প্রধান ম্যেনু

ছাত্ররাজনীতি ও র‌্যাগিং মুক্ত খুবি’র ছাত্র-শিক্ষকরা কী ভাবছেন?

আবরার ফাহাদ হত্যাকাণ্ডের পর প্রতিবাদে উত্তাল সবকটি পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়। ক্যাম্পাসে চাপা আতঙ্ক আর অস্থিরতার আশঙ্কা থাকলেও সে অবস্থা থেকে মুক্ত খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়।

দেশের একমাত্র রাজনীতি ও সেশনজট মুক্ত এ শিক্ষাঙ্গনের শিক্ষা্র্থীরা বলছেন অন্য ব্শ্বিবিদ্যালয়ের মতো র‌্যাগিং ও ছাত্র নির্যাতন থাকলেও বর্তমান ক্যাম্পাস সেই অপসংস্কৃতি থেকে মুক্ত।

বিশ্ববিদ্যালয়ে ছাত্র রাজনীতি নিয়ে তাদের আছে নিজস্ব ভাবনা। এ নিয়ে এক্সক্লুসিভ প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে দেশের জনপ্রিয় বেসরকারি টিভি চ্যানেল যমুনা টেলিভিশন।

ছাত্রদের বরাত দিয়ে শিক্ষার্থীরা জানান, খুলনা ইউনিভার্সিটিতে ছাত্র রাজনীতি নেই এটা যেমন সত্য কথা তেমনি এটাও সত্যি কথা এখানকার ছাত্ররা রাজনীতি নিয়ে সচেতন। এখন যে ছাত্র রাজনীতির অবস্থা এটা অপ ছাত্র রাজনীতি হচ্ছে।ছাত্র রাজনীতি না থাকলেও শিক্ষকদের রাজনীতিতে ক্ষুব্ধ তারা।

শিক্ষার্থীদের মতে, এতে শিক্ষা কার্যক্রম ব্যহত হওয়ার পাশাপাশি নিরপেক্ষতা হারাচ্ছেন শিক্ষকরা। শিক্ষকরা বলছেন গুটিকয়েক শিক্ষকের লেজুড়বৃত্তির কারণে প্রশ্নের মুখে তাদের পেশাদারিত্ব।

খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের ফরেস্ট্রি অ্যান্ড উড টেকনোলজি বিভাগের অধ্যাপক ড. মাহমুদ হোসেন বলেন, স্বার্থান্বেষী কোনো মহল তাদের এই রাজনৈতিক প্ল্যাটফরমটা ব্যবহার করে ব্যক্তিগত সুযোগ-সুবিধা তারা আদায় করছেন কিন্তু আসলে দেশের উন্নয়ন, ছাত্রদের কী হবে এ জায়গাগুলো কিন্তু দেখছেন না।

খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের ব্যবসা প্রশাসন ডিসিপ্লিন বিভাগের অধ্যাপক ড. মো. নুরুন্নবী বলেন,রাজনৈতিক মতপার্থক্য থাকবে কিন্তু কাজের জায়গাটিতে কাজের লোক আসুক এবং যোগ্য মানুষ আসুক। তো এই সংস্কৃতি যদি আমারা লালন করতে পারি তাহলে রাজনৈতিক সচেতনতা বা রাজনৈতিক সংবেদনশীলতার বাইরেও কিন্তু কর্মপরিবেশ ঠিক রাখা যাবে। ভাষা আন্দোলন থেকে মুক্তি যুদ্ধ। ইতিহাসের প্রতিটি পর্বে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছেন ছাত্রশিক্ষকরা।কিন্তু বর্তমান প্রেক্ষাপটে রাজনীতি কতটা গঠনমূলক সে প্রশ্ন তুলেছেন তারা।



মন্তব্য চালু নেই