র সচিবসহ সংশ্লিষ্টদেরকে লিগ্যাল নোটিশ পাঠানো হয়েছে।

জনস্বার্থে বুধবার ডাক ও রেজিস্ট্রি যোগে সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী ইউনুছ আলী আকন্দ তাদের প্রতি এই নোটিশ পাঠান। এই নোটিশের পর আগামী ২৪ ঘণ্টার মধ্যে যথাযথ কর্তৃপক্ষের ব্যবস্থা গ্রহণ না করলে রিট করা হবে।

ঢাকা মহানগর দক্ষিণ যুবলীগের সভাপতি ‘ক্যাসিনো সম্রাট’ ইসমাইল হোসেন সম্রাটের সন্ধানে র‌্যাব-পুলিশের যৌথ অভিযান শুরু হচ্ছে। অবৈধ জুয়া-ক্যাসিনো, টেন্ডার বাণিজ্য, চাঁদাবাজিসহ নানা অভিযোগে তাকে গ্রেফতারের জন্য আগেই মাঠে নেমেছে র‌্যাব। এবার পুলিশও তাদের সঙ্গে যোগ দিচ্ছে।

তবে সম্রাট দেশে আছে না পালিয়ে গেছে তা নিয়ে ধূম্রজালের সৃষ্টি হয়েছে। কেউ কেউ বলছেন ইসমাইল হোসেন সম্রাট পলাতক। তিনি পালিয়ে গেছেন। দেশ ত্যাগ করেছেন। কিন্তু আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর দাবি তিনি দেশেই আছেন। তাদের নজরদারির মধ্যেই আছেন।

অভিযোগ আছে, ঢাকা মহানগর দক্ষিণ যুবলীগের সভাপতি ইসমাইল হোসেন চৌধুরী সম্রাট নিজে সরাসরি ক্যাসিনো দেখাশোনা না করলেও তার ছত্রছায়ায় ক্যাসিনো চালাতেন স্বেচ্ছাসেবক লীগের কেন্দ্রীয় সভাপতি মোল্লা মো. আবু কাওসার ও ওয়ার্ড কাউন্সিলর একেএম মমিনুল হক ওরফে সাঈদ। এছাড়া মতিঝিলে আরও কয়েকজন সহযোগী রয়েছে তার। তারা সবাই গা ঢাকা দিয়েছেন। অপরদিকে আবু কাওসার ও মমিনুল হক দেশের বাইরে। সম্রাট তার অনুসারীদের নিয়ে গত কয়েকদিন কাকরাইলে নিজ কার্যালয়ে অবস্থান করলেও সোমবার সকাল থেকে কার্যালয়ে যাচ্ছেন না। তিনি কোথায় অবস্থান করছেন এ ব্যাপারে কেউ কিছু বলতে পারছেন না।



মন্তব্য চালু নেই