শিরোনাম:

আগামী সপ্তাহে টিকাদান শুরু বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষার্থীদের

আগামী সপ্তাহ থেকে পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের আবাসিক হলের শিক্ষার্থীদের অগ্রাধিকার ভিত্তিতে করোনাভাইরাস প্রতিষেধক টিকা দেয়ার কার্যক্রম শুরু করা হবে। পরবর্তী এক মাসের মধ্যে এ কার্যক্রম শেষ করা হবে।

ঈদুল আজহার পর সব হল খুলে দেয়া হবে। বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষা কার্যক্রমও সচল হবে বলে জানিয়েছে বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশন (ইউজিসি)।

পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয় খুলে দিতে গত সোমবার (৩১ মে) মন্ত্রণালয়, ইউজিসি এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্যদের অনুষ্ঠিত বৈঠকে চার শর্তে বিশ্ববিদ্যালয় খুলে দেয়ার সিদ্ধান্ত হয়।

বৈঠকে সভাপতিত্ব করেন শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি। বৈঠকে বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষার্থীদের অগ্রাধিকার ভিত্তিতে টিকা দেয়া নিশ্চিত করে বিশ্ববিদ্যালয় খুলে দেয়ার সিদ্ধান্ত নেয়া হয়।

চার সিদ্ধান্তের মধ্যে দু’টিতে বলা হয়, প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনা অনুসারে বিশ্ববিদ্যালয়ের সব শিক্ষার্থীকে অগ্রাধিকার ভিত্তিতে দ্রুততম সময়ের মধ্যে কোভিড-১৯ এর টিকা প্রদানের আওতায় আনা হবে। টিকাদান কর্মসূচি আবাসিক হলগুলোর শিক্ষার্থীদের দিয়ে শুরু করা হবে।

শিক্ষার্থীদের করোনার টিকা দেয়া শেষ হলেই বিশ্ববিদ্যালয়ের আবাসিক হলগুলো খুলে দেয়া হবে এবং বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষার্থীদের সরাসরি উপস্থিতিতে শিক্ষাকার্যক্রম আগের মতো চালু হবে।

চলতি জুনে চীনের টিকা বাংলাদেশে আসার কথা রয়েছে। এর আগে শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি বলেছিলেন, চীন থেকে ৬ লাখ ডোজ টিকা আসছে। আবাসিক শিক্ষার্থীদের অগ্রাধিকার দিয়ে সব শিক্ষার্থীর টিকা নিশ্চিত করা হবে। তারপর আবাসিক হল খুলে দেয়া হবে।

জানতে চাইলে ইউজিসির সচিব (চলতি দায়িত্ব) ফেরদৌস জামান বলেন, আগামী সপ্তাহের শুরু থেকে বিশ্ববিদ্যালয়ের আবাসিক হলে থাকা শিক্ষার্থীদের টিকা প্রদান কার্যক্রম শুরুর কথা রয়েছে। সেটি শুরু হলে পরবর্তী একমাসের মধ্যে মোট ১ লাখ ১০ হাজার শিক্ষার্থীর দ্বিতীয় ডোজ দেয়া হবে। এরপরে সব বিশ্ববিদ্যালয়ের হল খুলে দেয়া হবে। বিশ্ববিদ্যালয়ে ক্লাস-পরীক্ষা আগের মতো স্বাভাবিকভাবে চালু করা হবে।

এদিকে আগামী ২১ অথবা ২২ জুলাই (চাঁদ দেখা সাপেক্ষে) ঈদুল আজহা উদযাপিত হবে। সেই হিসেবে ঈদের পর বিশ্ববিদ্যালয়ের আবাসিক হলসহ বিশ্ববিদ্যালয় খুলে দেয়া সম্ভব হবে।

বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষাকার্যক্রম চালিয়ে নিতে গত ২৭ মে বৈঠক করে সরাসরি ও অনলাইনে পরীক্ষা নেয়ার নির্দেশনা দেয় ইউজিসি। সোমবার (৩১ মে) বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়কে আলাদা করে সরাসরি ও অনলাইনে পরীক্ষা নেয়ার নির্দেশনা দেয়া হয়।

জানতে চাইলে ইউজিসি’র সদস্য অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ আলমগীর বলেন, আগামী সপ্তাহ থেকে টিকা প্রদান কার্যক্রম শুরু করা সম্ভব হলে ঈদুল আজহার পর আগস্টের শুরুর দিকে সব বিশ্ববিদ্যালয় খুলে দেয়া যাবে। স্বাস্থ্যবিধি মেনে আগের মতো সরাসরি পরিচালিত হবে শিক্ষা কার্যক্রম, পরীক্ষা ও মূল্যায়ন।



মন্তব্য চালু নেই