মেইন ম্যেনু

ঘূর্ণিঝড় ফণীর প্রভাবে সাতক্ষীরায় বেড়িবাঁধে ফাঁটল

ঘূর্ণিঝড় ফণীর প্রভাবে সাতক্ষীরায় গুঁড়ি গুঁড়ি বৃষ্টি হচ্ছে। এরই মধ্যে পানি উন্নয়ন বোর্ডের সবচেয়ে ঝুঁকিপূর্ণ পয়েন্ট গুলো যে কোনো মুহূর্তে ধসে যেতে পারে।

জেলার কালিগঞ্জ উপজেলার খানজিয়ায় বেড়িবাঁধে ফাঁটল দেখা দেওয়ায় সেখানে মেরামতের কাজ চলছে। কয়েকস্থানে বেড়িবাঁধ উপচে পানি ওঠতে শুরু করেছে।

শ্যামনগর উপজেলার গাবুরা ও পদ্মপুকুর এবং আশাশুনি উপজেলার প্রতাপনগর ও আনুলিয়া ইউনিয়নে বেড়িবাঁধগুলো ঝুঁকির মধ্যে রয়েছে। সেখানে মাঝে মাঝে বৃষ্টি হচ্ছে। বাতাসের গতিবেগও বেড়ে যাচ্ছে। জেলার নদনদীর পানি বৃদ্ধি পেয়েছে। সুন্দরবন সংলগ্ন নদীগুলোও ফুঁসে ওঠছে।

এদিকে, জেলার ঝুঁকিপূর্ণ উপজেলা শ্যামনগর ও আশাশুনির ৩০ হাজার মানুষ আশ্রয়কেন্দ্রে চলে এসেছেন। ১৬০টি সরকারি আশ্রয়কেন্দ্রের পাশাপাশি বিভিন্ন স্কুল কলেজ মাদ্রাসা, ইউনিয়ন পরিষদ, উপজেলা পরিষদ, মিলনায়তনসহ ১৪১২টি আশ্রয়কেন্দ্র প্রস্তুত রয়েছে।

আশ্রয়গ্রহণকারীদের জন্য পর্যাপ্ত শুকনো খাবার ও সুপেয় পানির ব্যবস্থা করা হয়েছে।

জেলা প্রশাসক জানিয়েছেন, মোট ১১৮টি মেডিকেল টিম এখন মাঠে রয়েছে। সিপিপির চার হাজার ৩৬০ জন স্বেচ্ছাসেবকের সাথে দুর্যোগ মোকাবেলা দলের ১৩৮৭ জন, জনপ্রতিনিধিদের কর্মী বাহিনী, যুব কেন্দ্রের সদস্যরা কাজ করছেন। পৃথকভাবে পুলিশও মাঠে রয়েছে।

জেলার সব উপজেলায় একটি করে নিয়ন্ত্রণ কক্ষ খোলা হয়েছে। সাতক্ষীরার ১৩শ’ জনপ্রতিনিধি তাদের নিজ অবস্থান থেকে ফণী মোকাবিলায় সাধ্যমত কাজ করছেন।

জেলা প্রশাসক এসএম মোস্তফা কামাল প্রেসব্রিফিং করে এসব তথ্য দিয়েছেন।

তিনি বলেন, ক্ষয় ক্ষতি সবচেয়ে কম যাতে হয় সেজন্য আমরা চেষ্টা করছি। সকল এলাকায় লাল পতাকা তুলে মাইকিং করে জনগণকে সতর্ক করার কাজ চলছে। ক্ষতিগ্রস্তদের জন্য ১২ লাখ টাকা বরাদ্দ পাওয়া গেছে। এ ছাড়া ৩১৬ মেট্রিক টন চাল ও অন্যান্য ত্রাণ সামগ্রী পাওয়া গেছে।

এদিকে গাবুরায় ও প্রতাপনগরে বৃষ্টি হচ্ছে। কালিগঞ্জের খানজিয়ায় পানি উন্নয়ন বোর্ডের বেড়ি বাঁধে ধস দেখা দেওয়ায় বালির বস্তা ফেলে তা প্রতিরোধের ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। উপজেলা নির্বাহী অফিসার সরদার মোস্তফা শাহিন জানান, আরও বালির বস্তা মজুদ করা হয়েছে। প্রয়োজনে তা ব্যবহার করা হবে।



মন্তব্য চালু নেই