মেইন ম্যেনু

কিশোরগঞ্জে চেয়ারম্যানকে আসামী করার প্রতিবাদে মানববন্ধন

খাদেমুল মোরসালিন শাকীর, কিশোরগঞ্জ (নীলফামারী) প্রতিনিধি : নীলফামারীর কিশোরগঞ্জ উপজেলার মাগুড়া ইউনিয়ন পরিষদে আত্মহত্যার প্ররচনার মামলায় পুলিশি তদন্ত প্রতিবেদনে ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যানকে ষড়যন্ত্রমূলক আসামী করার প্রতিবাদে মানবন্ধন করেছেন এলাকাবাসী। বুধবার সকাল ১০টার দিকে মাগুড়া বাসষ্ট্যান্ডে জলঢাকা রংপুর মিনি মহাসড়কের দুপার্শ্বে প্রায় এক কিলোমিটার রাস্তায় হাজার হাজার মানুষ মানববন্ধন পালন করে প্রতিবাদ জানান।

মানববন্ধন পালন কালে এলাকাবাসী দাবী করেন,আল আমিন বাদশা (৩৫) এর আত্মহত্যার সাথে মাগুড়া ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান মাহমুদুল হোসেন শিহাব কোন ভাবে জড়িত ছিলনা। তিনি গ্রাম রাজনীতির ষড়যন্ত্রের স্বীকার। তাকে ষড়যন্ত্রমূলক ভাবে পুলিশের তদন্ত প্রতিবেদনে আসামী করা হয়েছে। চেয়ারম্যান মাহমুদুল হোসেন শিহাবের পক্ষে এলাকাবাসী আনিছুর রহমান,আবু হোসেন সরকার ও মোশারফ হোসেনসহ অনেকে এসব কথা বলেন।

মামলার এজাহারে জানা গেছে, বড়ভিটা পাইকারটারী (ডাঙ্গাপাড়া) গ্রামের আজিজুল ইসলামের ইসলামের ছেলে আল আমিন (৩৫) গত বছর ৫ সেপ্টেম্বর সন্ধ্যা ৭ টার দিকে নিজ বাড়ি থেকে স্ত্রী সন্তান কে দেখার জন্য শশুরবাড়ী সিঙ্গেরগাড়ী বকসিপুকুর ডাঙ্গাপাড়ায় যায়। এ সময় শ্বশুর বাড়ির লোকজনের সাথে পারিবারিক বিষয় নিয়ে ঝগড়া বাধে তার। এ সময় শ্বশুর বাড়ীর লোকজন আল আমিনকে আটক করে কয়েকজন ইউপি সদস্যকে খবর দেয়। ইউপি সদস্যরাসহ অন্যান্য আসামীরা রাত ১১ টার দিকে অস্থায়ী ইউপি কার্যালয়ে তাকে নিয়ে আসে। সেখানে নামীয় আসামীরা তাকে মারধার করে। আল আমিন সামাজিক মানসম্মান ক্ষুন্ন ও বন্দিজীবনাদর্শের কারণে গায়ের শার্ট গলায় পেঁচিয়ে বেলকুনির গ্রীলের সাথে বাঁধিয়া ওই রাতে ৩টার দিকে আত্মহত্যা করে। এ ঘটনায় মৃত্যের পিতা আজিজুল ইসলাম বাদি হয়ে ৯জনকে আসামী করে থানায় একটি আত্মহত্যার প্ররোচনার মামলা করে। কিশোরগঞ্জ থানার মামলা নম্বর-২৪।

চেয়ারম্যান মাহমুদুল হোসেন শিহাব বলেন, আল আমিনকে ইউনিয়ন পরিষদ কক্ষে আটক রাখার সময় আমি বাহিরে ছিলাম। সে আত্মহত্যা করার পর ঘটনার বিষয় সম্পর্কে মেম্বারের মোবাইল ফোনের মাধ্যমে আমি জানি। আমাকে ষড়যন্ত্রমূলক পুলিশ তদন্ত প্রতিবেদনে আসামী করে মামলার চার্জশীট দেয়া হয়েছে।

মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা সহকারী পুলিশ পরিদর্শক এস আই রাফায়েত হোসেন বলেন, ধৃত আসামীগণের জবানবন্দির পরিপ্রেক্ষিতে চেয়ারম্যান মাহমুদুল হোসেন শিহাব এর নাম দেওয়া হয়েছে।

কিশোরগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ বজলুর রশীদ বলেন, মামলাটি দীর্ঘদিন তদন্ত করে সাক্ষীগণের সাক্ষ্য প্রমানের ভিত্তিতে তদন্ত প্রতিবেদন কোর্টে প্রেরণ করা হয়েছে।



মন্তব্য চালু নেই