মেইন ম্যেনু

কে এই বিষ্ময় বালিকা, যার সুরেলা কণ্ঠে মুগ্ধ লাখো মানুষ

‘আকাশের ঐ মিটি মিটি তারার সাথে’ গানটি গাইছে এক শিশু। নৌকায় বৈঠা হাতে সুরেলা কণ্ঠে নেটিজেনদের মুগ্ধ করেছে যে শিশু তিনি আসলে কে। এই কিন্নরকণ্ঠি হলেন জামালপুরের মেলান্দহের লিউনা তাসনিম সাম্য।

অসাধারণ কণ্ঠের গানের জাদুতে মাত্র সাড়ে ৮ বছর বয়সেই ফেসবুক সেলিব্রিটি হয়েছেন তিনি।সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া সাম্যের গানের ভক্ত লাখ লাখ মানুষ। ক্ষুদে এই বিষ্ময়কর প্রতিভা জানান দিচ্ছে ভবিষ্যতে সঙ্গীত জগতের উজ্বল নক্ষত্রে পরিণত হওয়ার।

জানা যায়, সাম্য জামালপুরের মেলান্দহ উপজেলায় সমাজসেবা অধিদপ্তরের অফিস সহকারী ও কম্পিউটার অপারেটর আজমত আলী ও আরজুমান্দ মুশতারী দম্পতির মেয়ে।

মাত্র চার বছর বয়স থেকে গান শিখতে শুরু করা সাম্যের গান সম্প্রতি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে অলোড়ন সৃষ্টি করে সবার মনে। তৃতীয় শ্রেণিতে পড়ুয়া সাম্যের কণ্ঠের জাদুতে মুগ্ধ হন সবাই। রাতারাতি পরিচিতি পান “ফেসবুক সুপারস্টার” হিসেবে। সাম্যের গান ইন্টারনেটে আপলোড হওয়ার সাথে সাথে দেখছে লাখ লাখ মানুষ।

দেশ পেরিয়ে সাম্যের পরিচিতি পৌঁছে যায় পাশ্ববর্তী দেশেও। ভারতের একটি টিভি চ্যানেলের সুপার সিঙ্গার জুনিয়র প্রতিযোগিতায় অমন্ত্রিত প্রতিযোগী হিসেবে ডাক পড়ে তার। আন্ত:প্রাথমিক বিদ্যালয় প্রতিযোগীতায় লোক সঙ্গীতে প্রথম হয়ে অর্জন করেন স্বর্ণপদক।

বাংলাদেশ টেলিভিশনেও গান গেয়েছেন এই শিশু শিল্পী।

এছাড়াও বিভিন্ন প্রতিযোগিতা ও অনুষ্ঠানে অংশ নিয়ে সাম্য তার প্রতিভার স্বাক্ষর রাখেন। ছোট বেলা থেকেই গান পাগল সাম্য পড়ালেখাতেও অত্যান্ত মেধাবী।

লিউনা তাসনিম সাম্য জানান, ইন্টারনেটে গান ভাইরাল হওয়ার পর অনেকেই তার গান শুনতে আসেন। তারকাছে বিষয়টি খুব ভালো লাগে। তার স্বপ্ন ডাক্তার হওয়ার পাশাপাশি গানের জগতেও নিজেকে প্রতিষ্ঠা করার।

সাম্যের বাবা আজমত আলী জানান, সাম্যের সাফল্যে তার পরিবারের সকলেই গর্বিত। সাম্য বড় হয়ে ডাক্তার হওয়ার পাশাপাশি গানের জগতে প্রতিষ্ঠিত হয়ে সুনাম অজর্ন করবে এবং ভালো মানুষ হবে বলে প্রত্যাশা তার।

ভাইরাল হওয়া গানটি দেখতে এখানে ক্লিক করুন



মন্তব্য চালু নেই