প্রধান ম্যেনু

কীভাবে থাকবেন হোম কোয়ারেন্টাইনে?

বিদেশ থেকে ফিরলেই হোম কোয়ারেন্টাইনে থাকার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। শুধু তাই নয়, যাদের মধ্যে করোনা ভাইরাসের প্রাথমিক লক্ষ্যণ দেখা দিচ্ছে তাদেরও থাকতে হবে অন্যদের থেকে আলাদা হয়ে। কোয়ারেন্টাইন মানে শুধু বাড়িতে থাকা নয়। এর জন্য কিছু বিধিনিষেধ মানতে হবে। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা এর জন্য সুনির্দিষ্ট গাইডলাইন দিয়েছে।

এবার জেনে নিন কোয়ারেন্টাইনে কীভাবে থাকবেন, সে সম্পর্কে…

* পরিবারের অন্য সদস্যদের থেকে আলাদা থাকুন।

* আলো–বাতাসের সুব্যবস্থা আছে এমন ঘরে আলাদা থাকুন। একেবারেই সম্ভব না হলে অন্যদের থেকে অন্তত ৩ ফুট দূরে থাকুন। আলাদা বিছানা ব্যবহার করুন।

* গোসলখানা ও টয়লেট ব্যবহার করুন আলাদাভাবে। এগুলোতে পর্যাপ্ত আলো–বাতাসের ব্যবস্থা করুন।

* পরিবারের অন্য সদস্যদের সঙ্গে একই ঘরে অবস্থান করলে, কাছাকাছি (৩ ফুট) আসার প্রয়োজন হলে এবং জরুরি প্রয়োজনে বাড়ি থেকে বের হতে হলে অবশ্যই মাস্ক ব্যবহার করবেন।

* কোয়ারেন্টাইনে থাকা মা শিশুকে বুকের দুধ খাওয়াতে পারবেন। তবে মাস্ক ব্যবহার এবং ভালোভাবে সাবান দিয়ে হাত ধুয়ে তারপরে যান শিশুর কাছে।

* কাশি, সর্দি, বমি ইত্যাদির সংস্পর্শে এলে সঙ্গে সঙ্গে মাস্ক খুলে ফেলুন এবং নতুন মাস্ক ব্যবহার করুন। ব্যবহারের পর মাস্ক ঢাকনাযুক্ত ময়লার পাত্রে ফেলুন এবং সাবান–পানি দিয়ে ভালোভাবে হাত ধুয়ে নিন।

* সাবান ও পানি দিয়ে অন্তত ২০ সেকেন্ড ধরে হাত ধুতে হবে। প্রয়োজনে হ্যান্ড স্যানিটাইজার (জীবাণুনাশক তরল পদার্থ) ব্যবহার করা যেতে পারে।

* ভিজা হাত টিস্যু দিয়ে শুকনো করে নিন। টিস্যু না থাকলে পরিষ্কার তোয়ালে বা গামছা ব্যবহার করুন। এই তোয়ালে বা গামছা নির্দিষ্ট করে রাখুন।

* অপরিষ্কার হাতে কখনই চোখ, নাক ও মুখ স্পর্শ করবেন না।

* হাঁচি–কাশির সময় টিস্যু পেপার বা মেডিকেল মাস্ক/কাপড়ের মাস্ক অথবা বাহুর ভাঁজে মুখ ও নাক ঢেকে রাখুন। হাঁচির পর হাত পরিষ্কার করতে ভুলবেন না।

* থালা, গ্লাস, কাপ, তোয়ালে/গামছা, বিছানার চাদর অন্য কারও সঙ্গে ভাগাভাগি করে ব্যবহার করবেন না। এসব জিনিসপত্র ব্যবহারের পর পরিষ্কার করে ফেলুন। ভাল হয়, সাবান দিয়ে ধুয়ে রাখলে। ব্যক্তিগত এই সামগ্রীগুলো অন্য কারও সঙ্গে ভাগাভাগি করে ব্যবহার করবেন না।



মন্তব্য চালু নেই