মেইন ম্যেনু

কবর দেয়ার জায়গা নেই পটুয়াখালী শহরে!

পটুয়াখালী পৌরসভা নিয়ন্ত্রণাধীন মুসলিম কবরস্থানে দাফনের জন্য মাটি খুঁড়লেই বেরিয়ে আসছে মানুষের হাড়গোড়। এতে বিব্রত হচ্ছেন স্বজনরা। এরপরও জায়গা না থাকায় বাধ্য হয়ে একের পর এক দাফন করা হচ্ছে। মূলত একই জায়গায় একাধিক কবর দেয়ায় এখন এ অবস্থা হয়েছে।

জেলায় স্থায়ী কবরের ব্যবস্থা না থাকায় নির্দিষ্ট সময় পর একই জায়গায় পুনরায় দাফন করা হচ্ছে। এতে হারিয়ে যাচ্ছে প্রিয়জনের শেষ স্মৃতিটুকু। এ অবস্থায় নতুন কবরস্থান নির্মাণে স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়ের সহযোগিতা প্রয়োজন বলে জানিয়েছেন পৌর মেয়র।

সবাই চান প্রিয়জনের শেষ স্মৃতিটুকু ধরে রাখতে। কিন্তু ছোট এ কবরস্থানে শত বছরের বেশি সময় ধরে দাফন করায় সেটি আর সম্ভব হচ্ছে না। গত কয়েক দশক যাবৎ একের পর এক দাফন করায় প্রিয়জনের কবরগুলো নিশ্চিহ্ন হয়ে যাচ্ছে।

জানা গেছে, ১৮৯২ সালে ২৬ বর্গকিলোমিটার এলাকা নিয়ে পটুয়াখালী পৌরসভা গঠিত হয়। সেসময় প্রায় সাত একর জমির উপর পৌরকর্তৃপক্ষ মুসলিম কবরস্থান নির্মাণ করে। বর্তমানে পৌর এলাকায় ১ লাখ ১৫ হাজার ৫০ জন মানুষের বসবাস। শহরে প্রতিদিনই বাড়ছে জনসংখ্যা। এ অবস্থায় কারও স্থায়ী কবর রাখা প্রায় অসম্ভব হয়ে পড়েছে। তারপরও অনেক প্রভাবশালী ব্যক্তি তাদের স্বজনদের কবরগুলো বাঁধাই করে রেখেছেন। আবার অনেকে দুই থেকে তিনজনের বেশি জায়গা নিয়ে সীমানা নির্ধারণ করে রেখেছে। আর এসব বিষয়ে পৌর কর্তৃপক্ষ অনেকটাই অসহায়।

কবর খোঁড়া শ্রমিকরা বলছেন, দাফনের জন্য মাটি খুঁড়লে এখন প্রায়ই হাড়গোড় পাওয়া যায়। এতে বেশ বিব্রত হন মৃতের স্বজনরা।

কবরস্থানের খাদেম আবদুল ওয়াহেদ জানান, প্রতিদিন গড়ে দু’জন মৃত অর্থ্যাৎ মাসে প্রায় ৬০টি লাশ দাফন করা রীতিমতো কঠিন হয়ে পড়েছে এ কবরস্থানে।

এ বিষয়ে পৌর মেয়র ডা. মো. শফিকুল ইসলাম জানান, আর্থিক সামর্থ না থাকায় নতুন করে একটি কবরস্থানের জায়গা নির্বাচন করেও তা বাস্তবায়ন করতে পারিনি। এজন্য সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের সহযোগিতা কামনা করেন তিনি।



মন্তব্য চালু নেই