শিরোনাম:

চলচ্চিত্র শিল্পী সমিতির নির্বাচনের ফলাফলে আদালতের স্থগিতাদেশ

বাংলাদেশ চলচ্চিত্র শিল্পী সমিতির নির্বাচনের ফলাফল স্থগিতাদেশ দিয়েছেন আদালত। গতকাল বৃহস্পতিবার ঢাকার দ্বিতীয় জ্যেষ্ঠ সহকারী জজ আদালতের বিচারক এই আদেশ দেন।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক ঢাকা জেলা ও দায়রা জজ আদালতের নেজারত শাখার এক কর্মকর্তা সাংবাদিকদের বিষয়টি জানিয়েছেন। তিনি জানান, বৃহস্পতিবার নেজারত শাখার মাধ্যমে নিষেধাজ্ঞার একটি নোটিশ পাঠানো হয়েছে।

এদিকে আদালত সূত্রে জানা যায়, নির্বাচনের ফল স্থগিত চেয়ে বৃহস্পতিবার ঢাকার দ্বিতীয় জ্যেষ্ঠ সহকারী জজ আদালতের একটি মামলা করা হয় (মামলা নম্বর ১৫০/১৭)। মামলাটি করেছেন সদ্য শেষ হওয়া নির্বাচনে ওমর সানী-অমিত হাসান প্যানেলের প্রার্থী রমিজ উদ্দিন। তার মামলায় সমিতির নির্বাচনের ফলাফলে অন্তর্বর্তীকালীন নিষেধাজ্ঞা চাওয়া হয়। সেই আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে বিচারক পরবর্তী নির্দেশ না দেয়া পর্যন্ত নতুন কমিটির কাছে ক্ষমতা হস্তান্তর না করার নির্দেশ দিয়েছেন।

বৃহস্পতিবার থেকে আদালত বাংলাদেশ চলচ্চিত্র শিল্পী সমিতির নির্বাচন কমিশনের চেয়ারম্যান মনতাজুর রহমান আকবর, আপিল বোর্ডের চেয়ারম্যান নাসির উদ্দিন দিলু, শিল্পী সমিতির আগের কমিটির সভাপতি শাকিব খান এবং বাংলাদেশ চলচ্চিত্র উন্নয়ন করপোরেশনের ব্যবস্থাপনা পরিচালককে নির্দেশ কার্যকরের কথা বলেছেন।

এদিকে আজ শুক্রবার (১২ মে) নতুন কমিটির শপথ নেয়ার কথা ছিল। এই স্থগিতাদেশে শপথ পিছিয়ে নেয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন শিল্পী সমিতির নির্বাচন কমিশনার মনতাজুর রহমান আকবর।

পাশাপাশি ফলাফল স্থগিত চেয়ে মামলা করায় চলচ্চিত্রাঙ্গনে বইছে সমালোচনার ঝড়। সিনিয়র শিল্পীরা এই বিষয়টি নিয়ে ক্ষোভও প্রকাশ করেছেন। তাদের দাবি, ক্ষমতার লোভে কিছু শিল্পী ইন্ডাস্ট্রি ধ্বংসের খেলায় মেতেছে। এইসব মামলা-মোকদ্দমা করে শিল্পীদের আন্তঃসম্পর্ক নষ্ট করা হচ্ছে।

এর পেছনে গভীর ষড়যন্ত্র লুকিয়ে আছে বলেও মনে করেন তারা। যেখানে শিল্পীদের বাইরে অন্য কারও পরিকল্পিত যোগসাজশ রয়েছে। প্রযোজক সমিতির মতো শিল্পী সমিতিও যেন তার শক্তি ও ঐতিহ্য না হারায় সেদিকে খেয়াল রাখতে চলচ্চিত্র শিল্পীদের অনুরোধ জানিয়েছেন তারা।