মেইন ম্যেনু

আত্মসমর্পণ করে জামিন পেলেন ড. ইউনূস

নোবেল বিজয়ী অর্থনীতিবিদ ড. মুহাম্মদ ইউনূস আদালতে আত্মসমর্পণ করে জামিন পেয়েছেন। আজ রোববার ঢাকার তৃতীয় শ্রম আদালতের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান জাকিয়া পারভিনের আদালতে তিনি আত্মসমর্পণ করে জামিনের আবেদন করেন। আদালত তার জামিন আবেদন মঞ্জুর করেন। একই সঙ্গে মামলার চার্জ গঠনের দিন ড. ইউনূসকে আদালতে হাজির থাকতে হবে বলে নির্দেশ দেন আদালত। প্রত্যেক মামলায় ১০ হাজার টাকা করে মোট ৫০ হাজার টাকা মুচলেকায় এ জামিন দেওয়া হয়।

জামিন মঞ্জুরের পর ড. ইউনূসের আইনজীবী ব্যারিস্টার মাহমুদ জব্বার খান আগামীতে আইনজীবীর মাধ্যমে হাজিরা দেওয়ার অনুমতি চেয়েও আবেদন করেন। আদালত তার আবেদন মঞ্জুর করেন বলেন, ‘অভিযোগ গঠন শুনানির দিন তাকে (ড. ইউনূস) উপস্থিত থাকতে হবে।’

নিজের প্রতিষ্ঠিত গ্রামীণ কমিউনিকেশনস প্রতিষ্ঠানে ট্রেড ইউনিয়ন গঠন করায় চাকরিচ্যুতের অভিযোগে ড. ইউনূসের বিরুদ্ধে মামলা করা হয়। এই মামলায় গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করেন আদালত।

এরপর ২৮ অক্টোবর ড. মুহাম্মদ ইউনূসকে ৭ নভেম্বরের মধ্যে আত্মসমর্পণের নির্দেশ দেন হাইকোর্টের বিচারপতি মইনুল ইসলাম চৌধুরী ও খোন্দকার দিলুরুজ্জামানের সমন্বয়ে গঠিত বেঞ্চ। একই সঙ্গে, বিমানবন্দরে নামার পর থেকে তাকে এই সময়ের মধ্যে গ্রেফতার বা হয়রানি না করার নির্দেশ দেন আদালত।

ঢাকার তৃতীয় শ্রম আদালতে ড. মুহাম্মদ ইউনূসসহ তিনজনের বিরুদ্ধে মামলা করেন তার প্রতিষ্ঠিত প্রতিষ্ঠান গ্রামীণ কমিউনিকেশন্সের সদ্য চাকরিচ্যুত সাবেক তিন কর্মচারী। মামলার অপর দুই আসামি হলেন- একই প্রতিষ্ঠানের ব্যবস্থাপনা পরিচালক নাজনীন সুলতানা ও উপ-মহাব্যবস্থাপক খন্দকার আবু আবেদীন।

মামলা সূত্রে জানা গেছে, ড. মুহাম্মদ ইউনূস প্রতিষ্ঠিত গ্রামীণ কমিউনিকেশন্সে কিছু শ্রমিক ট্রেড ইউনিয়ন করতে চাইলে তাতে বাধা দিয়ে তাদের চাকরিচ্যুত করা হয়।

মামলায় আসামিদের উপস্থিতির দিন ধার্য ছিল গত ৯ অক্টোবর। মামলায় অপর দুই আসামি নাজনীন সুলতানা ও খন্দকার আবু আবেদীন উপস্থিত থাকলেও বিদেশে অবস্থান করায় ড. ইউনূস উপস্থিত ওই ছিলেন না। এ কারণে ঢাকার তৃতীয় শ্রম আদালতের চেয়ারম্যান রহিবুল ইসলাম তার বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানার এ আদেশ দেন। এ আদেশের পরিপ্রেক্ষিতে হাইকোর্টে সময় চেয়ে ড. ইউনূসের পক্ষে আবেদন করা হয়।



মন্তব্য চালু নেই