প্রধান ম্যেনু

গবেষণায় প্রিয় বাংলা পাণ্ডুলিপি পুরস্কার পেলেন কবি আলাউদ্দিন আদর

গবেষণাধর্মী মৌলিক রচনা,কবিতা, উপন্যাস, গল্প ও ছড়ার পাণ্ডুলিপির জন্য পুরস্কার পেলেন পনের তরুণ লেখক। জ্যেষ্ঠ শিল্পী ও গুণীজনদের হাত থেকে পুরস্কার গ্রহণ করে সাহিত্যচর্চায় নিজেদের দায়িত্বশীল ভূমিকা রাখার প্রত্যয় ব্যক্ত করলেন তাঁরা।

১০ জানুয়ারী (শুক্রবার) বিকেলে রাজধানীর বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্রে আয়োজন করা হয় প্রিয় বাংলা পাণ্ডুলিপি পুরস্কার প্রদান অনুষ্ঠান।

শুরুতেই গবেষণাধর্মী মৌলিক রচনা ‘সাহিত্যে নোবেল:ভেতর ভেতর বাহির’ পাণ্ডুলিপিটির জন্য আলাউদ্দিন আদরের হাতে পুরস্কারের সম্মাননা ক্রেষ্ট তুলে দেওয়ার মাধ্যমে শুরু হয় পুরস্কার প্রদান পর্ব।

এ বছর ‘মাটি’ উপন্যাসের পাণ্ডুলিপির জন্য প্রিন্স আশরাফ, ‘বর পালালো’ ছড়ার পাণ্ডুলিপির জন্য জনি হোসেন কাব্য, ‘শেষ বিকেলের গল্প’ পাণ্ডুলিপির জন্য তন্ময় আলমগীর ও ‘উদ্বাস্তু মেঘের মিছিল’ কবিতার পাণ্ডুলিপির জন্য মাহমুদ হায়াত পুরস্কার পেয়েছেন। পুরস্কারপ্রাপ্ত প্রত্যেককে নগদ সম্মানী হিসেবে চেক ও ক্রেস্ট দেওয়া হয় । সম্মাননা দেওয়া হয় ২০১৮ ও ১৯ সালে পাণ্ডুলিপি পুরস্কার বিজয়ী প্রিয় বাংলার আরো ১৫ জন পুরস্কার বিজয়ী লেখককে।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন কথাসাহিত্যিক সেলিনা হোসেন। শিশুসাহিত্যিক আসলাম সানীর সভাপতিত্বে সম্মানিত অতিথি ছিলেন নাট্যব্যক্তিত্ব আবুল হায়াত, অধ্যাপক ও অভিনেতা জিয়াউল হাসান কিসলু, রম্যলেখক আহসান কবির এবং শিশুসাহিত্যিক মালেক মাহমুদ।

সেলিনা হোসেন পুরস্কার পাওয়া লেখকদের উদ্দেশে বলেন, ‘তোমরাই আগামীর ভবিষ্যৎ। এ পুরস্কার তোমাদের নানাভাবে অনুপ্রাণিত করবে। লেখালেখির জন্য এমন প্রেরণা খুবই গুরুত্বপূর্ণ।’

আবুল হায়াত বলেন, প্রিয় বাংলা তরুণ লেখকদের এ স্বীকৃতি দিয়ে ভবিষ্যতের লেখকদের পৃষ্ঠপোষকতা দিচ্ছে। এটি একটি অনন্য উদ্যোগ।

আসলাম সানী বলেন, ‘যাঁরা পুরস্কৃত হলেন, আশা করি তাঁদের প্রচেষ্টা অব্যাহত থাকবে, তাঁরা আরও সম্মান লাভ করবেন।’

রাসেদ রেহমান ও সালমা তালুকদারের সঞ্চালনায় শুভেচ্ছা বক্তব্যে প্রিয় বাংলা প্রকাশনীর প্রকাশক এস এম জসিম ভূঁইয়া বলেন, অত্যন্ত নিখুঁতভাবে পাণ্ডুলিপিগুলো বাছাই করা হয়েছে। পৃষ্ঠপোষকতা পেলে ভবিষ্যতে পুরস্কার বিজয়ী লেখকদের আরও বড় পরিসরে সম্মাননা ও সম্মানী দেওয়া হবে।

প্রিয় বাংলা প্রকাশনী তিন বছর ধরে প্রতিযোগিতাটির আয়োজন করে আসছে। এ ধারাবাহিকতা অব্যাহত থাকবে বলে জানান প্রিয় বাংলার প্রকাশক।



মন্তব্য চালু নেই