মেইন ম্যেনু

কুমিল্লায় চটপটি-ফুচকা খেয়ে ২৬ শিক্ষার্থী হাসপাতালে

কুমিল্লার লালমাইয়ে ভ্রাম্যমাণ দোকানের চটপটি-ফুচকা খেয়ে ২৬ জনের মতো স্কুলশিক্ষার্থী অসুস্থ হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে। শনিবার উপজেলার শাকেরা আর এ উচ্চ বিদ্যালয়ে এ ঘটনা ঘটে। অসুস্থ শিক্ষার্থীদের লাকসাম উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স ও কুমিল্লার বিভিন্ন হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। তাদের বেশিরভাগই ছাত্রী।

জানা যায়, সকালে স্কুলের সামনে বসা ভ্রাম্যমাণ দোকান থেকে চটপটি ও ফুচকা খায় শিক্ষার্থীরা। ক্লাস শুরু হওয়ার পর তারা একে একে অসুস্থ হতে থাকেন। অসুস্থ সবার বয়স ১৩ থেকে ১৫ বছরের মধ্যে। তার মধ্যে ষষ্ঠ শ্রেণির পাঁচজন, সপ্তম শ্রেণির ১৫ জন, নবম শ্রেণির দুইজন এবং দশম শ্রেণির চারজন রয়েছে। তাদের নামপরিচয় জানা যায়নি।

পরে অসুস্থ ছাত্রছাত্রীদের উদ্ধার করে লাকসাম উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়। তাদের মধ্যে দুইজনের অবস্থা বেশি খারাপ হওয়ায় তাদের কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়।

এ ঘটনায় চার চটপটি দোকানদের আটক করেছে পুলিশ। আটকরা হলেন, লালমাই উপজেলার জালগাঁও গ্রামের মৃত রুস্তম আলীর ছেলে আবুল হাসেম (৪০), সদর দক্ষিণ উপজেলার কলোমিয়া গ্রামের আবু তাহেরের ছেলে আব্দুল হক (৩০), মনোহরগঞ্জ উপজেলার পোমগাঁও গ্রামের সোলেমান মিয়ার ছেলে ইসমাইল হোসেন (২৫), কোতোয়ালি থানার দুলাল মিয়ার ছেলে রাব্বি (২০)।

শাকেরা আর এ উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আহমদ উল্লাহ বলেন, সকালে হঠাৎ করে কয়েকজন ছাত্রী বমি করতে থাকেন। একে একে আরও কয়েকজন অসুস্থ হয়ে পড়ে। পরে স্থানীয় ক্লিনিকে প্রাথমিক চিকিৎসা শেষে তাদের লাকসাম উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়।

প্রধান শিক্ষক আরও বলেন, ঘটনার পর চার চটপটি দোকানদারকে আটক করে পুলিশের সোপর্দ করা হয়।

লাকসাম উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. মোহাম্মদ আব্দুল আলী বলেন, খালি পেটে বাসি খাবার খাওয়ার ফলে এমনটি হতে পারে। তবে তারা শিগগির সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরতে পারবে।

লালমাই উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা কে. এম ইয়াসির আরাফাত বলেন, চটপটি দোকানিদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে। অসুস্থদের লাকসাম ও কুমিল্লার হাসপাতালে চিকিৎসা দেয়া হচ্ছে। অসুস্থ শিক্ষার্থীরা বর্তমানে শঙ্কামুক্ত।



মন্তব্য চালু নেই