প্রধান ম্যেনু

করোনায় মহাবিপর্যয়ের শঙ্কা

পরীক্ষাগারের সংখ্যা বাড়িয়ে প্রতিদিন হাজার মানুষের নমুনা পরীক্ষা করতে না পারলে করোনায় মহাবিপর্যয়ের আশঙ্কা করছেন বিশ্লেষকরা। তাদের মতে, দেশে কমিউনিটি ট্রান্সমিশন হয়েছে, কি হয়নি-সে বিতর্কে না গিয়ে দরকার দ্রুত রোগী শনাক্তকরণের মাধ্যমে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়া। আর এ কারণেই পরীক্ষাগারের সংখ্যা বাড়ানোর ওপর গুরুত্ব দিচ্ছেন তারা।

১৭ কোটি মানুষের জন্য খোলা রয়েছে আইইডিসিআরের ১৭টি হটলাইন নম্বর। দিনভর চেষ্টার পর যারা কোনো মতে এর একটি নম্বরে সাড়া পান, বিদেশ ভ্রমণের হিস্ট্রি না থাকায় তাদের অধিকাংশই পান না নমুনা পরীক্ষার সুযোগ।

গত আড়াই মাসে আক্রান্ত দেশগুলো থেকে লক্ষাধিক প্রবাসী দেশে ফিরলেও নমুনা পরীক্ষা হয়েছে মাত্র ৬২০ জনের। যেখানে দেড় সপ্তাহে ৩৩ জন শনাক্ত হওয়ার খবর প্রকাশ করেছে আইইডিসিআর। এদিকে রাজধানীসহ বিভিন্ন জেলায় প্রতিদিনই করোনায় আক্রান্ত বা মারা যাবার খবর এলেও সেটি প্রমাণ করবার কোন সুযোগ নেই। বিশেষজ্ঞদের মতে, সম্প্রতি রাজধানীর টোলারবাগে দুইজনের মৃত্যু কমিউনিটি ট্রান্সমিশনের প্রমাণ রাখলেও আইইডিসিআর এর ঘোষণা আসেনি এখনও।

বিএসএমএমইউ’র সাবেক উপাচার্য অধ্যাপক ডা. নজরুল ইসলাম বলেন, ৬০০ পরীক্ষা করা হলে সেটা খুবই কম। কয়েক হাজার টেস্ট করার পর যদি দেখা যেত যাদের আমরা সন্দেহ করছি তাদের হয়নি তাহলে বলা যেত কমিউনিটি ট্রান্সমিশন হচ্ছে না।

আক্রান্ত দেশ থেকে ফেরা মানুষদের শনাক্ত করে প্রয়োজনে আইসোলেশনে রাখা না হলে ভয়াবহ বিপর্যয়ের আশঙ্কা করছেন কোনো কোনো বিশেষজ্ঞ।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের রোগ নিয়ন্ত্রণ বিভাগের সাবেক পরিচালক অধ্যাপক ডা. বেনজীর আহমেদ বলেন, আক্রান্ত দেশগুলো থেকে যারা এসেছেন সেই লোকগুলোর সংস্পর্শে যারা এসেছেন তাদের কারও লক্ষণ হয়েছে কিনা, হলে তাদের আমরা পরীক্ষা করে দেখেছি কিনা? এগুলো না করে কেউ যদি বলেন কমিউনিটি ট্রান্সমিশন হয়নি তবে সেটা বিশ্বাসযোগ্য নয়।

কোভিড নাইনটিন শনাক্তে নমুনা সংগ্রহের পর পরীক্ষার ফল পেতে সময় লাগে মাত্র ৩ ঘণ্টা। একারণে যত দ্রুত সম্ভব রোগী শনাক্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের ওপর জোর দিচ্ছেন তারা।– সময় নিউজ.টিভি



মন্তব্য চালু নেই