প্রধান ম্যেনু

এক মেসিতেই উড়ে গেল রিয়াল-জুভেন্টাস-পিএসজি!

লিওনেল মেসি। একগাদা রেকর্ডের নাম, একটি ইতিহাস। তাকে নিয়ে নতুন করে কিছু বলার নেই। ফুটবলের এক উচ্চমার্গিয় শিল্পী। যিনি গত এক যুগ ধরে ফুটবলভক্তদের দিয়ে এসেছেন বিনোদনের এক উচ্চমাত্রার খোরাক। যিনি তার দু’পায়ের জাদুতে মোহাবিষ্ট করে রেখেছেন গোটা ফুটবল অঙ্গনকে।

এই যেমন, গত শনিবার লা লিগার ম্যাচে সেল্টা ভিগোর বিপক্ষে গোলের হ্যাটট্রিক করে নিজেকে নিয়ে গেছেন অনন্য উচ্চতায়। এদিন ক্যারিয়ারের ৫২তম হ্যাটট্রিক পূর্ণ করেন ক্ষুদে জাদুকর। আর একটি হ্যাটট্রিক করতে পারলেই প্রতিদ্বন্দ্বী ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদোকে ছুঁয়ে ফেলবেন মেসি। রোনালদোর চেয়ে ১৩৪ ম্যাচ কম খেলে হ্যাটট্রিক প্রতিদ্বন্দ্বীকে ছুঁই ছুঁই মেসি।

ওইদিন সেল্টার বিপক্ষে একটি পেনাল্টি ও দুটি অসাধারণ, দর্শনীয় ফ্রি-কিকে হ্যাটট্রিক পূরণ করেন মেসি। যা সবাইকে স্মরণ করিয়ে দিল সেই আট বছর আগের কথা। ২০১২ সালের সেই ম্যাচে এস্পানিওলের বিপক্ষে এক পেনাল্টি ও দুই ফ্রি-কিকেই হ্যাটট্রিক করেছিলেন মেসি।

এদিকে, ৫২তম ওই হ্যাটট্রিকের দিনে মেসির ফ্রি-কিকের গোল সংখ্যাও দাঁড়ায় ৫২-তে। একইসঙ্গে গড়লেন টানা ১১ বর্ষে ৪০ কিংবা তার অধিক গোল করার রেকর্ডও।

অন্যদিকে, সর্বশেষ আট মৌসুমে লিগ পর্যায়ে মেসির ফ্রি-কিক গোল সংখ্যা দাঁড়ালো ২৮-এ। তার এমন ব্যক্তিগত সাফল্যের কাছে হার মেনেছে সেরা সেরা দলের দলীয় সাফল্যও। মেসি যেখানে সর্বশেষ আট মৌসুমে ২৮ গোল করেছেন ফ্রি-কিকে, সেখানে ইতালিয়ান সিরি-আ’র দল জুভেন্টাসের ফ্রি-কিক গোল সংখ্যা (২৭)। একই পরিসংখ্যানে লা লিগায় বার্সেলোনার চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী রিয়াল মাদ্রিদের ফ্রি-কিক গোল (২৩)। আর লিগ ওয়ানের অন্যতম দল প্যারিস সেন্ট জার্মেইন (পিএসজি)-র শেষ আট মৌসুমে ফ্রি-কিক গোল সংখ্যা মাত্র (২০)।

সুতরাং পরিসংখ্যান বলছে, মেসির একক কৃতিত্বের কাছে হার মেনেছে সেরা এ দলগুলোর দলগত সাফল্যও।

এদিক, ওই হ্যাটট্রিক নিয়ে বার্সেলোনায় তার গোল সংখ্য হলো ৬১২টি। আর মাত্র ৩১টি গোল করতে পারলেই ব্রাজিল কিংবদন্তি পেলের লিগ পর্যায়ের ৬৪৩ গোলের রেকর্ডও ভেঙে দেবেন মেসি।

৩২ বছর বয়সী সেটা পারেন কিনা বা মেসি আর কতটা দিয়ে, কিভাবে পারেন এই ফুটবল অঙ্গনকে রাঙিয়ে তুলতে – সেটাই এখন দেখার অপেক্ষা।



মন্তব্য চালু নেই