আমদানির ঘোষণায় কমল পেঁয়াজের দাম, দুশ্চিন্তায় কৃষকেরা

ভারত থেকে পেঁয়াজ আমদানির ঘোষণায় দুশ্চিন্তায় পড়েছেন কুষ্টিয়ার কৃষকরা। গত মাসে ঘরে পেঁয়াজ তুলেছেন এ জেলার কৃষকরা। ভরা মৌসুমে পেঁয়াজ আমদানি না করলে কৃষকরা লাভবান হবে বলে মনে করে কৃষি বিভাগ।

এদিকে পেঁয়াজের চাষ স্বাভাবিক রাখতে বিনা সুদে ঋণ ও কৃষি উপকরণ দেয়ার আহ্বান অর্থনীতিবিদদের।

কুষ্টিয়ার কৃষকেরা এবার তাহেরপুরী কিং জাতের পেঁয়াজ চাষ করেছেন। কৃষি বিভাগের তথ্য অনুযায়ী, কৃষকেরা ১২ হাজারের বেশি হেক্টর জমি থেকে পেঁয়াজ তুলছেন। চলতি মৌসুমে আবহাওয়া ভালো থাকায় জেলার ৬টি উপজেলায় ১ লাখ ৬৭ হাজার মেট্রিক টন পেঁয়াজ উৎপাদন হয়েছে। যা গত অর্থবছরের তুলনায় ১৪ হাজার মেট্রিক টন বেশি। তবে ভরা মৌসুমে পেঁয়াজ আমদানির খবরে কমতে শুরু করেছে দাম। গত ৭ মে বাঁশগ্রাম বাজারে পেঁয়াজ ১ হাজার ৮শ’ টাকা মণ বিক্রি হয়েছে। অথচ দুদিন পরই গতকাল শনিবার কমলাপুর পেঁয়াজের হাটে দাম কমে ১ হাজার ১শ’ টাকা মণ বিক্রি হয়েছে।

কৃষক ও ব্যবসায়ীরা জানান, পেঁয়াজ আমদানি করা হলে ক্ষতিগ্রস্ত হবেন তারা। সরকার যেন তাদের দিকটা দেখেন। এমন অনুরোধ জানিয়েছেন তারা।

কুষ্টিয়ার কৃষি অধিদপ্তরের খামারবাড়ীর জেলা প্রশিক্ষণ কর্মকর্তা সুশান্ত কুমার প্রামানিক বলেন, ভারত ও পার্শ্ববর্তী দেশ থেকে পেঁয়াজ আমদানি বন্ধ রাখলে কৃষকেরা লাভবান হবেন। পেঁয়াজের উৎপাদন বৃদ্ধি পাবে।

এদিকে পেঁয়াজ চাষিদের সহায়তায় বিনা সুদে ঋণ ও কৃষি উপকরণ কৃষকদের মাঝে বিতরণের আহ্বান জানান বাংলাদেশ অর্থনীতি সমিতির নির্বাহী সদস্য প্রফেসর ড. আলমঙ্গীর হোসেন।

কৃষি অফিসের তথ্য মতে, জেলায় বছরে ৬০ হাজার মেট্রিক টন পেঁয়াজের চাহিদা রয়েছে।



মন্তব্য চালু নেই